ঢাকা ০৯:৪৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

জাপানের সঙ্গে ইপিএ চুক্তি ৬ ফেব্রুয়ারি : বাণিজ্য সচিব

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (ইপিএ) খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের সঙ্গে ইপিএ স্বাক্ষর করা হবে।

রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এ কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি বা ইপিএ হলো দুই দেশের মধ্যে একটি মুক্তবাণিজ্য এলাকা বা এফটিএ তৈরির পরিকল্পনা।

মুক্তবাণিজ্য এলাকায় বিভিন্ন বাণিজ্যে বাধা, আমদানি কোটা, শুল্ক কমাতে এবং একে অন্যের সঙ্গে পণ্য ও পরিষেবার বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য এ ধরনের চুক্তি দুটি দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখে।

এলডিসির পরে তো আমরা অনেক সুযোগ সুবিধা হারাবো। অনেক শুল্ক আমাদের নতুন যুক্ত হবে। সেক্ষেত্রে কি এফটিএর ক্ষেত্রে সরকার নতুন করে কিছু ভাবছে? এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, হ্যাঁ আমরা অনেকগুলো দেশের সঙ্গে এফটিএ করছি। আমরা জাপানের সঙ্গে ইপিএ’র টোটাল নেগোসিয়েশন শেষ করেছি। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের সঙ্গে ইপিএ স্বাক্ষর করব।

তিনি বলেন, ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) নিয়ে গত বৃহস্পতিবারে আমাদের সাউথ কোরিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা নেগোসিয়েশন সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি এ বছরের মধ্যে তাদের সঙ্গেও স্বাক্ষর হবে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাছে আমরা এফটিএ’র জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছি এবং অন্যান্য যে সমস্ত মার্কেটে আমরা এখন শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাই সবগুলোর কাছেই আমাদের প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে এবং আমরা সেখানে আলোচনা সহসাই শুরু করব।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, কোনো দেশের সঙ্গে এ ধরনের অর্থনৈতিক চুক্তি এটাই প্রথম। এ চুক্তির ফলে জাপানে ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে জাপান এ দেশে ১ হাজার ৩৯টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এ অর্থনৈতিক চুক্তির মধ্য দিয়ে জাপানের জন্য ৯৭টি উপ-খাত উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

অন্যদিকে জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি উপ-খাতে চারটি মোডে সার্ভিস উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার। দুদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বন্ধন দৃঢ়তর করা এবং এলসিডি গ্র্যাজুয়েশনের পর জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সংরক্ষণ করতে চায়। এজন্য ‘বাংলাদেশ জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (বিজেইপিএ)’ স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ চুক্তির উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ।

রমজানের প্রস্তুতির ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রমজানের বাজার নিয়ে এবং মূল্য নিত্যপণ্য এবং রমজান মাস ভিত্তিক স্পেসিফিক যে সমস্ত পণ্যের বাজার ওঠানামা করে সেগুলোর সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। এ বছরের অবস্থা ভালো।

গত ছয় মাসে রপ্তানির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ নেগেটিভ। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এরকম হয়নি। তো এটা নিয়ে কি আপনাদের কোনো পরিকল্পনা আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আমরা পর্যালোচনা করেছি বিশ্ববাণিজ্যে আপনার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ মানে ডেফিসিট হয়েছে। আমরা তো পৃথিবীর বাইরে না, ওই হিসেবেই আমাদের উপরেও তবে আমাদের ৩ শতাংশ নেগেটিভ নেই। আমাদের ১ দশমিক ৬ শতাংশ লাইক দ্যাট। তবে আমাদের গ্লোবাল এভারেজের চেয়েও আমরা একটু ভালো অবস্থায় আছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

জাপানের সঙ্গে ইপিএ চুক্তি ৬ ফেব্রুয়ারি : বাণিজ্য সচিব

আপডেট সময় ০৫:২৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তির (ইপিএ) খসড়া চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের সঙ্গে ইপিএ স্বাক্ষর করা হবে।

রবিবার দুপুরে সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান এ কথা বলেন।

প্রসঙ্গত, অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি বা ইপিএ হলো দুই দেশের মধ্যে একটি মুক্তবাণিজ্য এলাকা বা এফটিএ তৈরির পরিকল্পনা।

মুক্তবাণিজ্য এলাকায় বিভিন্ন বাণিজ্যে বাধা, আমদানি কোটা, শুল্ক কমাতে এবং একে অন্যের সঙ্গে পণ্য ও পরিষেবার বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য এ ধরনের চুক্তি দুটি দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখে।

এলডিসির পরে তো আমরা অনেক সুযোগ সুবিধা হারাবো। অনেক শুল্ক আমাদের নতুন যুক্ত হবে। সেক্ষেত্রে কি এফটিএর ক্ষেত্রে সরকার নতুন করে কিছু ভাবছে? এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য সচিব বলেন, হ্যাঁ আমরা অনেকগুলো দেশের সঙ্গে এফটিএ করছি। আমরা জাপানের সঙ্গে ইপিএ’র টোটাল নেগোসিয়েশন শেষ করেছি। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি জাপানের সঙ্গে ইপিএ স্বাক্ষর করব।

তিনি বলেন, ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট (এফটিএ) নিয়ে গত বৃহস্পতিবারে আমাদের সাউথ কোরিয়ার সঙ্গে দ্বিতীয় দফা নেগোসিয়েশন সম্পন্ন হয়েছে। আশা করি এ বছরের মধ্যে তাদের সঙ্গেও স্বাক্ষর হবে।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের কাছে আমরা এফটিএ’র জন্য প্রস্তাব পাঠিয়েছি এবং অন্যান্য যে সমস্ত মার্কেটে আমরা এখন শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার পাই সবগুলোর কাছেই আমাদের প্রস্তাব প্রেরণ করা হয়েছে এবং আমরা সেখানে আলোচনা সহসাই শুরু করব।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জানায়, কোনো দেশের সঙ্গে এ ধরনের অর্থনৈতিক চুক্তি এটাই প্রথম। এ চুক্তির ফলে জাপানে ৭ হাজার ৩৭৯টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকারের সুবিধা পাবে বাংলাদেশ। অন্যদিকে জাপান এ দেশে ১ হাজার ৩৯টি পণ্যের শুল্কমুক্ত সুবিধা পাবে। এ অর্থনৈতিক চুক্তির মধ্য দিয়ে জাপানের জন্য ৯৭টি উপ-খাত উন্মুক্ত করা হচ্ছে।

অন্যদিকে জাপান বাংলাদেশের জন্য ১২০টি উপ-খাতে চারটি মোডে সার্ভিস উন্মুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

জানা গেছে, জাপান বাংলাদেশের অন্যতম বড় বাণিজ্য অংশীদার। দুদেশের মধ্যে অর্থনৈতিক বন্ধন দৃঢ়তর করা এবং এলসিডি গ্র্যাজুয়েশনের পর জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার সংরক্ষণ করতে চায়। এজন্য ‘বাংলাদেশ জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট (বিজেইপিএ)’ স্বাক্ষরের উদ্যোগ নিয়েছে।

এ চুক্তির উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জাপানি বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়ানো এবং দীর্ঘমেয়াদি জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ।

রমজানের প্রস্তুতির ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রমজানের বাজার নিয়ে এবং মূল্য নিত্যপণ্য এবং রমজান মাস ভিত্তিক স্পেসিফিক যে সমস্ত পণ্যের বাজার ওঠানামা করে সেগুলোর সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। এ বছরের অবস্থা ভালো।

গত ছয় মাসে রপ্তানির ৩ দশমিক ৭ শতাংশ নেগেটিভ। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এরকম হয়নি। তো এটা নিয়ে কি আপনাদের কোনো পরিকল্পনা আছে? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, আমরা পর্যালোচনা করেছি বিশ্ববাণিজ্যে আপনার ৩ দশমিক ৭ শতাংশ মানে ডেফিসিট হয়েছে। আমরা তো পৃথিবীর বাইরে না, ওই হিসেবেই আমাদের উপরেও তবে আমাদের ৩ শতাংশ নেগেটিভ নেই। আমাদের ১ দশমিক ৬ শতাংশ লাইক দ্যাট। তবে আমাদের গ্লোবাল এভারেজের চেয়েও আমরা একটু ভালো অবস্থায় আছি।