আকাশ নিউজ ডেস্ক :
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে ছাপ পড়ে ত্বকেও। কারণ বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকে কোলাজেন নামক প্রোটিনের ঘাটতি দেখা যায়। যার ফলে স্থিতিস্থাপকতা হারিয়ে ঝুলে পড়ে ত্বক। মুখে দেখা দেয় বলিরেখা ও রিঙ্কেলস। তবে আধুনিক জীবনযাত্রার কারণেও অনেকের অল্প বয়সেই ত্বকে ভাঁজ পড়তে পারে। এ সমস্যা দূর করতে অনেকেই কেমিক্যালযুক্ত ক্রিম বা চিকিৎসার দিকে ঝুঁকে পড়েন। তবে প্রাকৃতিক উপায়েও বলিরেখা প্রতিরোধ ও কমানো সম্ভব। যেমন-
নিয়মিত মুখে তেল বা ময়শ্চারাইজার ব্যবহার:
ত্বককে ময়শ্চারাইজ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল বা আর্গন অয়েল ব্যবহার করতে পারেন। এ সব তেল ত্বককে গভীর ভাবে হাইড্রেট করে। এর ফলে ত্বকে সহজে বলিরেখা পড়ে না ।
প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন:
দেহ ও ত্বকের হাইড্রেশন বজায় রাখতে প্রতিদিন অন্তত ৮ গ্লাস পানি পান করা জরুরি। শরীর থেকে সমস্ত টক্সিন দূর করে ত্বককে ভিতর থেকে নরম ও উজ্জ্বল রাখে পানি। সেই সঙ্গে পুরনো মৃত কোষ সরিয়ে দেয়।
সঠিক খাদ্যাভাস:
নিয়মিত খাদ্যতালিকায় ভিটামিন সি, ই, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ খাবার যেমন ফল, শাক-সবজি, বাদাম এবং মাছ রাখুন। এগুলো ত্বকের কোলাজেন উৎপাদন বাড়িয়ে বলিরেখা কমাতে সাহায্য করে।
সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি থেকে বাঁচুন:
সরাসরি সূর্যের আলো থেকে ত্বককে রক্ষা করতে সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের কোলাজেন নষ্ট করে। এর ফলে ত্বকে বলিরেখা দেখা দেয়।
পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস কমানো:
ত্বক সুন্দর রাখতে পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম প্রয়োজন। স্ট্রেস কমালে ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় থাকে। নেই সঙ্গে বলিরেখার প্রবণতা কমে।
প্রাকৃতিক ফেস মাস্ক ব্যবহার:
মধু, অ্যালোভেরা জেল, নারকেল দুধ অথবা দই দিয়ে ফেস মাস্ক করলে ত্বক নরম ও টানটান থাকে। সপ্তাহে ২-৩ বার এই ধরনের মাস্ক মুখে লাগালে উপকার পাবেন।
নিয়মিত ব্যায়াম ও মুখের ব্যায়াম:
ব্যায়াম রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে। যার ফলে ত্বক সতেজ থাকে। এর পাশাপাশি মুখের বিশেষ ব্যায়াম করলে মুখের পেশি টোন করে, বলিরেখা কমে। এছাড়া মুখের ব্যায়াম করলে কোলাজেনের উৎপাদনও বাড়ে। এতে ত্বক থাকে টানটান ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























