ঢাকা ১০:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধের ডাক এমবিসিবির

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

মোবাইল আমদানিতে মোট করহার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ করা, আটক ব্যবসায়ীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারসহ ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে মোবাইল ব্যবসা-সংক্রান্ত সব দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে সংগঠনটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শামীম মোল্লা গণমাধ্যমে এসব দাবি তুলে ধরেন।

করহার সহনীয় পর্যায় ও মোবাইল ফোন আমদানির জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নের ব্যপারে তিনি বলেন, মোবাইল আমদানিতে বিটিআরসি নির্ধারিত বিভিন্ন ধরনের এনওসি-মাদার কোম্পানি এনওসি, লোকাল এনওসি ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এনওসি-প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আমদানিতে করহার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।  মোবাইল আমদানিতে মোট করহার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবহৃত (ইউজড) মোবাইল ফোন আমদানির জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

শামীম মোল্লা বলেন,  এসব দাবি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা হয়েছে। আলোচনার একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের তিন মাসের একটি ‘গ্রেস পিরিয়ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, যাতে বিদ্যমান স্টক বিক্রির সুযোগ রাখা হয় এবং পরে এনইআইআর কার্যকর করা হয়। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, করসংক্রান্ত সমস্যার কোনো সমাধান ছাড়াই বিটিআরসি এনইআইআর চালু করেছে। ফলে অনেক গ্রাহকের মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়, এতে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

আটকদের মুক্তির ব্যপারে তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে ব্যবসায়ীরা বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের চেষ্টা করলেও বৈঠক না হওয়ায় তারা বিকালে সেখান থেকে বের হয়ে যান। এ সময় বিটিআরসি ভবনের পূর্ব পাশ থেকে একদল লোক ভাঙচুর শুরু করে। ব্যবসায়ীরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে এলাকা ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে, তাদের আটক ব্যবসায়ীদের মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

উল্লেখ্য, আগামী ৯০ দিন কারো অবৈধ কিংবা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। অবৈধ ও অননুমোদিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত করা হচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধের ডাক এমবিসিবির

আপডেট সময় ০৭:৩৫:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

মোবাইল আমদানিতে মোট করহার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ করা, আটক ব্যবসায়ীদের মুক্তি ও মামলা প্রত্যাহারসহ ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) চালুর প্রতিবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য সারা দেশে মোবাইল ব্যবসা-সংক্রান্ত সব দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন মোবাইল ব্যবসায়ীদের সংগঠন মোবাইল বিজনেস কমিউনিটি বাংলাদেশ (এমবিসিবি)।

শুক্রবার (২ জানুয়ারি) দুপুরে সংগঠনটির সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শামীম মোল্লা গণমাধ্যমে এসব দাবি তুলে ধরেন।

করহার সহনীয় পর্যায় ও মোবাইল ফোন আমদানির জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়নের ব্যপারে তিনি বলেন, মোবাইল আমদানিতে বিটিআরসি নির্ধারিত বিভিন্ন ধরনের এনওসি-মাদার কোম্পানি এনওসি, লোকাল এনওসি ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল এনওসি-প্রক্রিয়া সহজ করা এবং আমদানিতে করহার সহনীয় পর্যায়ে নামিয়ে আনতে হবে।  মোবাইল আমদানিতে মোট করহার সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ হওয়ার পাশাপাশি ব্যবহৃত (ইউজড) মোবাইল ফোন আমদানির জন্য আলাদা নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।

শামীম মোল্লা বলেন,  এসব দাবি নিয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বিটিআরসি ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে একাধিক দফা আলোচনা হয়েছে। আলোচনার একপর্যায়ে ব্যবসায়ীদের তিন মাসের একটি ‘গ্রেস পিরিয়ড’ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, যাতে বিদ্যমান স্টক বিক্রির সুযোগ রাখা হয় এবং পরে এনইআইআর কার্যকর করা হয়। তবে ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, করসংক্রান্ত সমস্যার কোনো সমাধান ছাড়াই বিটিআরসি এনইআইআর চালু করেছে। ফলে অনেক গ্রাহকের মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়, এতে গ্রাহকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়।

আটকদের মুক্তির ব্যপারে তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতে ব্যবসায়ীরা বিটিআরসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে সরাসরি বৈঠকের চেষ্টা করলেও বৈঠক না হওয়ায় তারা বিকালে সেখান থেকে বের হয়ে যান। এ সময় বিটিআরসি ভবনের পূর্ব পাশ থেকে একদল লোক ভাঙচুর শুরু করে। ব্যবসায়ীরা পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করলেও নিরাপত্তাজনিত কারণে এলাকা ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৬ জনকে আটক করা হয়েছে, তাদের আটক ব্যবসায়ীদের মুক্তি এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা প্রত্যাহার করতে হবে।

উল্লেখ্য, আগামী ৯০ দিন কারো অবৈধ কিংবা ক্লোন করা হ্যান্ডসেট বন্ধ হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব। অবৈধ ও অননুমোদিত মোবাইল হ্যান্ডসেটের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে সরকারের পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ১ জানুয়ারি থেকে দেশে আনুষ্ঠানিকভাবে ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থায় মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত সব ফোনের আইএমইআই নম্বর জাতীয় ডাটাবেজে যুক্ত করা হচ্ছে।