ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

পল্লী বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ খাত সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এই খাতকে সরকার আরো আধুনিকায়ন করার জন্য বিভিন্ন কর্মকৌশল প্রণয়ন করছেন এবং সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজের ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হবে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অতীব ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নিয়ন্ত্রিত সমিতিগুলো। এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা উন্নয়নকল্পে পল্লী বিদ্যুৎকে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সেই অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার কি হচ্ছে পল্লী বিদ্যুতে?।

সরকার সিস্টেম লসকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমসিম খাচ্ছে কেন? কেন বারংবার এই খাতকে সচল রাখতে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। এর পিছনের কারণ হিসেবে ধারণা করা যেতে পারে- এই খাতের দুর্নীতিই এমন পরিস্থিতির জন্য প্রধানত দায়ী। তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক-দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, গত ২০/০৯/২০১৭ইং দুদক সদর দপ্তরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন পাঁচজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। অভিযুক্তরা হলেন, দহিদুল ইসলাম (পরিচালক মানব সম্পদ), মো. মতিউর রহমান, পরিচালক (পবিস উন্নয়ন ও পরিচালন পরিদপ্তর উঃ অঃ), মো. খালিদ হোসেন (পরিচালক), মো. মাহবুবুল বাশার (পরিচালক), এম হারিসুর রহমান (সাবেক পরিচালক) এবং জেনারেল ম্যানেজার মো. মাহবুবুর রহমান, (মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি) ও নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর এলাকার পরিচালক কামিজ উদ্দিন এদের বিরুদ্ধে মোট ৭৩.৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়। উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনের আলোকে তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে।

তিনি আরো বলেন, অভিযোগের উল্লেখিত টাকা থেকে অনেক বেশী পরিমাণ দূর্নীতি হয়েছে যা শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়াও ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ ব্যতীত আরও কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরবর্তী সময়ে বিষয়টা আরো স্পষ্ট হবে।

দুদক কর্মকর্তা আরো বলেন, এ সকল দুর্নীতির মূল উৎস্য বিভিন্ন ধরণের মালামাল ক্রয়, নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলী বাণিজ্য এবং ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ থেকেই মূলত এসেছে। এ মাসের মধ্যেই তদন্তের মাধ্যমে আরও ব্যাপক তথ্য দূদকের সংগ্রহে এসে যাবে। পরবর্তীতে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

পল্লী বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:৫১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ খাত সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এই খাতকে সরকার আরো আধুনিকায়ন করার জন্য বিভিন্ন কর্মকৌশল প্রণয়ন করছেন এবং সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজের ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হবে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অতীব ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নিয়ন্ত্রিত সমিতিগুলো। এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা উন্নয়নকল্পে পল্লী বিদ্যুৎকে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সেই অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার কি হচ্ছে পল্লী বিদ্যুতে?।

সরকার সিস্টেম লসকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমসিম খাচ্ছে কেন? কেন বারংবার এই খাতকে সচল রাখতে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। এর পিছনের কারণ হিসেবে ধারণা করা যেতে পারে- এই খাতের দুর্নীতিই এমন পরিস্থিতির জন্য প্রধানত দায়ী। তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক-দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, গত ২০/০৯/২০১৭ইং দুদক সদর দপ্তরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন পাঁচজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। অভিযুক্তরা হলেন, দহিদুল ইসলাম (পরিচালক মানব সম্পদ), মো. মতিউর রহমান, পরিচালক (পবিস উন্নয়ন ও পরিচালন পরিদপ্তর উঃ অঃ), মো. খালিদ হোসেন (পরিচালক), মো. মাহবুবুল বাশার (পরিচালক), এম হারিসুর রহমান (সাবেক পরিচালক) এবং জেনারেল ম্যানেজার মো. মাহবুবুর রহমান, (মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি) ও নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর এলাকার পরিচালক কামিজ উদ্দিন এদের বিরুদ্ধে মোট ৭৩.৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়। উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনের আলোকে তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে।

তিনি আরো বলেন, অভিযোগের উল্লেখিত টাকা থেকে অনেক বেশী পরিমাণ দূর্নীতি হয়েছে যা শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়াও ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ ব্যতীত আরও কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরবর্তী সময়ে বিষয়টা আরো স্পষ্ট হবে।

দুদক কর্মকর্তা আরো বলেন, এ সকল দুর্নীতির মূল উৎস্য বিভিন্ন ধরণের মালামাল ক্রয়, নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলী বাণিজ্য এবং ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ থেকেই মূলত এসেছে। এ মাসের মধ্যেই তদন্তের মাধ্যমে আরও ব্যাপক তথ্য দূদকের সংগ্রহে এসে যাবে। পরবর্তীতে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।