ঢাকা ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর লিখিত প্রস্তাব বিনিময় করেছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরা গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় টাউন হল সভা চালু থাকবে: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ফ্যাসিস্ট সরকার দেশে ভঙ্গুর অর্থনীতি রেখে গেছে: প্রতিমন্ত্রী ‘এক-এগারোর’ মাসুদ উদ্দিন ফের ৪ দিনের রিমান্ডে কাল থেকে ৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু, যাদের না দেয়ার পরামর্শ জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ‘নগরবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা ছাড়া ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব নয়’ কক্সবাজারের পর্যটন স্পটে মিলবে ফ্রি ইন্টারনেট: তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী তেল আছে শুধু সংসদে: জামায়াত আমির

পল্লী বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ খাত সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এই খাতকে সরকার আরো আধুনিকায়ন করার জন্য বিভিন্ন কর্মকৌশল প্রণয়ন করছেন এবং সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজের ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হবে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অতীব ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নিয়ন্ত্রিত সমিতিগুলো। এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা উন্নয়নকল্পে পল্লী বিদ্যুৎকে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সেই অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার কি হচ্ছে পল্লী বিদ্যুতে?।

সরকার সিস্টেম লসকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমসিম খাচ্ছে কেন? কেন বারংবার এই খাতকে সচল রাখতে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। এর পিছনের কারণ হিসেবে ধারণা করা যেতে পারে- এই খাতের দুর্নীতিই এমন পরিস্থিতির জন্য প্রধানত দায়ী। তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক-দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, গত ২০/০৯/২০১৭ইং দুদক সদর দপ্তরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন পাঁচজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। অভিযুক্তরা হলেন, দহিদুল ইসলাম (পরিচালক মানব সম্পদ), মো. মতিউর রহমান, পরিচালক (পবিস উন্নয়ন ও পরিচালন পরিদপ্তর উঃ অঃ), মো. খালিদ হোসেন (পরিচালক), মো. মাহবুবুল বাশার (পরিচালক), এম হারিসুর রহমান (সাবেক পরিচালক) এবং জেনারেল ম্যানেজার মো. মাহবুবুর রহমান, (মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি) ও নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর এলাকার পরিচালক কামিজ উদ্দিন এদের বিরুদ্ধে মোট ৭৩.৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়। উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনের আলোকে তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে।

তিনি আরো বলেন, অভিযোগের উল্লেখিত টাকা থেকে অনেক বেশী পরিমাণ দূর্নীতি হয়েছে যা শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়াও ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ ব্যতীত আরও কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরবর্তী সময়ে বিষয়টা আরো স্পষ্ট হবে।

দুদক কর্মকর্তা আরো বলেন, এ সকল দুর্নীতির মূল উৎস্য বিভিন্ন ধরণের মালামাল ক্রয়, নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলী বাণিজ্য এবং ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ থেকেই মূলত এসেছে। এ মাসের মধ্যেই তদন্তের মাধ্যমে আরও ব্যাপক তথ্য দূদকের সংগ্রহে এসে যাবে। পরবর্তীতে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ প্রতিমন্ত্রী টুকুর

পল্লী বিদ্যুতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ

আপডেট সময় ০৫:৫১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ খাত সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এই খাতকে সরকার আরো আধুনিকায়ন করার জন্য বিভিন্ন কর্মকৌশল প্রণয়ন করছেন এবং সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন ২০২১ সালের মধ্যে শতভাগ বিদ্যুতায়নের কাজের ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হবে। শতভাগ বিদ্যুতায়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে অতীব ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড নিয়ন্ত্রিত সমিতিগুলো। এই প্রকল্পকে বাস্তবায়ন করতে বাংলাদেশ সরকার ও বিভিন্ন দাতা সংস্থা উন্নয়নকল্পে পল্লী বিদ্যুৎকে প্রয়োজনীয় অর্থ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। সেই অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহার কি হচ্ছে পল্লী বিদ্যুতে?।

সরকার সিস্টেম লসকে নিয়ন্ত্রণে আনতে হিমসিম খাচ্ছে কেন? কেন বারংবার এই খাতকে সচল রাখতে বিদ্যুতের দাম বাড়াতে বাধ্য হচ্ছে। এর পিছনের কারণ হিসেবে ধারণা করা যেতে পারে- এই খাতের দুর্নীতিই এমন পরিস্থিতির জন্য প্রধানত দায়ী। তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক-দুর্নীতি দমন কমিশনের একজন কর্মকর্তা জানান, গত ২০/০৯/২০১৭ইং দুদক সদর দপ্তরে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন পাঁচজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ। অভিযুক্তরা হলেন, দহিদুল ইসলাম (পরিচালক মানব সম্পদ), মো. মতিউর রহমান, পরিচালক (পবিস উন্নয়ন ও পরিচালন পরিদপ্তর উঃ অঃ), মো. খালিদ হোসেন (পরিচালক), মো. মাহবুবুল বাশার (পরিচালক), এম হারিসুর রহমান (সাবেক পরিচালক) এবং জেনারেল ম্যানেজার মো. মাহবুবুর রহমান, (মুন্সীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি) ও নারায়ণগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর এলাকার পরিচালক কামিজ উদ্দিন এদের বিরুদ্ধে মোট ৭৩.৫ কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের হয়। উক্ত অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনের আলোকে তদন্ত কার্যক্রম চলমান আছে।

তিনি আরো বলেন, অভিযোগের উল্লেখিত টাকা থেকে অনেক বেশী পরিমাণ দূর্নীতি হয়েছে যা শত কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। এছাড়াও ওই প্রতিষ্ঠানে অভিযুক্ত ব্যক্তিগণ ব্যতীত আরও কিছু দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা রয়েছে। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত পরবর্তী সময়ে বিষয়টা আরো স্পষ্ট হবে।

দুদক কর্মকর্তা আরো বলেন, এ সকল দুর্নীতির মূল উৎস্য বিভিন্ন ধরণের মালামাল ক্রয়, নিয়োগ, পদোন্নতি ও বদলী বাণিজ্য এবং ঠিকাদার নিয়ন্ত্রণ থেকেই মূলত এসেছে। এ মাসের মধ্যেই তদন্তের মাধ্যমে আরও ব্যাপক তথ্য দূদকের সংগ্রহে এসে যাবে। পরবর্তীতে তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।