ঢাকা ০৩:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ ভারতের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক আদালতে মামলা করা উচিত: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রুমিন ফারহানার বক্তব্যের প্রতিবাদে বিক্ষোভ বরগুনায় ডাকবাংলো থেকে দুই শিশু ও মায়ের মরদেহ উদ্ধার মায়ের প্রতি অবহেলা: শাস্তি পাবেন সেই যুগ্ম সচিব বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ প্রত্যাহার মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক এমপিদের সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির জ্ঞান থাকা আবশ্যক : স্পিকার ইরানের সুপ্রিম লিডার মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান ট্রাম্প ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না, দাবি ট্রাম্পের

সিঙ্গাড়ার দোকানে কাজ করেও ঢাবিতে চান্স পেয়েছে হুমায়ুন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাবার সঙ্গে সিঙ্গাড়ার দোকানে ৫/৬ ঘন্টা কাজের পাশাপাশি লেখাপড়া করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে হুমায়ুন কবীর। সে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের মাটশিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার ও ফুলসুরাত বেগমের পুত্র। চার ভাই-বোনের মধ্যে হুমায়ুন কবীর সবার ছোট। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে প্রত্যন্ত গ্রাম মাটশিয়ার বাদামতলা বাজারে ছোট একটি দোকান হুমায়ুনের পিতার। সিঙ্গাড়ার পাশাপাশি আলুর চপ, বেগুনি, পিয়াজি ভাজা বিক্রি করে। দিন রাত ৫/৬ ঘন্টা বাবার সাথে দোকানে কাজ করতো হুমায়ুন।

২০১৭ সালে বাঁকড়া ডিগ্রী কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এসএসসিতে জিপিএ-৪.৭৫ পেয়েছিল। বাবার অভাব অনটনের সংসারে অদম্য ইচ্ছাশক্তি হুমায়ুনকে লেখাপড়া থেকে দুরে রাখতে পারেনি। তাই শত কষ্টের মধ্যেও চলতি বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘খ’ ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। দরিদ্রতা তাকে বেঁধে রাখতে পারেনি। হুমায়ুন ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার হয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হতে চায়। সে সকলের দোয়া প্রার্থী।

হুমায়ুনের পিতা আব্দুল জব্বার জানান, শত কষ্ট ও দরিদ্রতার মাঝেও ছেলেকে লেখাপড়া শেখাতে চাই। হুমায়ুনকে কখনও পড়াশুনার কথা বলতে হয় না। আমার সাথে দোকানদারি করে আবার বাড়ি গিয়ে সব ক্লান্তি ভুলে লেখাপড়া করে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিঙ্গাড়ার দোকানে কাজ করেও ঢাবিতে চান্স পেয়েছে হুমায়ুন

আপডেট সময় ০১:৩৫:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাবার সঙ্গে সিঙ্গাড়ার দোকানে ৫/৬ ঘন্টা কাজের পাশাপাশি লেখাপড়া করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে হুমায়ুন কবীর। সে যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া ইউনিয়নের মাটশিয়া গ্রামের আব্দুল জব্বার ও ফুলসুরাত বেগমের পুত্র। চার ভাই-বোনের মধ্যে হুমায়ুন কবীর সবার ছোট। উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দুরে প্রত্যন্ত গ্রাম মাটশিয়ার বাদামতলা বাজারে ছোট একটি দোকান হুমায়ুনের পিতার। সিঙ্গাড়ার পাশাপাশি আলুর চপ, বেগুনি, পিয়াজি ভাজা বিক্রি করে। দিন রাত ৫/৬ ঘন্টা বাবার সাথে দোকানে কাজ করতো হুমায়ুন।

২০১৭ সালে বাঁকড়া ডিগ্রী কলেজ থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছিল। এসএসসিতে জিপিএ-৪.৭৫ পেয়েছিল। বাবার অভাব অনটনের সংসারে অদম্য ইচ্ছাশক্তি হুমায়ুনকে লেখাপড়া থেকে দুরে রাখতে পারেনি। তাই শত কষ্টের মধ্যেও চলতি বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘খ’ ইউনিটে পরীক্ষা দিয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। দরিদ্রতা তাকে বেঁধে রাখতে পারেনি। হুমায়ুন ভবিষ্যতে বিসিএস ক্যাডার হয়ে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হতে চায়। সে সকলের দোয়া প্রার্থী।

হুমায়ুনের পিতা আব্দুল জব্বার জানান, শত কষ্ট ও দরিদ্রতার মাঝেও ছেলেকে লেখাপড়া শেখাতে চাই। হুমায়ুনকে কখনও পড়াশুনার কথা বলতে হয় না। আমার সাথে দোকানদারি করে আবার বাড়ি গিয়ে সব ক্লান্তি ভুলে লেখাপড়া করে।