ঢাকা ০৪:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ঘরে প্রবেশ করে বাবা ছেলে ও মেয়েকে গুলি করে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘরে ঢুকে একই পরিবারের তিন সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার ভোর ৫টার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২০-এর এক্স ব্লকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ওসি মো. আরিফ হোসাইন।

নিহতরা হলেন- উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-১৭-এর এক্স ব্লকের ১০৪-এর বসবাসরত আহাম্মদ হোসেনের (৬৫), ছেলে সৈয়দুল আমিন (২৮) ও মেয়ে আসমা বেগম (১৫)।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, উখিয়ার লাল পাহাড় সংলগ্ন ক্যাম্প-২০ (এক্স), ব্লক-এস/৪, বি/৬ ব্লকে ঢুকে নারী-পুরুষসহ একই পরিবারে তিনজনকে গুলি করে অজ্ঞাত ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত। এতে মাথা, বুকে ও গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বাবা-ছেলে-মেয়েসহ তিনজনই।

ওসি আরও বলেন, বাবা-ছেলে ঘটনাস্থলে মারা গেলেও মেয়ে আসমাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ক্যাম্পের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসমাও মারা যায়। নিহতরা ক্যাম্প-১৭ থেকে এসে অস্থায়ীভাবে ক্যাম্প-২০-এ শেড তৈরি করে বাস করতেন।

ক্যাম্প সূত্র জানায়, সৈয়দুল আমিন আরসার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত। এ কারণে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এমন নৃশংসভাবে আক্রমণ চালিয়ে বাবা-বোনসহ তাকেও হত্যা করেছে। হামলার পর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা লাল পাহাড়ের এস/৪, বি/৭ ব্লকে দিয়ে পালিয়ে যায়।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনার পরে এপিবিএন পুলিশের সহায়তায় লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ্য, বেশকিছুদিন ধরে ক্যাম্পে খুনের খবর ছিল না। কিন্তু হঠাৎ একই পরিবারে বাবা-ছেলে-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। কী কারণে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যা করা হলো তা বের করতে পারছেন না কমিউনিটির লোকজন। পুলিশ ঘটনার রহস্য বের করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ঘরে প্রবেশ করে বাবা ছেলে ও মেয়েকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ১২:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘরে ঢুকে একই পরিবারের তিন সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার ভোর ৫টার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২০-এর এক্স ব্লকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ওসি মো. আরিফ হোসাইন।

নিহতরা হলেন- উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-১৭-এর এক্স ব্লকের ১০৪-এর বসবাসরত আহাম্মদ হোসেনের (৬৫), ছেলে সৈয়দুল আমিন (২৮) ও মেয়ে আসমা বেগম (১৫)।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, উখিয়ার লাল পাহাড় সংলগ্ন ক্যাম্প-২০ (এক্স), ব্লক-এস/৪, বি/৬ ব্লকে ঢুকে নারী-পুরুষসহ একই পরিবারে তিনজনকে গুলি করে অজ্ঞাত ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত। এতে মাথা, বুকে ও গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বাবা-ছেলে-মেয়েসহ তিনজনই।

ওসি আরও বলেন, বাবা-ছেলে ঘটনাস্থলে মারা গেলেও মেয়ে আসমাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ক্যাম্পের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসমাও মারা যায়। নিহতরা ক্যাম্প-১৭ থেকে এসে অস্থায়ীভাবে ক্যাম্প-২০-এ শেড তৈরি করে বাস করতেন।

ক্যাম্প সূত্র জানায়, সৈয়দুল আমিন আরসার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত। এ কারণে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এমন নৃশংসভাবে আক্রমণ চালিয়ে বাবা-বোনসহ তাকেও হত্যা করেছে। হামলার পর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা লাল পাহাড়ের এস/৪, বি/৭ ব্লকে দিয়ে পালিয়ে যায়।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনার পরে এপিবিএন পুলিশের সহায়তায় লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ্য, বেশকিছুদিন ধরে ক্যাম্পে খুনের খবর ছিল না। কিন্তু হঠাৎ একই পরিবারে বাবা-ছেলে-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। কী কারণে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যা করা হলো তা বের করতে পারছেন না কমিউনিটির লোকজন। পুলিশ ঘটনার রহস্য বের করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।