ঢাকা ০২:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনের আগে থেকেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে জামায়াত: মির্জা ফখরুল জঙ্গি হামলার আশঙ্কা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই: সিটিটিসি জ্বালানির কারণে রফতানি কমেছে—এমন ধারণা ভুল: পাটমন্ত্রী বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা স্থগিত করলো যুক্তরাষ্ট্র রাউজানে টিলা কাটা নিয়ে বিরোধে বিএনপি কর্মীকে গুলি করে হত্যা যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টিও মারা গেছেন মেধানির্ভর আত্মবিশ্বাসী মানবসম্পদ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের দাবি মেনে প্রস্তাব দিতে যাচ্ছে ইরান: ট্রাম্প ইরানের একটি ‘বিচক্ষণ’ চুক্তিতে পৌঁছানোর সুযোগ আছে: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর একজনের মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার রুমমেট

ঘরে প্রবেশ করে বাবা ছেলে ও মেয়েকে গুলি করে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘরে ঢুকে একই পরিবারের তিন সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার ভোর ৫টার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২০-এর এক্স ব্লকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ওসি মো. আরিফ হোসাইন।

নিহতরা হলেন- উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-১৭-এর এক্স ব্লকের ১০৪-এর বসবাসরত আহাম্মদ হোসেনের (৬৫), ছেলে সৈয়দুল আমিন (২৮) ও মেয়ে আসমা বেগম (১৫)।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, উখিয়ার লাল পাহাড় সংলগ্ন ক্যাম্প-২০ (এক্স), ব্লক-এস/৪, বি/৬ ব্লকে ঢুকে নারী-পুরুষসহ একই পরিবারে তিনজনকে গুলি করে অজ্ঞাত ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত। এতে মাথা, বুকে ও গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বাবা-ছেলে-মেয়েসহ তিনজনই।

ওসি আরও বলেন, বাবা-ছেলে ঘটনাস্থলে মারা গেলেও মেয়ে আসমাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ক্যাম্পের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসমাও মারা যায়। নিহতরা ক্যাম্প-১৭ থেকে এসে অস্থায়ীভাবে ক্যাম্প-২০-এ শেড তৈরি করে বাস করতেন।

ক্যাম্প সূত্র জানায়, সৈয়দুল আমিন আরসার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত। এ কারণে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এমন নৃশংসভাবে আক্রমণ চালিয়ে বাবা-বোনসহ তাকেও হত্যা করেছে। হামলার পর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা লাল পাহাড়ের এস/৪, বি/৭ ব্লকে দিয়ে পালিয়ে যায়।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনার পরে এপিবিএন পুলিশের সহায়তায় লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ্য, বেশকিছুদিন ধরে ক্যাম্পে খুনের খবর ছিল না। কিন্তু হঠাৎ একই পরিবারে বাবা-ছেলে-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। কী কারণে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যা করা হলো তা বের করতে পারছেন না কমিউনিটির লোকজন। পুলিশ ঘটনার রহস্য বের করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

নির্বাচনের আগে থেকেই রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করছে জামায়াত: মির্জা ফখরুল

ঘরে প্রবেশ করে বাবা ছেলে ও মেয়েকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ১২:৩৬:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ঘরে ঢুকে একই পরিবারের তিন সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার ভোর ৫টার দিকে উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প-২০-এর এক্স ব্লকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন উখিয়া থানার ওসি মো. আরিফ হোসাইন।

নিহতরা হলেন- উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ক্যাম্প-১৭-এর এক্স ব্লকের ১০৪-এর বসবাসরত আহাম্মদ হোসেনের (৬৫), ছেলে সৈয়দুল আমিন (২৮) ও মেয়ে আসমা বেগম (১৫)।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে ওসি বলেন, উখিয়ার লাল পাহাড় সংলগ্ন ক্যাম্প-২০ (এক্স), ব্লক-এস/৪, বি/৬ ব্লকে ঢুকে নারী-পুরুষসহ একই পরিবারে তিনজনকে গুলি করে অজ্ঞাত ১৫-২০ জন দুর্বৃত্ত। এতে মাথা, বুকে ও গলায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান বাবা-ছেলে-মেয়েসহ তিনজনই।

ওসি আরও বলেন, বাবা-ছেলে ঘটনাস্থলে মারা গেলেও মেয়ে আসমাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ক্যাম্পের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখান থেকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসমাও মারা যায়। নিহতরা ক্যাম্প-১৭ থেকে এসে অস্থায়ীভাবে ক্যাম্প-২০-এ শেড তৈরি করে বাস করতেন।

ক্যাম্প সূত্র জানায়, সৈয়দুল আমিন আরসার সন্ত্রাসী কার্যক্রমের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে সম্পৃক্ত। এ কারণে অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা এমন নৃশংসভাবে আক্রমণ চালিয়ে বাবা-বোনসহ তাকেও হত্যা করেছে। হামলার পর অজ্ঞাত সন্ত্রাসীরা লাল পাহাড়ের এস/৪, বি/৭ ব্লকে দিয়ে পালিয়ে যায়।

ওসি আরও বলেন, এ ঘটনার পরে এপিবিএন পুলিশের সহায়তায় লাশগুলো উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

উল্লেখ্য, বেশকিছুদিন ধরে ক্যাম্পে খুনের খবর ছিল না। কিন্তু হঠাৎ একই পরিবারে বাবা-ছেলে-মেয়েকে হত্যার ঘটনায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। কী কারণে একই পরিবারের তিন সদস্যকে হত্যা করা হলো তা বের করতে পারছেন না কমিউনিটির লোকজন। পুলিশ ঘটনার রহস্য বের করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানা গেছে।