ঢাকা ০১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাঞ্ছারামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার মৃত্যু নির্বাচনে ভুয়া তথ্য মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চাইলেন মুহাম্মদ ইউনূস থাইল্যান্ডে চলন্ত ট্রেনের ওপর ভেঙে পড়ল ক্রেন, নিহত ২২ জাস্টিস ফর হাদি, ইনশাআল্লাহ : মির্জা ফখরুল আলমগীর টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের কাজ শেষ পর্যায়ে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের কাজ শেষ পর্যায়ে জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, আগামী সপ্তাহেই তা মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনে ড্রিমার্স কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চ আয়োজিত ‘দুইশততম মেডিকেল ক্যাম্প উদযাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, আমাদের আগেই উচিত ছিল দরিদ্র মানুষকে স্বাস্থ্য কার্ড দেওয়া; কিন্তু সেটা করা হয়নি। দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয়েও এখনো শেষ হয়নি। আমি এ পদে আসার পরে আমাকে সময় দেওয়া হলো মাত্র ৮ দিন। আমি বললাম, আমি এটা জানি না, আমাকে আগে জানতে হবে, তারপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আজ ২ মাস পেরিয়েছে, আমরা আগামী সপ্তাহের মধ্যে এটা ক্যাবিনেটে দিতে পারব বলে আশাবাদী।

স্বাস্থ্য খাতকে ঢেলে সাজানো উচিত উল্লেখ করে নূরজাহান বেগম বলেন, বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ছিল এ মন্ত্রণালয়। আজ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কাজ করতে পারলে আমাদের হাসপাতালে আসতে হতো না। আমরা সেটা প্রতিরোধ করতে পারিনি। স্বাস্থ্য খাত এমন পর্যায়ে এসেছে যে এখন সংস্কার প্রায় অসম্ভব। এটিকে ভেঙে পুনরায় ঢেলে সাজাতে হবে।

আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসাসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আহতদের চিকিৎসা সহজ করতে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। দেশের চিকিৎসকদের পাশাপাশি আমরা ফ্রান্স, চীন থেকে চিকিৎসক এনেছি। তারপর নেপাল থেকে চক্ষু চিকিৎসক এনে চিকিৎসা করিয়েছি। তবুও অনেক রোগীর চোখ আমরা ভালো করতে পারিনি।

উপদেষ্টা বলেন, পা হারানোদের ব্যাপারে আমরা যুক্তরাজ্য, চীন ও ফ্রান্সের চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এমন একজনকে আমরা ব্যাংককে পাঠিয়েছি, যার চিকিৎসা ব্যয় প্রায় ২ কোটি টাকা। একজন সিএমএইচ-এ আছেন। একজন বার্ন ইউনিটে আছেন, যাকে অস্ট্রেলিয়া পাঠাতে ৪ কোটি টাকা খরচ হবে। এরকম অনেককে আমরা বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলে তাদের বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছি।

সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়, যা শুধু অ্যাকাডেমিক দিকে নয় বরং একটি সমাজ ও দেশ গঠন করেছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি ডিরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোরশেদ আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, আব্দুল কাদের, মাহিন সরকার, স্বাস্থ্য কমিটির আহ্বায়ক নাহিদা বুশরা, সদস্য সচিব তারেক রেজা প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের কাজ শেষ পর্যায়ে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ১১:৩৮:৪২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইনের কাজ শেষ পর্যায়ে জানিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, আগামী সপ্তাহেই তা মন্ত্রিপরিষদে পাঠানো হবে। শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) বিকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী সিনেট ভবনে ড্রিমার্স কনসালটেশন অ্যান্ড রিসার্চ আয়োজিত ‘দুইশততম মেডিকেল ক্যাম্প উদযাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, আমাদের আগেই উচিত ছিল দরিদ্র মানুষকে স্বাস্থ্য কার্ড দেওয়া; কিন্তু সেটা করা হয়নি। দেশের স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন ২০১৪ সাল থেকে শুরু হয়েও এখনো শেষ হয়নি। আমি এ পদে আসার পরে আমাকে সময় দেওয়া হলো মাত্র ৮ দিন। আমি বললাম, আমি এটা জানি না, আমাকে আগে জানতে হবে, তারপর সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। আজ ২ মাস পেরিয়েছে, আমরা আগামী সপ্তাহের মধ্যে এটা ক্যাবিনেটে দিতে পারব বলে আশাবাদী।

স্বাস্থ্য খাতকে ঢেলে সাজানো উচিত উল্লেখ করে নূরজাহান বেগম বলেন, বিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত ছিল এ মন্ত্রণালয়। আজ ডেঙ্গু মোকাবিলায় কাজ করতে পারলে আমাদের হাসপাতালে আসতে হতো না। আমরা সেটা প্রতিরোধ করতে পারিনি। স্বাস্থ্য খাত এমন পর্যায়ে এসেছে যে এখন সংস্কার প্রায় অসম্ভব। এটিকে ভেঙে পুনরায় ঢেলে সাজাতে হবে।

আন্দোলনে আহতদের চিকিৎসাসেবা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আহতদের চিকিৎসা সহজ করতে আমরা সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি। দেশের চিকিৎসকদের পাশাপাশি আমরা ফ্রান্স, চীন থেকে চিকিৎসক এনেছি। তারপর নেপাল থেকে চক্ষু চিকিৎসক এনে চিকিৎসা করিয়েছি। তবুও অনেক রোগীর চোখ আমরা ভালো করতে পারিনি।

উপদেষ্টা বলেন, পা হারানোদের ব্যাপারে আমরা যুক্তরাজ্য, চীন ও ফ্রান্সের চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। এমন একজনকে আমরা ব্যাংককে পাঠিয়েছি, যার চিকিৎসা ব্যয় প্রায় ২ কোটি টাকা। একজন সিএমএইচ-এ আছেন। একজন বার্ন ইউনিটে আছেন, যাকে অস্ট্রেলিয়া পাঠাতে ৪ কোটি টাকা খরচ হবে। এরকম অনেককে আমরা বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলে তাদের বিদেশে পাঠানোর চেষ্টা করছি।

সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়, যা শুধু অ্যাকাডেমিক দিকে নয় বরং একটি সমাজ ও দেশ গঠন করেছে।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন বাংলাদেশ-চায়না পাওয়ার কোম্পানি ডিরেক্টর ইঞ্জিনিয়ার মোরশেদ আলম, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ, আব্দুল কাদের, মাহিন সরকার, স্বাস্থ্য কমিটির আহ্বায়ক নাহিদা বুশরা, সদস্য সচিব তারেক রেজা প্রমুখ।