ঢাকা ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

“চট্টগ্রাম বোর্ডের পাঁচটি কলেজের কেউই পাস করেনি”

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলতি বছর অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে; যা গতবারের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ কম। এছাড়া পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাঁচটি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থী পাশ করেনি।

তবে এবারের এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৬৯ পরীক্ষার্থী; যা গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার ৯৩০ জন বেশি।

এর মধ্যে নগরীর সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১ হাজার ৭২১ জন পরীক্ষা দিয়ে ১ হাজার ১০৮ জনই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

একইভাবে জিপিএ-৫ এর দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ। এর মধ্যে সিটি কলেজ থেকে ২ হাজার ৮৫ জন পরীক্ষা দিয়ে ৮৭২ জন ও ক্যান্টনমেন্ট থেকে ১ হাজার ২০৩ পরীক্ষা দিয়ে ৮৪৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ভবনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এএমএম মুজিবুর রহমান ফল ঘোষণায় এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ঘোষিত ফল অনুসারে, এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৭৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এই হিসাবে গতবারের চেয়ে এবার পাশের হার কমেছে ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। এবারো সর্বোচ্চ পাশের হার বিজ্ঞান বিভাগে ৯১ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাশের হার ৭৩ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাশের হার ৫৭ দশমিক ১১ শতাংশ। ছাত্রদের তুলনায় পাশের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। এবার ছাত্রী পাশের হার ৭২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অপরদিকে ছাত্র পাশ করেছে ৬৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। এছাড়া জিপিএ-৫ পাওয়া ১০ হাজার ২৬৯ জনের মধ্যেও ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। জিপিএ-৫ পাওয়াদের মধ্যে ৫ হাজার ৭৫৯ জন ছাত্রী এবং ৪ হাজার ৭৫৯ জন ছাত্র রয়েছেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাঁচটি জেলার ২৮২টি কলেজ থেকে এবার ১ লাখ ৫ হাজার ৪১৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাশ করেছে ৭৪ হাজার ১২৫ জন। পাশের হার সর্বোচ্চ চট্টগ্রাম মহানগরে ৮৪ দশমিক ২২ শতাংশ, মহানগর ছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় ৬৩ দশমিক ৬২ শতাংশ, কক্সবাজার জেলায় ৬৩ দশমিক ১৯ শতাংশ, তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রাঙামাটিতে ৬০ দশমিক ৩২ শতাংশ, খাগড়াছড়ি জেলায় ৫৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং বান্দরবান জেলায় পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯০ শতাংশ।

পাঁচটি কলেজের কেউ পাশ করেনি:

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাঁচটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কেউ পাশ করতে পারেনি। পাশের হার শূন্য কলেজগুলোর মধ্যে- চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় অবস্থিত রহিমপুর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে কেউ পাশ করেনি। একইভাবে রাউজান উপজেলার মোহাম্মদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন মাত্র শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ফেল করেছে। কক্সবাজার উপজেলার চকরিয়া কমার্স কলেজ থেকে সাতজন অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানা এলাকায় অবস্থিত হালিশহর সেন্ট্রাল কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ফেল করেছে এবং নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন চট্টগ্রাম জেলা কলেজ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউ পাশ করেনি।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর রেজাউল করিম বলেন, ইংরেজি বিষয়ে খারাপ ফলের কারণে সার্বিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। এছাড়া যে পাঁচটি কলেজে পাশের হার শূন্য রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান নামকাওয়াস্তে চলছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

“চট্টগ্রাম বোর্ডের পাঁচটি কলেজের কেউই পাস করেনি”

আপডেট সময় ০৯:১৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৪

আকাশ জাতীয় ডেস্ক :

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলতি বছর অনুষ্ঠিত এইচএসসি পরীক্ষায় ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ পরীক্ষার্থী পাশ করেছে; যা গতবারের তুলনায় প্রায় ৪ শতাংশ কম। এছাড়া পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাঁচটি কলেজের কোনো পরীক্ষার্থী পাশ করেনি।

তবে এবারের এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১০ হাজার ২৬৯ পরীক্ষার্থী; যা গত বছরের তুলনায় ৩ হাজার ৯৩০ জন বেশি।

এর মধ্যে নগরীর সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসীন কলেজ থেকে সর্বোচ্চ সংখ্যক পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে ১ হাজার ৭২১ জন পরীক্ষা দিয়ে ১ হাজার ১০৮ জনই জিপিএ-৫ অর্জন করেছে।

একইভাবে জিপিএ-৫ এর দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজ এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে চট্টগ্রাম ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক কলেজ। এর মধ্যে সিটি কলেজ থেকে ২ হাজার ৮৫ জন পরীক্ষা দিয়ে ৮৭২ জন ও ক্যান্টনমেন্ট থেকে ১ হাজার ২০৩ পরীক্ষা দিয়ে ৮৪৭ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ভবনে পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এএমএম মুজিবুর রহমান ফল ঘোষণায় এসব তথ্য জানিয়েছেন।

ঘোষিত ফল অনুসারে, এবার চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডে পাশের হার ৭০ দশমিক ৩২ শতাংশ। গতবার এই হার ছিল ৭৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। এই হিসাবে গতবারের চেয়ে এবার পাশের হার কমেছে ৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। এবারো সর্বোচ্চ পাশের হার বিজ্ঞান বিভাগে ৯১ দশমিক ৩৩ শতাংশ, ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাশের হার ৭৩ দশমিক ৫২ শতাংশ এবং মানবিক বিভাগে পাশের হার ৫৭ দশমিক ১১ শতাংশ। ছাত্রদের তুলনায় পাশের দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন ছাত্রীরা। এবার ছাত্রী পাশের হার ৭২ দশমিক ৪৯ শতাংশ। অপরদিকে ছাত্র পাশ করেছে ৬৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। এছাড়া জিপিএ-৫ পাওয়া ১০ হাজার ২৬৯ জনের মধ্যেও ছাত্রীরা এগিয়ে রয়েছেন। জিপিএ-৫ পাওয়াদের মধ্যে ৫ হাজার ৭৫৯ জন ছাত্রী এবং ৪ হাজার ৭৫৯ জন ছাত্র রয়েছেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাঁচটি জেলার ২৮২টি কলেজ থেকে এবার ১ লাখ ৫ হাজার ৪১৬ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে পাশ করেছে ৭৪ হাজার ১২৫ জন। পাশের হার সর্বোচ্চ চট্টগ্রাম মহানগরে ৮৪ দশমিক ২২ শতাংশ, মহানগর ছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় ৬৩ দশমিক ৬২ শতাংশ, কক্সবাজার জেলায় ৬৩ দশমিক ১৯ শতাংশ, তিন পার্বত্য জেলার মধ্যে রাঙামাটিতে ৬০ দশমিক ৩২ শতাংশ, খাগড়াছড়ি জেলায় ৫৯ দশমিক ৬৩ শতাংশ এবং বান্দরবান জেলায় পাসের হার ৫৯ দশমিক ৯০ শতাংশ।

পাঁচটি কলেজের কেউ পাশ করেনি:

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পাঁচটি কলেজ থেকে পরীক্ষায় অংশ নেওয়া ১৭ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে কেউ পাশ করতে পারেনি। পাশের হার শূন্য কলেজগুলোর মধ্যে- চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায় অবস্থিত রহিমপুর আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে পাঁচজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল। এর মধ্যে কেউ পাশ করেনি। একইভাবে রাউজান উপজেলার মোহাম্মদপুর স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে একজন মাত্র শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ফেল করেছে। কক্সবাজার উপজেলার চকরিয়া কমার্স কলেজ থেকে সাতজন অংশ নিয়ে সবাই ফেল করেছে। এছাড়া চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর থানা এলাকায় অবস্থিত হালিশহর সেন্ট্রাল কলেজ থেকে একজন শিক্ষার্থী অংশ নিয়ে ফেল করেছে এবং নগরীর পাঁচলাইশ থানাধীন চট্টগ্রাম জেলা কলেজ থেকে তিনজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে কেউ পাশ করেনি।

চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর রেজাউল করিম বলেন, ইংরেজি বিষয়ে খারাপ ফলের কারণে সার্বিক ফলাফলে প্রভাব পড়েছে। এছাড়া যে পাঁচটি কলেজে পাশের হার শূন্য রয়েছে সেসব প্রতিষ্ঠান নামকাওয়াস্তে চলছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।