ঢাকা ০১:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ইতিহাস গড়ার পথে নাসা, গ্রহাণুর গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে মহাকাশযান দিয়ে ধাক্কা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এ যেন কল্পবিজ্ঞান। বিশালাকার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। আর তার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিতে পাঠানো হল মহাকাশযান। সেই গতিময় যানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অন্য কক্ষপথে ঢুকে পড়বে বিপজ্জনক গ্রহাণুটি। রক্ষা পাবে মানবকূল।

এমনই অভিনব অভিযানের সাক্ষী হল বিশ্ব। সৌজন্যে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ‘ডার্ট’ মিশন। পুরো নাম, ‘ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট’।

ইস্টার্ন টাইমস সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযান গ্রহাণুকে সফলভাবে ধাক্কা দেয়। সে সময় গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে ১ কোটি ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড সিটির লরেলে জনস হপকিন্স অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবরেটরি (এপিএল) থেকে এই মিশন নিয়ন্ত্রণ করা হয। যদিও এই গ্রহাণুটি দ্বারা পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। তবে বড় ধরনের কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলে বর্তমান প্রাণিজগতকে ধ্বংসের কবল থেকে বাঁচাতে এটি নাসার একটি বড় সফলতা।

পৃথিবীকে এই ধরনের গ্রহাণু থেকে বাঁচাতে নাসা হাতে নেয় ডার্ট মিশন। এর আওতায় ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর একটি মহাকাশযান পাঠানো হয় মহাকাশে।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে ছুটে আসছে ডিডাইমস নামে একটি গ্রহাণু। তার ব্যাস আড়াই হাজার ফুট। এর গায়ে রয়েছে ‘বুল আই’ নামে একটি পাথরও। তার নাম ডাইমরফস। সবমিলিয়ে গ্রহাণুর আয়তন একটি ফুটবল মাঠের সমান।

অবশেষে পরিকল্পনা মাফিক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযানটি ধাক্কা দেয় সেই ডাইমরফসকে। ঘণ্টায় সাড়ে ২২ হাজার কিমি গতিতে থাকা যানটির ধাক্কায় গ্রহাণুর অভিমুখ বদলে যাবে বলেই আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। তারপর গ্রহাণুটি অবস্থান করবে অন্য কক্ষপথে। তবে গ্রহাণুটির কক্ষপথ পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা জানা যাবে দুই মাস পর। এই অভিযানে পুরোপুরি সফল হলে ইতিহাস গড়বে নাসা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইতিহাস গড়ার পথে নাসা, গ্রহাণুর গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে মহাকাশযান দিয়ে ধাক্কা

আপডেট সময় ১১:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এ যেন কল্পবিজ্ঞান। বিশালাকার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। আর তার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিতে পাঠানো হল মহাকাশযান। সেই গতিময় যানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অন্য কক্ষপথে ঢুকে পড়বে বিপজ্জনক গ্রহাণুটি। রক্ষা পাবে মানবকূল।

এমনই অভিনব অভিযানের সাক্ষী হল বিশ্ব। সৌজন্যে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ‘ডার্ট’ মিশন। পুরো নাম, ‘ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট’।

ইস্টার্ন টাইমস সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযান গ্রহাণুকে সফলভাবে ধাক্কা দেয়। সে সময় গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে ১ কোটি ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড সিটির লরেলে জনস হপকিন্স অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবরেটরি (এপিএল) থেকে এই মিশন নিয়ন্ত্রণ করা হয। যদিও এই গ্রহাণুটি দ্বারা পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। তবে বড় ধরনের কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলে বর্তমান প্রাণিজগতকে ধ্বংসের কবল থেকে বাঁচাতে এটি নাসার একটি বড় সফলতা।

পৃথিবীকে এই ধরনের গ্রহাণু থেকে বাঁচাতে নাসা হাতে নেয় ডার্ট মিশন। এর আওতায় ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর একটি মহাকাশযান পাঠানো হয় মহাকাশে।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে ছুটে আসছে ডিডাইমস নামে একটি গ্রহাণু। তার ব্যাস আড়াই হাজার ফুট। এর গায়ে রয়েছে ‘বুল আই’ নামে একটি পাথরও। তার নাম ডাইমরফস। সবমিলিয়ে গ্রহাণুর আয়তন একটি ফুটবল মাঠের সমান।

অবশেষে পরিকল্পনা মাফিক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযানটি ধাক্কা দেয় সেই ডাইমরফসকে। ঘণ্টায় সাড়ে ২২ হাজার কিমি গতিতে থাকা যানটির ধাক্কায় গ্রহাণুর অভিমুখ বদলে যাবে বলেই আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। তারপর গ্রহাণুটি অবস্থান করবে অন্য কক্ষপথে। তবে গ্রহাণুটির কক্ষপথ পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা জানা যাবে দুই মাস পর। এই অভিযানে পুরোপুরি সফল হলে ইতিহাস গড়বে নাসা।