ঢাকা ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

ইতিহাস গড়ার পথে নাসা, গ্রহাণুর গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে মহাকাশযান দিয়ে ধাক্কা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এ যেন কল্পবিজ্ঞান। বিশালাকার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। আর তার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিতে পাঠানো হল মহাকাশযান। সেই গতিময় যানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অন্য কক্ষপথে ঢুকে পড়বে বিপজ্জনক গ্রহাণুটি। রক্ষা পাবে মানবকূল।

এমনই অভিনব অভিযানের সাক্ষী হল বিশ্ব। সৌজন্যে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ‘ডার্ট’ মিশন। পুরো নাম, ‘ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট’।

ইস্টার্ন টাইমস সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযান গ্রহাণুকে সফলভাবে ধাক্কা দেয়। সে সময় গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে ১ কোটি ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড সিটির লরেলে জনস হপকিন্স অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবরেটরি (এপিএল) থেকে এই মিশন নিয়ন্ত্রণ করা হয। যদিও এই গ্রহাণুটি দ্বারা পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। তবে বড় ধরনের কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলে বর্তমান প্রাণিজগতকে ধ্বংসের কবল থেকে বাঁচাতে এটি নাসার একটি বড় সফলতা।

পৃথিবীকে এই ধরনের গ্রহাণু থেকে বাঁচাতে নাসা হাতে নেয় ডার্ট মিশন। এর আওতায় ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর একটি মহাকাশযান পাঠানো হয় মহাকাশে।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে ছুটে আসছে ডিডাইমস নামে একটি গ্রহাণু। তার ব্যাস আড়াই হাজার ফুট। এর গায়ে রয়েছে ‘বুল আই’ নামে একটি পাথরও। তার নাম ডাইমরফস। সবমিলিয়ে গ্রহাণুর আয়তন একটি ফুটবল মাঠের সমান।

অবশেষে পরিকল্পনা মাফিক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযানটি ধাক্কা দেয় সেই ডাইমরফসকে। ঘণ্টায় সাড়ে ২২ হাজার কিমি গতিতে থাকা যানটির ধাক্কায় গ্রহাণুর অভিমুখ বদলে যাবে বলেই আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। তারপর গ্রহাণুটি অবস্থান করবে অন্য কক্ষপথে। তবে গ্রহাণুটির কক্ষপথ পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা জানা যাবে দুই মাস পর। এই অভিযানে পুরোপুরি সফল হলে ইতিহাস গড়বে নাসা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

ইতিহাস গড়ার পথে নাসা, গ্রহাণুর গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে মহাকাশযান দিয়ে ধাক্কা

আপডেট সময় ১১:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এ যেন কল্পবিজ্ঞান। বিশালাকার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। আর তার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিতে পাঠানো হল মহাকাশযান। সেই গতিময় যানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অন্য কক্ষপথে ঢুকে পড়বে বিপজ্জনক গ্রহাণুটি। রক্ষা পাবে মানবকূল।

এমনই অভিনব অভিযানের সাক্ষী হল বিশ্ব। সৌজন্যে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ‘ডার্ট’ মিশন। পুরো নাম, ‘ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট’।

ইস্টার্ন টাইমস সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযান গ্রহাণুকে সফলভাবে ধাক্কা দেয়। সে সময় গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে ১ কোটি ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড সিটির লরেলে জনস হপকিন্স অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবরেটরি (এপিএল) থেকে এই মিশন নিয়ন্ত্রণ করা হয। যদিও এই গ্রহাণুটি দ্বারা পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। তবে বড় ধরনের কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলে বর্তমান প্রাণিজগতকে ধ্বংসের কবল থেকে বাঁচাতে এটি নাসার একটি বড় সফলতা।

পৃথিবীকে এই ধরনের গ্রহাণু থেকে বাঁচাতে নাসা হাতে নেয় ডার্ট মিশন। এর আওতায় ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর একটি মহাকাশযান পাঠানো হয় মহাকাশে।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে ছুটে আসছে ডিডাইমস নামে একটি গ্রহাণু। তার ব্যাস আড়াই হাজার ফুট। এর গায়ে রয়েছে ‘বুল আই’ নামে একটি পাথরও। তার নাম ডাইমরফস। সবমিলিয়ে গ্রহাণুর আয়তন একটি ফুটবল মাঠের সমান।

অবশেষে পরিকল্পনা মাফিক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযানটি ধাক্কা দেয় সেই ডাইমরফসকে। ঘণ্টায় সাড়ে ২২ হাজার কিমি গতিতে থাকা যানটির ধাক্কায় গ্রহাণুর অভিমুখ বদলে যাবে বলেই আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। তারপর গ্রহাণুটি অবস্থান করবে অন্য কক্ষপথে। তবে গ্রহাণুটির কক্ষপথ পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা জানা যাবে দুই মাস পর। এই অভিযানে পুরোপুরি সফল হলে ইতিহাস গড়বে নাসা।