ঢাকা ০৪:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ইতিহাস গড়ার পথে নাসা, গ্রহাণুর গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে মহাকাশযান দিয়ে ধাক্কা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এ যেন কল্পবিজ্ঞান। বিশালাকার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। আর তার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিতে পাঠানো হল মহাকাশযান। সেই গতিময় যানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অন্য কক্ষপথে ঢুকে পড়বে বিপজ্জনক গ্রহাণুটি। রক্ষা পাবে মানবকূল।

এমনই অভিনব অভিযানের সাক্ষী হল বিশ্ব। সৌজন্যে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ‘ডার্ট’ মিশন। পুরো নাম, ‘ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট’।

ইস্টার্ন টাইমস সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযান গ্রহাণুকে সফলভাবে ধাক্কা দেয়। সে সময় গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে ১ কোটি ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড সিটির লরেলে জনস হপকিন্স অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবরেটরি (এপিএল) থেকে এই মিশন নিয়ন্ত্রণ করা হয। যদিও এই গ্রহাণুটি দ্বারা পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। তবে বড় ধরনের কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলে বর্তমান প্রাণিজগতকে ধ্বংসের কবল থেকে বাঁচাতে এটি নাসার একটি বড় সফলতা।

পৃথিবীকে এই ধরনের গ্রহাণু থেকে বাঁচাতে নাসা হাতে নেয় ডার্ট মিশন। এর আওতায় ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর একটি মহাকাশযান পাঠানো হয় মহাকাশে।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে ছুটে আসছে ডিডাইমস নামে একটি গ্রহাণু। তার ব্যাস আড়াই হাজার ফুট। এর গায়ে রয়েছে ‘বুল আই’ নামে একটি পাথরও। তার নাম ডাইমরফস। সবমিলিয়ে গ্রহাণুর আয়তন একটি ফুটবল মাঠের সমান।

অবশেষে পরিকল্পনা মাফিক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযানটি ধাক্কা দেয় সেই ডাইমরফসকে। ঘণ্টায় সাড়ে ২২ হাজার কিমি গতিতে থাকা যানটির ধাক্কায় গ্রহাণুর অভিমুখ বদলে যাবে বলেই আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। তারপর গ্রহাণুটি অবস্থান করবে অন্য কক্ষপথে। তবে গ্রহাণুটির কক্ষপথ পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা জানা যাবে দুই মাস পর। এই অভিযানে পুরোপুরি সফল হলে ইতিহাস গড়বে নাসা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

ইতিহাস গড়ার পথে নাসা, গ্রহাণুর গতিপথ ঘুরিয়ে দিতে মহাকাশযান দিয়ে ধাক্কা

আপডেট সময় ১১:৪৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

এ যেন কল্পবিজ্ঞান। বিশালাকার গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে আসছে। আর তার অভিমুখ ঘুরিয়ে দিতে পাঠানো হল মহাকাশযান। সেই গতিময় যানের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে অন্য কক্ষপথে ঢুকে পড়বে বিপজ্জনক গ্রহাণুটি। রক্ষা পাবে মানবকূল।

এমনই অভিনব অভিযানের সাক্ষী হল বিশ্ব। সৌজন্যে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ‘ডার্ট’ মিশন। পুরো নাম, ‘ডাবল অ্যাস্টেরয়েড রিডাইরেকশন টেস্ট’।

ইস্টার্ন টাইমস সোমবার সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযান গ্রহাণুকে সফলভাবে ধাক্কা দেয়। সে সময় গ্রহাণুটি পৃথিবী থেকে ১ কোটি ১০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছিল। যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ড সিটির লরেলে জনস হপকিন্স অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স ল্যাবরেটরি (এপিএল) থেকে এই মিশন নিয়ন্ত্রণ করা হয। যদিও এই গ্রহাণুটি দ্বারা পৃথিবীর কোনও ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা ছিল না। তবে বড় ধরনের কোনও গ্রহাণু পৃথিবীর দিকে ধেয়ে এলে বর্তমান প্রাণিজগতকে ধ্বংসের কবল থেকে বাঁচাতে এটি নাসার একটি বড় সফলতা।

পৃথিবীকে এই ধরনের গ্রহাণু থেকে বাঁচাতে নাসা হাতে নেয় ডার্ট মিশন। এর আওতায় ২০২১ সালের ২৪ নভেম্বর একটি মহাকাশযান পাঠানো হয় মহাকাশে।

সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা দেখতে পান, পৃথিবীর খুব কাছ দিয়ে ছুটে আসছে ডিডাইমস নামে একটি গ্রহাণু। তার ব্যাস আড়াই হাজার ফুট। এর গায়ে রয়েছে ‘বুল আই’ নামে একটি পাথরও। তার নাম ডাইমরফস। সবমিলিয়ে গ্রহাণুর আয়তন একটি ফুটবল মাঠের সমান।

অবশেষে পরিকল্পনা মাফিক স্থানীয় সময় সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় নাসার মহাকাশযানটি ধাক্কা দেয় সেই ডাইমরফসকে। ঘণ্টায় সাড়ে ২২ হাজার কিমি গতিতে থাকা যানটির ধাক্কায় গ্রহাণুর অভিমুখ বদলে যাবে বলেই আশাবাদী বিজ্ঞানীরা। তারপর গ্রহাণুটি অবস্থান করবে অন্য কক্ষপথে। তবে গ্রহাণুটির কক্ষপথ পরিবর্তন হয়েছে কিনা তা জানা যাবে দুই মাস পর। এই অভিযানে পুরোপুরি সফল হলে ইতিহাস গড়বে নাসা।