ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

চাঁদের মতো রিসোর্ট হচ্ছে দুবাইয়ে

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চাঁদের আদলে রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দুবাইয়ে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতেই এটি বানানো হচ্ছে। এতে করে সেখানে চন্দ্রপৃষ্ঠে ভ্রমণের অনুভূতি মিলবে। খবর এনডিটিভির।

খবরে বলা হয়েছে, রিসোর্টটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে মুন ওয়ার্ল্ড রিসোর্ট ইনকরপোরেশন (এমডব্লিউআর) নামের কানাডার একটি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতা সান্দ্রা জি ম্যাথুস ও মিখায়েল আর হ্যান্ডারসন জানান, প্রস্তাবিত রিসোর্টের ভবনের উচ্চতা হবে ৭৩৫ ফুট বা ২২৪ মিটার। ৫০০ কোটি ডলার ব্যয়ে বিলাসবহুল রিসোর্টটি নির্মাণ করা হবে। আগামী ৪৮ মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চাঁদের আদলে নির্মিত বিলাসবহুল ও অভিজাত এই রিসোর্টে প্রতিবছর এক কোটি দর্শনার্থী ভ্রমণ করতে পারবেন। মুন ওয়ার্ল্ড রিসোর্টের বিশেষ সুবিধা হচ্ছে, দর্শনার্থীরা সেখানে এসে চাঁদের পৃষ্ঠে ভ্রমণের মতো অনুভূতি পাবেন। কারণ, সেখানে লুনার কলোনি নামের একটি স্থান থাকবে।

রিসোর্টটিতে বছরজুড়ে ২৫ লাখ ভ্রমণকারী চন্দ্রপৃষ্ঠে ভ্রমণে যাওয়ার মতো স্বাদ নিতে পারবেন। দুবাইয়ের মুন ওয়ার্ল্ড রিসোর্টে ‘স্কাই ভিলা’ থাকবে, যেটা চাঁদের আবাসন এলাকায় বসবাসের মতো অনুভূতি দেবে।

এ ছাড়া দর্শনার্থীদের জন্য রিসোর্টে থাকবে স্পা, নাইট ক্লাব, সম্মেলনকক্ষ, লাউঞ্জ, ব্যক্তিগত আবাসের ব্যবস্থাসহ আধুনিক ও অভিজাত সব সুযোগ-সুবিধা। ভবনটি মহাকাশ প্রতিষ্ঠান ও নভোচারীরা প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

ভবনটির নকশা তৈরি ও নির্মাণে ব্যবহার করা হবে স্থাপত্য ও প্রকৌশলবিদ্যার সর্বাধুনিক কলাকৌশল ও প্রযুক্তি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনীতিতে মুন ওয়ার্ল্ড রিসোর্ট নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা উদ্যোক্তাদের।

দুবাই ছাড়াও ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ায় আরও তিনটি চাঁদের আদলে বিলাসবহুল রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এমডব্লিউআরের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

চাঁদের মতো রিসোর্ট হচ্ছে দুবাইয়ে

আপডেট সময় ১২:৪১:০৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

চাঁদের আদলে রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে দুবাইয়ে। পর্যটকদের আকৃষ্ট করতেই এটি বানানো হচ্ছে। এতে করে সেখানে চন্দ্রপৃষ্ঠে ভ্রমণের অনুভূতি মিলবে। খবর এনডিটিভির।

খবরে বলা হয়েছে, রিসোর্টটি নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে মুন ওয়ার্ল্ড রিসোর্ট ইনকরপোরেশন (এমডব্লিউআর) নামের কানাডার একটি স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান।

প্রতিষ্ঠানটির সহপ্রতিষ্ঠাতা সান্দ্রা জি ম্যাথুস ও মিখায়েল আর হ্যান্ডারসন জানান, প্রস্তাবিত রিসোর্টের ভবনের উচ্চতা হবে ৭৩৫ ফুট বা ২২৪ মিটার। ৫০০ কোটি ডলার ব্যয়ে বিলাসবহুল রিসোর্টটি নির্মাণ করা হবে। আগামী ৪৮ মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চাঁদের আদলে নির্মিত বিলাসবহুল ও অভিজাত এই রিসোর্টে প্রতিবছর এক কোটি দর্শনার্থী ভ্রমণ করতে পারবেন। মুন ওয়ার্ল্ড রিসোর্টের বিশেষ সুবিধা হচ্ছে, দর্শনার্থীরা সেখানে এসে চাঁদের পৃষ্ঠে ভ্রমণের মতো অনুভূতি পাবেন। কারণ, সেখানে লুনার কলোনি নামের একটি স্থান থাকবে।

রিসোর্টটিতে বছরজুড়ে ২৫ লাখ ভ্রমণকারী চন্দ্রপৃষ্ঠে ভ্রমণে যাওয়ার মতো স্বাদ নিতে পারবেন। দুবাইয়ের মুন ওয়ার্ল্ড রিসোর্টে ‘স্কাই ভিলা’ থাকবে, যেটা চাঁদের আবাসন এলাকায় বসবাসের মতো অনুভূতি দেবে।

এ ছাড়া দর্শনার্থীদের জন্য রিসোর্টে থাকবে স্পা, নাইট ক্লাব, সম্মেলনকক্ষ, লাউঞ্জ, ব্যক্তিগত আবাসের ব্যবস্থাসহ আধুনিক ও অভিজাত সব সুযোগ-সুবিধা। ভবনটি মহাকাশ প্রতিষ্ঠান ও নভোচারীরা প্রশিক্ষণের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

ভবনটির নকশা তৈরি ও নির্মাণে ব্যবহার করা হবে স্থাপত্য ও প্রকৌশলবিদ্যার সর্বাধুনিক কলাকৌশল ও প্রযুক্তি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের অর্থনীতিতে মুন ওয়ার্ল্ড রিসোর্ট নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে আশা উদ্যোক্তাদের।

দুবাই ছাড়াও ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও এশিয়ায় আরও তিনটি চাঁদের আদলে বিলাসবহুল রিসোর্ট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে এমডব্লিউআরের।