ঢাকা ১১:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এটা আমি-ডামির সরকার না, কাদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে চান: সংসদে টুকু হিজবুল্লাহর কর্মকাণ্ডে ‘অর্থহীন’ হয়ে পড়ছে যুদ্ধবিরতি, দাবি নেতানিয়াহুর শান্তি চাইলে সরাসরি যোগাযোগ করুক তেহরান: ট্রাম্প আমার বাবাকে মিথ্যা মামলায় হত্যা করা হয়, সে কারণেই আমি আজ সংসদে ১৮ মাস যে আরামে ছিলেন, সে আরাম এখন হচ্ছে না: বিরোধী দলকে প্রতিমন্ত্রী আইভীকে নতুন মামলায় গ্রেফতার-হয়রানি না করার নির্দেশ জামায়াতের এমপিকে মসজিদে হত্যাচেষ্টা, সংসদে চাইলেন নিরাপত্তা গাইবান্ধায় বজ্রপাতে শিশুসহ ৫ জনের মৃত্যু দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণে সম্ভাব্যতা সমীক্ষার কার্যক্রম চলছে : সেতুমন্ত্রী সচিবালয়ে ২১ তলা ভবন নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন দেয়নি একনেক

ভিক্ষা করে পেট চালাতেন, মৃত্যুর পর জানা গেল অ্যাকাউন্টে আছে ৮৩ লাখ টাকা!

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন প্রয়াগরাজের ধীরাজ। কিন্তু গোটা কর্মজীবনে কখনও ব্যাংক থেকে বেতনের কোনও টাকাই তোলেননি তিনি। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেল ৭০ লাখ রূপি যা টাকায় প্রায় ৮৩ লাখের বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিক্ষা করে বেড়াতেন ধীরাজ, সেই অর্থ দিয়েই পেট চালাতেন তিনি।

ধীরাজ তার বাবার মতোই পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতেন এবং পথচলতি মানুষজনের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। তা দিয়েই নিজের পেট চালিয়ে নিতেন। ধীরাজের বাড়িতে রয়েছেন তার মাও। ৮০ বছরের বৃদ্ধা পেনশন পেতেন নিয়মিত। সেই টাকা দিয়ে সংসার চলত তাদের।

ধীরাজের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধুর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধীরাজ কখনও ব্যাংক থেকে টাকা তোলেননি। মায়ের পেনশনের টাকাতেই তাদের সংসার চলত। যদি কখনও ধীরাজের টাকার প্রয়োজন হত, তিনি বন্ধু-বান্ধব কিংবা অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকেও টাকা চাইতেন। টাকার জন্যেই ধীরাজ বিয়েও করেননি। তিনি ভাবতেন বিয়ে করলে বৌ এসে সব টাকা শেষ করে দেবেন। এমনকি প্রতি বছর আয়করও দিতেন ধীরাজ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভিক্ষা করে পেট চালাতেন, মৃত্যুর পর জানা গেল অ্যাকাউন্টে আছে ৮৩ লাখ টাকা!

আপডেট সময় ১১:০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০২২

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সরকারি হাসপাতালে পরিচ্ছন্নকর্মীর কাজ করতেন প্রয়াগরাজের ধীরাজ। কিন্তু গোটা কর্মজীবনে কখনও ব্যাংক থেকে বেতনের কোনও টাকাই তোলেননি তিনি। সম্প্রতি তার মৃত্যুর পর সেই ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে পাওয়া গেল ৭০ লাখ রূপি যা টাকায় প্রায় ৮৩ লাখের বেশি।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ভিক্ষা করে বেড়াতেন ধীরাজ, সেই অর্থ দিয়েই পেট চালাতেন তিনি।

ধীরাজ তার বাবার মতোই পথেঘাটে ঘুরে বেড়াতেন এবং পথচলতি মানুষজনের কাছে ভিক্ষা চাইতেন। তা দিয়েই নিজের পেট চালিয়ে নিতেন। ধীরাজের বাড়িতে রয়েছেন তার মাও। ৮০ বছরের বৃদ্ধা পেনশন পেতেন নিয়মিত। সেই টাকা দিয়ে সংসার চলত তাদের।

ধীরাজের মৃত্যুর পর তার এক বন্ধুর বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘ধীরাজ কখনও ব্যাংক থেকে টাকা তোলেননি। মায়ের পেনশনের টাকাতেই তাদের সংসার চলত। যদি কখনও ধীরাজের টাকার প্রয়োজন হত, তিনি বন্ধু-বান্ধব কিংবা অপরিচিত লোকজনের কাছ থেকেও টাকা চাইতেন। টাকার জন্যেই ধীরাজ বিয়েও করেননি। তিনি ভাবতেন বিয়ে করলে বৌ এসে সব টাকা শেষ করে দেবেন। এমনকি প্রতি বছর আয়করও দিতেন ধীরাজ।