ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়ায় ১০ তলা থেকে পড়ে বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু স্থানীয় সরকার নির্বাচন ও তফসিলের সম্ভাব্য সময় জানালেন ইসি আনোয়ারুল স্থানীয় সরকার শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল জামায়াত যেদিন লোগো থেকে আকিমুদ দ্বীন উঠিয়েছে সেদিনই তারা পরাজিত: চরমোনাই পীর প্রতিযোগিতার মাধ্যমে নাগরিক সেবার মান বাড়াতে কাজ করছে সরকার: ডিএসসিসি প্রশাসক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: এমপি ফয়সল জেনার সাথে জড়িত প্রমাণ হলে এমপির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হোক: হারুনুর রশিদ বিদ্যুৎ বিতরণ বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার: জ্বালানিমন্ত্রী বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ দেশের সব মানুষের অভিন্ন পরিচয়: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

ছেলে হত্যায় বাবাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সদর ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাহ আলম হত্যা মামলায় একই পরিবারের চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূঁইয়া এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহতের বাবা মোজাফ্ফর আহাম্মদ (৬৫), ভাই আরিফ উল্লাহ (৩৫), ভাইয়ের স্ত্রী আছমা ছিদ্দিকা (২৮) ও বোন শাহনাজ বেগম (৫০)।

তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মন্ডল্যাঘোনা এলাকার বাসিন্দা। বোন শাহনাজ বেগমের শ্বশুরবাড়ি কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায়। তার স্বামীর নাম মো. হোসেন প্রকাশ কালু।

রায় ঘোষণাকালে আসামি আরিফ উল্লাহ ও শাহনাজ বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও আছমা ছিদ্দিকা পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শামসুল আলম।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার নুরুল আবছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর বসতভিটা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে আসামিরা দা, হাতুড়ি, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে শাহ্ আলমের বসতঘরে প্রবেশ করেন। তারা শাহ্ আলমের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন এবং রড ও লাঠি দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর শাহ্ আলম মারা যান।

এ ঘটনায় শাহ্ আলমের স্ত্রী আরফাতুন্নেছা থানায় মামলা করেন। পুলিশ ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর এ ঘটনায় আরিফ উল্লাহ, আছমা সিদ্দিকা, মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও শাহনাজ বেগমকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম বলেন, মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাক শিল্পের বিকাশে প্রতিবন্ধকতা দ্রুত দূর করার নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর

ছেলে হত্যায় বাবাসহ ৪ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৯:৩০:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির সদর ইউনিয়নে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে শাহ আলম হত্যা মামলায় একই পরিবারের চারজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূঁইয়া এ রায় দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নিহতের বাবা মোজাফ্ফর আহাম্মদ (৬৫), ভাই আরিফ উল্লাহ (৩৫), ভাইয়ের স্ত্রী আছমা ছিদ্দিকা (২৮) ও বোন শাহনাজ বেগম (৫০)।

তারা সবাই নাইক্ষ্যংছড়ি সদর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের মন্ডল্যাঘোনা এলাকার বাসিন্দা। বোন শাহনাজ বেগমের শ্বশুরবাড়ি কক্সবাজারের রামুর কচ্ছপিয়া ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের তুলাতলী এলাকায়। তার স্বামীর নাম মো. হোসেন প্রকাশ কালু।

রায় ঘোষণাকালে আসামি আরিফ উল্লাহ ও শাহনাজ বেগম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও আছমা ছিদ্দিকা পলাতক।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম। আসামিপক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট মো. শামসুল আলম।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পেশকার নুরুল আবছার এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর বসতভিটা নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে আসামিরা দা, হাতুড়ি, লোহার রড ও লাঠি নিয়ে শাহ্ আলমের বসতঘরে প্রবেশ করেন। তারা শাহ্ আলমের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেন এবং রড ও লাঠি দিয়ে মাথায় ও শরীরে আঘাত করেন। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই বছরের ১৮ ডিসেম্বর শাহ্ আলম মারা যান।

এ ঘটনায় শাহ্ আলমের স্ত্রী আরফাতুন্নেছা থানায় মামলা করেন। পুলিশ ২০১৭ সালের ৮ নভেম্বর এ ঘটনায় আরিফ উল্লাহ, আছমা সিদ্দিকা, মোজাফ্ফর আহাম্মদ ও শাহনাজ বেগমকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট মো. ইকবাল করিম বলেন, মামলায় সাক্ষ্য-প্রমাণে বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় আদালত এ রায় দেন।