ঢাকা ১১:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার

আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে : দুদু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বাংলাদেশের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে তা পরিবর্তন করার জন্য সরকার বলেছিল সেপ্টেম্বর থেকে উন্নত হবে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে প্রমাণ করছে আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধনে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

দুদু বলেন, বাংলাদেশ আজ এক অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। এর সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে এই দেশের নারীদের অবস্থা ভয়াবহ, পরিবহন থেকে শুরু করে নিজের বাড়িতেও তারা নিরাপদ নয়। ধর্ষণ হামলা, মামলা নিত্যদিনের ঘটনায় রূপান্তরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার যতই আশ্বস্ত করুক না কেন সরকারের পদক্ষেপগুলোতে এদেশ দিন দিন আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে। আমরা জানি সরকার বর্তমানে অফিসের সময় পরিবর্তন করেছে। স্কুলের ছুটি বাড়িছে। বাংলাদেশের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃ‌ষ্টি হয়েছে তা পরিবর্তন করার জন্য সরকার বলেছিল সেপ্টেম্বর থেকে উন্নত হবে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে প্রমাণ করছে আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে। এই সময়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে জাতীয় পরিস্থিতির মূল্যায়ন করা উচিত ছিল। কিন্তু সরকার বিএনপিসহ বিরোধীদলকে দমন করার জন্য নির্যাতনের এমন কোনো পথ নেই যে ব্যবহার করেনি।

ছাত্রদলের ওই সাবেক সভাপতি বলেন, বিএনপি ৭ দিনের কর্মসূচি দিয়েছিল। ঢাকাসহ প্রতিটি জেলা মহানগর উপজেলা ইউনিয়নে সমাবেশ করার। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সমাবেশে তারা হামলা করছেন এবং রক্ত ঝরাচ্ছেন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করি।

সরকারকে হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে দুদু বলেন, এই নির্যাতন করে বাংলাদেশে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা যাবে না। আগামী দিন বিএনপির দিন, আগামী দিন জাতীয়তাবাদের দিন, আগামীর দিন শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতাকর্মীদের দিন। এদেশে যখনই ভয়াবহতা সৃষ্টি হয় তখনই খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে দরকার পড়ে এবং তাদের নেতৃত্বেই অতীতে জালেম সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। এর আগে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সামরিক স্বৈরাশাসনকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিতারিত করেছিলাম।

মানববন্ধ‌নে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন সংগঠ‌নের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, জিনাফ সভাপতি মিয়া আনোয়ার, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল, জনি সরকার, মোক্তার আকন্দ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পরিবার পরিকল্পনা: বাংলাদেশের সাফল্য ও আগামীর চ্যালেঞ্জ

আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে : দুদু

আপডেট সময় ০৫:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বাংলাদেশের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে তা পরিবর্তন করার জন্য সরকার বলেছিল সেপ্টেম্বর থেকে উন্নত হবে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে প্রমাণ করছে আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধনে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

দুদু বলেন, বাংলাদেশ আজ এক অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। এর সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে এই দেশের নারীদের অবস্থা ভয়াবহ, পরিবহন থেকে শুরু করে নিজের বাড়িতেও তারা নিরাপদ নয়। ধর্ষণ হামলা, মামলা নিত্যদিনের ঘটনায় রূপান্তরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার যতই আশ্বস্ত করুক না কেন সরকারের পদক্ষেপগুলোতে এদেশ দিন দিন আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে। আমরা জানি সরকার বর্তমানে অফিসের সময় পরিবর্তন করেছে। স্কুলের ছুটি বাড়িছে। বাংলাদেশের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃ‌ষ্টি হয়েছে তা পরিবর্তন করার জন্য সরকার বলেছিল সেপ্টেম্বর থেকে উন্নত হবে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে প্রমাণ করছে আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে। এই সময়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে জাতীয় পরিস্থিতির মূল্যায়ন করা উচিত ছিল। কিন্তু সরকার বিএনপিসহ বিরোধীদলকে দমন করার জন্য নির্যাতনের এমন কোনো পথ নেই যে ব্যবহার করেনি।

ছাত্রদলের ওই সাবেক সভাপতি বলেন, বিএনপি ৭ দিনের কর্মসূচি দিয়েছিল। ঢাকাসহ প্রতিটি জেলা মহানগর উপজেলা ইউনিয়নে সমাবেশ করার। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সমাবেশে তারা হামলা করছেন এবং রক্ত ঝরাচ্ছেন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করি।

সরকারকে হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে দুদু বলেন, এই নির্যাতন করে বাংলাদেশে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা যাবে না। আগামী দিন বিএনপির দিন, আগামী দিন জাতীয়তাবাদের দিন, আগামীর দিন শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতাকর্মীদের দিন। এদেশে যখনই ভয়াবহতা সৃষ্টি হয় তখনই খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে দরকার পড়ে এবং তাদের নেতৃত্বেই অতীতে জালেম সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। এর আগে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সামরিক স্বৈরাশাসনকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিতারিত করেছিলাম।

মানববন্ধ‌নে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন সংগঠ‌নের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, জিনাফ সভাপতি মিয়া আনোয়ার, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল, জনি সরকার, মোক্তার আকন্দ প্রমুখ।