ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগে জনপ্রশাসন হবে জনবান্ধব: জনপ্রশাসন উপদেষ্টা দেশ আবার পুরোনো অন্ধকার পথে ফিরে যাচ্ছে: জামায়াত আমির তারেক রহমান এখন শেখ হাসিনার পথে হাঁটছেন: সারজিস আলম ৫০ হাজার শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ দেবে ইউজিসি রক্তমাখা পতাকা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ জুলাই যোদ্ধা শেখ আজিজুরের দুই মাসের মধ্যে রমেক হাসপাতালের আইসিইউ শয্যা ২০টিতে উন্নীত করা হবে: আসাদুল হাবীব দুলু আ.লীগ যেভাবে হামলা করেছিল, একইভাবে বিএনপি করছে: নাহিদ ইসলাম পানি প্রবাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে বরদাশত করা হবে না: মেয়র শাহাদাত বাংলাদেশ থেকে ৩ লাখ রোহিঙ্গা নিতে রাজি মিয়ানমার

আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে : দুদু

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বাংলাদেশের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে তা পরিবর্তন করার জন্য সরকার বলেছিল সেপ্টেম্বর থেকে উন্নত হবে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে প্রমাণ করছে আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধনে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

দুদু বলেন, বাংলাদেশ আজ এক অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। এর সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে এই দেশের নারীদের অবস্থা ভয়াবহ, পরিবহন থেকে শুরু করে নিজের বাড়িতেও তারা নিরাপদ নয়। ধর্ষণ হামলা, মামলা নিত্যদিনের ঘটনায় রূপান্তরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার যতই আশ্বস্ত করুক না কেন সরকারের পদক্ষেপগুলোতে এদেশ দিন দিন আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে। আমরা জানি সরকার বর্তমানে অফিসের সময় পরিবর্তন করেছে। স্কুলের ছুটি বাড়িছে। বাংলাদেশের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃ‌ষ্টি হয়েছে তা পরিবর্তন করার জন্য সরকার বলেছিল সেপ্টেম্বর থেকে উন্নত হবে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে প্রমাণ করছে আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে। এই সময়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে জাতীয় পরিস্থিতির মূল্যায়ন করা উচিত ছিল। কিন্তু সরকার বিএনপিসহ বিরোধীদলকে দমন করার জন্য নির্যাতনের এমন কোনো পথ নেই যে ব্যবহার করেনি।

ছাত্রদলের ওই সাবেক সভাপতি বলেন, বিএনপি ৭ দিনের কর্মসূচি দিয়েছিল। ঢাকাসহ প্রতিটি জেলা মহানগর উপজেলা ইউনিয়নে সমাবেশ করার। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সমাবেশে তারা হামলা করছেন এবং রক্ত ঝরাচ্ছেন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করি।

সরকারকে হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে দুদু বলেন, এই নির্যাতন করে বাংলাদেশে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা যাবে না। আগামী দিন বিএনপির দিন, আগামী দিন জাতীয়তাবাদের দিন, আগামীর দিন শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতাকর্মীদের দিন। এদেশে যখনই ভয়াবহতা সৃষ্টি হয় তখনই খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে দরকার পড়ে এবং তাদের নেতৃত্বেই অতীতে জালেম সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। এর আগে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সামরিক স্বৈরাশাসনকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিতারিত করেছিলাম।

মানববন্ধ‌নে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন সংগঠ‌নের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, জিনাফ সভাপতি মিয়া আনোয়ার, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল, জনি সরকার, মোক্তার আকন্দ প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত হলে মূল্যশৃঙ্খলের দুর্বলতা চিহ্নিত করা সহজ হবে : বাণিজ্যমন্ত্রী

আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে : দুদু

আপডেট সময় ০৫:৫২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন, বাংলাদেশের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে তা পরিবর্তন করার জন্য সরকার বলেছিল সেপ্টেম্বর থেকে উন্নত হবে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে প্রমাণ করছে আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জিয়াউর রহমান সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধনে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

দুদু বলেন, বাংলাদেশ আজ এক অসহনীয় পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। নিত্য-প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবন এক কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে পড়েছে। এর সঙ্গে মানুষের নিরাপত্তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে এই দেশের নারীদের অবস্থা ভয়াবহ, পরিবহন থেকে শুরু করে নিজের বাড়িতেও তারা নিরাপদ নয়। ধর্ষণ হামলা, মামলা নিত্যদিনের ঘটনায় রূপান্তরিত হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকার যতই আশ্বস্ত করুক না কেন সরকারের পদক্ষেপগুলোতে এদেশ দিন দিন আরও খারাপ অবস্থার দিকে যাচ্ছে। আমরা জানি সরকার বর্তমানে অফিসের সময় পরিবর্তন করেছে। স্কুলের ছুটি বাড়িছে। বাংলাদেশের যে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃ‌ষ্টি হয়েছে তা পরিবর্তন করার জন্য সরকার বলেছিল সেপ্টেম্বর থেকে উন্নত হবে। কিন্তু সরকারের পদক্ষেপে প্রমাণ করছে আগামীতে দেশে আরও ভয়াবহ পরিস্থিতি হবে। এই সময়ে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে বসে জাতীয় পরিস্থিতির মূল্যায়ন করা উচিত ছিল। কিন্তু সরকার বিএনপিসহ বিরোধীদলকে দমন করার জন্য নির্যাতনের এমন কোনো পথ নেই যে ব্যবহার করেনি।

ছাত্রদলের ওই সাবেক সভাপতি বলেন, বিএনপি ৭ দিনের কর্মসূচি দিয়েছিল। ঢাকাসহ প্রতিটি জেলা মহানগর উপজেলা ইউনিয়নে সমাবেশ করার। কিন্তু আমরা লক্ষ্য করছি উপজেলা এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে সমাবেশে তারা হামলা করছেন এবং রক্ত ঝরাচ্ছেন। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করি।

সরকারকে হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে দুদু বলেন, এই নির্যাতন করে বাংলাদেশে বেশি দিন ক্ষমতায় থাকা যাবে না। আগামী দিন বিএনপির দিন, আগামী দিন জাতীয়তাবাদের দিন, আগামীর দিন শহীদ জিয়াউর রহমানের নেতাকর্মীদের দিন। এদেশে যখনই ভয়াবহতা সৃষ্টি হয় তখনই খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানকে দরকার পড়ে এবং তাদের নেতৃত্বেই অতীতে জালেম সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ সংগ্রাম গড়ে তোলা সম্ভব হয়েছিল। এর আগে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সামরিক স্বৈরাশাসনকে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বিতারিত করেছিলাম।

মানববন্ধ‌নে আরও উপ‌স্থিত ছি‌লেন সংগঠ‌নের সভাপতি গিয়াস উদ্দিন খোকন, মৎস্যজীবী দলের সদস্য সচিব আব্দুর রহিম, জিনাফ সভাপতি মিয়া আনোয়ার, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপন, আয়োজক সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট কামাল, জনি সরকার, মোক্তার আকন্দ প্রমুখ।