ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী ফাঁসির রায় কার্যকর হওয়ার জন্যই হাসিনা দেশে ফিরবেন: নাহিদ ইসলাম নাহিদ-আসিফ-পাটওয়ারীকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য দিলেন নুর জনগণের জীবনমান উন্নয়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বন্যার দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রতিমন্ত্রী অমিতকে দায়িত্ব দিল সরকার কালেমা লেখা পতাকায় জঙ্গি নাটক তৈরির ষড়যন্ত্র চলছে সরকারকে সতর্ক থাকার পরামর্শ ফয়জুল করিমের খামেনি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার ইরানের ১৩ উপজেলায় নতুন হাসপাতাল অনুমোদন মেধাভিত্তিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়াই সরকারের অঙ্গীকার : মাহদী আমিন

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব মিলমালিকদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের তরুণ কার্ডিয়াক সার্জনের নেতৃত্বে একটি টিম ফুটো করে হার্টের সফল অস্ত্রোপচার করে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে মিনিমালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি (এআইসিএস) বলা হয়ে থাকে। এই ধরনের অস্ত্রোপচারে বুকের হাঁড় কাটতে হয় না। রোগীর ঝুঁকিও বেশ কম হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশে এসে এমআইসিএস পদ্ধতিতে চিকিৎসার অবস্থা সরেজমিন ঘুরে দেখে গেছেন কলকাতার এ্যাপোলো হাসপাতালের প্রধান কার্ডিয়াক সার্জন ও মেডিকেল পরিচালক ডা. সুসান মুখোপাধ্যায়।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে সরাসরি এই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন ভারতীয় এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও আবাসিক সার্জন ডা. আশ্রাফুল হক সিয়ামের নেতৃত্বে টিমের এমআইসিএস পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেখে মুগ্ধ হন ডা. সুসান মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে তরুণ কার্ডিয়াক সার্জনরা, বিশেষ করে আশরাফুল সিয়াম যে উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছেন এবং কাজের যে পরিধি দেখলাম তা অত্যন্ত মানসম্মত। বিশেষত তরুণ সার্জনদের অনুপ্রাণিত করতে তাদের টিম খুব ভালো কাজ করছে। তাদের কাজ দেখে মনে হয়েছে এ খাতে খুবই উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। এখানে যেভাবে তারা কাজ করছে এতে ঝুঁকি অনেক কম। আমি মনে করি তারা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজটি করতে পারবে। ছিদ্রের মাধ্যমে তা করলে রোগীর ঝুঁকি অনেক কমে যায়। আর চিকিৎসকরা যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাদের মধ্যে কাজের স্পৃহা দেখেছি। যদি তারা ভালো সেটআপ ও প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে তাহলে এখন যেমন এখানের রোগীরা দেশের বাইরে যায়। তখন সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, ভারত থেকেও রোগীরা এখানে চিকিৎসা করাতে আসবে’।

ডা. আশ্রাফুল হক সিয়াম বলেন, ‘চিকিৎসক হওয়ার পর অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গিয়ে নতুন নতুন কাজ দেখতাম। নামীদামী চিকিৎসকদের সাহচর্যে যেতাম। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও যখন এমআইসিএস (MICS) শুরু করলাম তখন স্বপ্ন দেখতাম হয়তো কোনো একদিন আমাদের এখানেও বিদেশি চিকিৎসক সার্জনরা কাজ শিখতে ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আসবে। সেই স্বপ্নের প্রাথমিক ধাপ সম্পূর্ণ হলো। ডা. সুসান মুখোপাধ্যায় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে আমাদের টিমের কাজ দেখলেন, প্রশংসা করলেন’।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি দপ্তর ও উন্নয়ন প্রকল্পে দলীয় সিন্ডিকেট চলবে না: আইনমন্ত্রী

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব মিলমালিকদের

আপডেট সময় ০২:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের তরুণ কার্ডিয়াক সার্জনের নেতৃত্বে একটি টিম ফুটো করে হার্টের সফল অস্ত্রোপচার করে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে মিনিমালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি (এআইসিএস) বলা হয়ে থাকে। এই ধরনের অস্ত্রোপচারে বুকের হাঁড় কাটতে হয় না। রোগীর ঝুঁকিও বেশ কম হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশে এসে এমআইসিএস পদ্ধতিতে চিকিৎসার অবস্থা সরেজমিন ঘুরে দেখে গেছেন কলকাতার এ্যাপোলো হাসপাতালের প্রধান কার্ডিয়াক সার্জন ও মেডিকেল পরিচালক ডা. সুসান মুখোপাধ্যায়।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে সরাসরি এই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন ভারতীয় এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও আবাসিক সার্জন ডা. আশ্রাফুল হক সিয়ামের নেতৃত্বে টিমের এমআইসিএস পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেখে মুগ্ধ হন ডা. সুসান মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে তরুণ কার্ডিয়াক সার্জনরা, বিশেষ করে আশরাফুল সিয়াম যে উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছেন এবং কাজের যে পরিধি দেখলাম তা অত্যন্ত মানসম্মত। বিশেষত তরুণ সার্জনদের অনুপ্রাণিত করতে তাদের টিম খুব ভালো কাজ করছে। তাদের কাজ দেখে মনে হয়েছে এ খাতে খুবই উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। এখানে যেভাবে তারা কাজ করছে এতে ঝুঁকি অনেক কম। আমি মনে করি তারা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজটি করতে পারবে। ছিদ্রের মাধ্যমে তা করলে রোগীর ঝুঁকি অনেক কমে যায়। আর চিকিৎসকরা যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাদের মধ্যে কাজের স্পৃহা দেখেছি। যদি তারা ভালো সেটআপ ও প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে তাহলে এখন যেমন এখানের রোগীরা দেশের বাইরে যায়। তখন সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, ভারত থেকেও রোগীরা এখানে চিকিৎসা করাতে আসবে’।

ডা. আশ্রাফুল হক সিয়াম বলেন, ‘চিকিৎসক হওয়ার পর অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গিয়ে নতুন নতুন কাজ দেখতাম। নামীদামী চিকিৎসকদের সাহচর্যে যেতাম। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও যখন এমআইসিএস (MICS) শুরু করলাম তখন স্বপ্ন দেখতাম হয়তো কোনো একদিন আমাদের এখানেও বিদেশি চিকিৎসক সার্জনরা কাজ শিখতে ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আসবে। সেই স্বপ্নের প্রাথমিক ধাপ সম্পূর্ণ হলো। ডা. সুসান মুখোপাধ্যায় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে আমাদের টিমের কাজ দেখলেন, প্রশংসা করলেন’।