ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব মিলমালিকদের

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের তরুণ কার্ডিয়াক সার্জনের নেতৃত্বে একটি টিম ফুটো করে হার্টের সফল অস্ত্রোপচার করে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে মিনিমালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি (এআইসিএস) বলা হয়ে থাকে। এই ধরনের অস্ত্রোপচারে বুকের হাঁড় কাটতে হয় না। রোগীর ঝুঁকিও বেশ কম হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশে এসে এমআইসিএস পদ্ধতিতে চিকিৎসার অবস্থা সরেজমিন ঘুরে দেখে গেছেন কলকাতার এ্যাপোলো হাসপাতালের প্রধান কার্ডিয়াক সার্জন ও মেডিকেল পরিচালক ডা. সুসান মুখোপাধ্যায়।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে সরাসরি এই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন ভারতীয় এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও আবাসিক সার্জন ডা. আশ্রাফুল হক সিয়ামের নেতৃত্বে টিমের এমআইসিএস পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেখে মুগ্ধ হন ডা. সুসান মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে তরুণ কার্ডিয়াক সার্জনরা, বিশেষ করে আশরাফুল সিয়াম যে উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছেন এবং কাজের যে পরিধি দেখলাম তা অত্যন্ত মানসম্মত। বিশেষত তরুণ সার্জনদের অনুপ্রাণিত করতে তাদের টিম খুব ভালো কাজ করছে। তাদের কাজ দেখে মনে হয়েছে এ খাতে খুবই উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। এখানে যেভাবে তারা কাজ করছে এতে ঝুঁকি অনেক কম। আমি মনে করি তারা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজটি করতে পারবে। ছিদ্রের মাধ্যমে তা করলে রোগীর ঝুঁকি অনেক কমে যায়। আর চিকিৎসকরা যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাদের মধ্যে কাজের স্পৃহা দেখেছি। যদি তারা ভালো সেটআপ ও প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে তাহলে এখন যেমন এখানের রোগীরা দেশের বাইরে যায়। তখন সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, ভারত থেকেও রোগীরা এখানে চিকিৎসা করাতে আসবে’।

ডা. আশ্রাফুল হক সিয়াম বলেন, ‘চিকিৎসক হওয়ার পর অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গিয়ে নতুন নতুন কাজ দেখতাম। নামীদামী চিকিৎসকদের সাহচর্যে যেতাম। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও যখন এমআইসিএস (MICS) শুরু করলাম তখন স্বপ্ন দেখতাম হয়তো কোনো একদিন আমাদের এখানেও বিদেশি চিকিৎসক সার্জনরা কাজ শিখতে ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আসবে। সেই স্বপ্নের প্রাথমিক ধাপ সম্পূর্ণ হলো। ডা. সুসান মুখোপাধ্যায় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে আমাদের টিমের কাজ দেখলেন, প্রশংসা করলেন’।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

সয়াবিন তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব মিলমালিকদের

আপডেট সময় ০২:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

বাংলাদেশের তরুণ কার্ডিয়াক সার্জনের নেতৃত্বে একটি টিম ফুটো করে হার্টের সফল অস্ত্রোপচার করে বেশ আলোচিত হয়েছিলেন। চিকিৎসা বিজ্ঞানে যাকে মিনিমালি ইনভেসিভ কার্ডিয়াক সার্জারি (এআইসিএস) বলা হয়ে থাকে। এই ধরনের অস্ত্রোপচারে বুকের হাঁড় কাটতে হয় না। রোগীর ঝুঁকিও বেশ কম হয়। সম্প্রতি বাংলাদেশে এসে এমআইসিএস পদ্ধতিতে চিকিৎসার অবস্থা সরেজমিন ঘুরে দেখে গেছেন কলকাতার এ্যাপোলো হাসপাতালের প্রধান কার্ডিয়াক সার্জন ও মেডিকেল পরিচালক ডা. সুসান মুখোপাধ্যায়।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে সরাসরি এই পদ্ধতিতে অস্ত্রোপচার সরাসরি প্রত্যক্ষ করেন ভারতীয় এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ও আবাসিক সার্জন ডা. আশ্রাফুল হক সিয়ামের নেতৃত্বে টিমের এমআইসিএস পদ্ধতিতে চিকিৎসা দেখে মুগ্ধ হন ডা. সুসান মুখোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে তরুণ কার্ডিয়াক সার্জনরা, বিশেষ করে আশরাফুল সিয়াম যে উদ্যোগ নিয়ে কাজ শুরু করেছেন এবং কাজের যে পরিধি দেখলাম তা অত্যন্ত মানসম্মত। বিশেষত তরুণ সার্জনদের অনুপ্রাণিত করতে তাদের টিম খুব ভালো কাজ করছে। তাদের কাজ দেখে মনে হয়েছে এ খাতে খুবই উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ আছে। এখানে যেভাবে তারা কাজ করছে এতে ঝুঁকি অনেক কম। আমি মনে করি তারা অত্যন্ত সফলতার সঙ্গে কাজটি করতে পারবে। ছিদ্রের মাধ্যমে তা করলে রোগীর ঝুঁকি অনেক কমে যায়। আর চিকিৎসকরা যারা প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন তাদের মধ্যে কাজের স্পৃহা দেখেছি। যদি তারা ভালো সেটআপ ও প্রশিক্ষণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারে তাহলে এখন যেমন এখানের রোগীরা দেশের বাইরে যায়। তখন সিঙ্গাপুর, ব্যাংকক, ভারত থেকেও রোগীরা এখানে চিকিৎসা করাতে আসবে’।

ডা. আশ্রাফুল হক সিয়াম বলেন, ‘চিকিৎসক হওয়ার পর অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে গিয়ে নতুন নতুন কাজ দেখতাম। নামীদামী চিকিৎসকদের সাহচর্যে যেতাম। অনেক প্রতিকূলতার মধ্যেও যখন এমআইসিএস (MICS) শুরু করলাম তখন স্বপ্ন দেখতাম হয়তো কোনো একদিন আমাদের এখানেও বিদেশি চিকিৎসক সার্জনরা কাজ শিখতে ও অভিজ্ঞতা অর্জনের জন্য আসবে। সেই স্বপ্নের প্রাথমিক ধাপ সম্পূর্ণ হলো। ডা. সুসান মুখোপাধ্যায় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে আমাদের টিমের কাজ দেখলেন, প্রশংসা করলেন’।