ঢাকা ১২:১০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে আ.লীগ ছাড়লেন চেয়ারম্যানসহ ৯ ইউপি সদস্য ১৬ জুলাই ঘিরে গোপালগঞ্জে ৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন মালয়েশিয়ায় ইসরাইলি নাগরিক শনাক্ত হলে সঙ্গে সঙ্গেই বহিষ্কার আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা

ইসির পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ চাইবে বিএনপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসির ঘোষিত নির্বাচনী রোডম্যাপ অনুযায়ী গত ৩০ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ অক্টোবর বিএনপির সঙ্গে সংলাপের দিন ধার্য রয়েছে। ১৮ অক্টোবর ইসির সংলাপ হবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে।

বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার এমনটাই ইঙ্গিত সংলাপের জন্য দলটির প্রস্তাবমালা চূড়ান্ত হয়নি এখনো। নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্ণ আশ্বাস আদায়ের চেষ্টা করবে দলটি। তাতে কোন কোন বিষয় তুলে ধরা হবে তাও সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। শীর্ষ নেতাদের নিজেদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শেষে প্রস্তাবের বিষয় নির্ধারণে খসড়া তৈরির কাজ চলছে।

বিএনপিদলীয় সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন, সংসদীয় আসন এলাকার সীমানা পুনর্বিন্যাস, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা ও নতুন ভোটার নিবন্ধীকরণের বিষয় থাকবে তাদের প্রস্তাবমালায়।

জানা গেছে, লন্ডনে যাওয়ার আগে খালেদা জিয়া ইসির সঙ্গে সংলাপের প্রস্তুতির বিষয়ে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আলোকে শুক্রবার গুলশানের কার‌্যালয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। অন্যদিকে সংলাপে সম্ভাব্য প্রস্তাবের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহসহ কয়েকজনকে।

বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার গঠন, সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাচনে সেনা মোতায়েনসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা শুরু করেছি। কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নিশ্চয়ই সংলাপে কোন কোন বিষয় আলোকপাত করা হবে তা নিয়ে প্রস্তাব তৈরি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ড. মোশাররফ আরো বলেন, ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলতে পারেন।

সংলাপে বেগম খালেদা জিয়ার অংশ নেয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানান বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। প্রস্তাবে কোন কোন বিষয় আসবে তা নিয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি নন তিনি।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা তো নিশ্চয়ই সংলাপের জন্য প্রস্তুতি নেব। কিন্তু সেটা এখন প্রাথমিক অবস্থায় আছে। গতকাল বৈঠক হলেও আমি অংশ নিতে পারিনি। যে কারণে বিস্তারিত বলা সম্ভব না।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে মনে করি নির্বাচন কীভাবে হবে কি হবে না, তার চেয়ে বড় বিষয় হলো নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহারের ইচ্ছা তাদের আছে কি না সেটা। কারণ তাদের হাতে তো অগাধ ক্ষমতা। ইসি যদি শক্ত থাকে তাহলে প্রশাসন তাদের কথা শুনতে বাধ্য হবে। আর ‍সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনা মোতায়েন তো ফরজ। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি আরবের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ

ইসির পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ চাইবে বিএনপি

আপডেট সময় ০১:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসির ঘোষিত নির্বাচনী রোডম্যাপ অনুযায়ী গত ৩০ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ অক্টোবর বিএনপির সঙ্গে সংলাপের দিন ধার্য রয়েছে। ১৮ অক্টোবর ইসির সংলাপ হবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে।

বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার এমনটাই ইঙ্গিত সংলাপের জন্য দলটির প্রস্তাবমালা চূড়ান্ত হয়নি এখনো। নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্ণ আশ্বাস আদায়ের চেষ্টা করবে দলটি। তাতে কোন কোন বিষয় তুলে ধরা হবে তাও সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। শীর্ষ নেতাদের নিজেদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শেষে প্রস্তাবের বিষয় নির্ধারণে খসড়া তৈরির কাজ চলছে।

বিএনপিদলীয় সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন, সংসদীয় আসন এলাকার সীমানা পুনর্বিন্যাস, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা ও নতুন ভোটার নিবন্ধীকরণের বিষয় থাকবে তাদের প্রস্তাবমালায়।

জানা গেছে, লন্ডনে যাওয়ার আগে খালেদা জিয়া ইসির সঙ্গে সংলাপের প্রস্তুতির বিষয়ে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আলোকে শুক্রবার গুলশানের কার‌্যালয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। অন্যদিকে সংলাপে সম্ভাব্য প্রস্তাবের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহসহ কয়েকজনকে।

বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার গঠন, সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাচনে সেনা মোতায়েনসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা শুরু করেছি। কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নিশ্চয়ই সংলাপে কোন কোন বিষয় আলোকপাত করা হবে তা নিয়ে প্রস্তাব তৈরি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ড. মোশাররফ আরো বলেন, ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলতে পারেন।

সংলাপে বেগম খালেদা জিয়ার অংশ নেয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানান বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। প্রস্তাবে কোন কোন বিষয় আসবে তা নিয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি নন তিনি।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা তো নিশ্চয়ই সংলাপের জন্য প্রস্তুতি নেব। কিন্তু সেটা এখন প্রাথমিক অবস্থায় আছে। গতকাল বৈঠক হলেও আমি অংশ নিতে পারিনি। যে কারণে বিস্তারিত বলা সম্ভব না।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে মনে করি নির্বাচন কীভাবে হবে কি হবে না, তার চেয়ে বড় বিষয় হলো নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহারের ইচ্ছা তাদের আছে কি না সেটা। কারণ তাদের হাতে তো অগাধ ক্ষমতা। ইসি যদি শক্ত থাকে তাহলে প্রশাসন তাদের কথা শুনতে বাধ্য হবে। আর ‍সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনা মোতায়েন তো ফরজ। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।’