ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

ইসির পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ চাইবে বিএনপি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসির ঘোষিত নির্বাচনী রোডম্যাপ অনুযায়ী গত ৩০ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ অক্টোবর বিএনপির সঙ্গে সংলাপের দিন ধার্য রয়েছে। ১৮ অক্টোবর ইসির সংলাপ হবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে।

বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার এমনটাই ইঙ্গিত সংলাপের জন্য দলটির প্রস্তাবমালা চূড়ান্ত হয়নি এখনো। নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্ণ আশ্বাস আদায়ের চেষ্টা করবে দলটি। তাতে কোন কোন বিষয় তুলে ধরা হবে তাও সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। শীর্ষ নেতাদের নিজেদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শেষে প্রস্তাবের বিষয় নির্ধারণে খসড়া তৈরির কাজ চলছে।

বিএনপিদলীয় সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন, সংসদীয় আসন এলাকার সীমানা পুনর্বিন্যাস, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা ও নতুন ভোটার নিবন্ধীকরণের বিষয় থাকবে তাদের প্রস্তাবমালায়।

জানা গেছে, লন্ডনে যাওয়ার আগে খালেদা জিয়া ইসির সঙ্গে সংলাপের প্রস্তুতির বিষয়ে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আলোকে শুক্রবার গুলশানের কার‌্যালয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। অন্যদিকে সংলাপে সম্ভাব্য প্রস্তাবের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহসহ কয়েকজনকে।

বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার গঠন, সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাচনে সেনা মোতায়েনসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা শুরু করেছি। কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নিশ্চয়ই সংলাপে কোন কোন বিষয় আলোকপাত করা হবে তা নিয়ে প্রস্তাব তৈরি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ড. মোশাররফ আরো বলেন, ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলতে পারেন।

সংলাপে বেগম খালেদা জিয়ার অংশ নেয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানান বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। প্রস্তাবে কোন কোন বিষয় আসবে তা নিয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি নন তিনি।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা তো নিশ্চয়ই সংলাপের জন্য প্রস্তুতি নেব। কিন্তু সেটা এখন প্রাথমিক অবস্থায় আছে। গতকাল বৈঠক হলেও আমি অংশ নিতে পারিনি। যে কারণে বিস্তারিত বলা সম্ভব না।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে মনে করি নির্বাচন কীভাবে হবে কি হবে না, তার চেয়ে বড় বিষয় হলো নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহারের ইচ্ছা তাদের আছে কি না সেটা। কারণ তাদের হাতে তো অগাধ ক্ষমতা। ইসি যদি শক্ত থাকে তাহলে প্রশাসন তাদের কথা শুনতে বাধ্য হবে। আর ‍সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনা মোতায়েন তো ফরজ। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

ইসির পূর্ণ ক্ষমতা প্রয়োগ চাইবে বিএনপি

আপডেট সময় ০১:৪৯:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসির ঘোষিত নির্বাচনী রোডম্যাপ অনুযায়ী গত ৩০ জুলাই সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের মাধ্যমে বিভিন্ন মহলের সঙ্গে সংলাপ শুরু করে কমিশন। এরই ধারাবাহিকতায় ১৫ অক্টোবর বিএনপির সঙ্গে সংলাপের দিন ধার্য রয়েছে। ১৮ অক্টোবর ইসির সংলাপ হবে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সঙ্গে।

বিএনপির একাধিক শীর্ষ নেতার এমনটাই ইঙ্গিত সংলাপের জন্য দলটির প্রস্তাবমালা চূড়ান্ত হয়নি এখনো। নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে নিরপেক্ষ নির্বাচনের পূর্ণ আশ্বাস আদায়ের চেষ্টা করবে দলটি। তাতে কোন কোন বিষয় তুলে ধরা হবে তাও সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। শীর্ষ নেতাদের নিজেদের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শেষে প্রস্তাবের বিষয় নির্ধারণে খসড়া তৈরির কাজ চলছে।

বিএনপিদলীয় সূত্রে জানা গেছে, সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি, ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দিয়ে সেনাবাহিনী মোতায়েন, সংসদীয় আসন এলাকার সীমানা পুনর্বিন্যাস, ভোটার তালিকা হালনাগাদ করা ও নতুন ভোটার নিবন্ধীকরণের বিষয় থাকবে তাদের প্রস্তাবমালায়।

জানা গেছে, লন্ডনে যাওয়ার আগে খালেদা জিয়া ইসির সঙ্গে সংলাপের প্রস্তুতির বিষয়ে দায়িত্বশীলদের নির্দেশনা দিয়েছেন। এর আলোকে শুক্রবার গুলশানের কার‌্যালয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিএনপির শীর্ষ নেতারা। অন্যদিকে সংলাপে সম্ভাব্য প্রস্তাবের খসড়া তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান, সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহসহ কয়েকজনকে।

বৈঠকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, সাবেক সচিব ইসমাঈল জবিউল্লাহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে নির্বাচনকালীন সহায়ক সরকার গঠন, সংসদ ভেঙে দেয়া, নির্বাচনে সেনা মোতায়েনসহ বেশ কিছু বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আমরা প্রাথমিক আলাপ-আলোচনা শুরু করেছি। কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। নিশ্চয়ই সংলাপে কোন কোন বিষয় আলোকপাত করা হবে তা নিয়ে প্রস্তাব তৈরি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’ড. মোশাররফ আরো বলেন, ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলতে পারেন।

সংলাপে বেগম খালেদা জিয়ার অংশ নেয়ার সম্ভাবনা কম বলে জানান বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা। প্রস্তাবে কোন কোন বিষয় আসবে তা নিয়ে এখনই কিছু বলতে রাজি নন তিনি।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমরা তো নিশ্চয়ই সংলাপের জন্য প্রস্তুতি নেব। কিন্তু সেটা এখন প্রাথমিক অবস্থায় আছে। গতকাল বৈঠক হলেও আমি অংশ নিতে পারিনি। যে কারণে বিস্তারিত বলা সম্ভব না।’

গয়েশ্বর বলেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে মনে করি নির্বাচন কীভাবে হবে কি হবে না, তার চেয়ে বড় বিষয় হলো নির্বাচন কমিশনের পূর্ণ ক্ষমতা ব্যবহারের ইচ্ছা তাদের আছে কি না সেটা। কারণ তাদের হাতে তো অগাধ ক্ষমতা। ইসি যদি শক্ত থাকে তাহলে প্রশাসন তাদের কথা শুনতে বাধ্য হবে। আর ‍সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সেনা মোতায়েন তো ফরজ। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না।’