ঢাকা ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক মব নিয়ন্ত্রণে সরকার ব্যর্থ হলে নির্বাচনে প্রভাব পড়বে: টিআইবি ইনসাফের বাংলাদেশ গড়তে দাঁড়িপাল্লার পাশাপাশি হ্যাঁ-তে ভোট দিতে হবে: সাদিক কায়েম চট্টগ্রাম বন্দরে এবার ২৪ ঘণ্টা কর্মবিরতির ডাক এবার কোথাও কোনো কেন্দ্র দখল হলে কেউ ছাড় পাবে না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা দুর্নীতি-চাঁদাবাজ ও টেন্ডারবাজদের বিরুদ্ধে বলায় তাদের চান্দি গরম হয়ে গেছে: জামায়াত আমির প্রতিহিংসা বা প্রতিশোধের রাজনীতি দেখতে চান না তারেক রহমান: দুলু প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম ক্রয় ও চুক্তি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ: নিরাপত্তা উপদেষ্টা মঙ্গলবার পবিত্র শবে বরাত তরুণদের সঙ্গে জাইমা রহমানের ‘চায়ের আড্ডা’

ওবায়দুল কাদেরকে স্যার বলেছি, সেটা নিয়ে একজন জ্ঞান দিলেন: সিইসি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অযাচিত মন্তব্য দেখলে কাজের শক্তি হারিয়ে ফেলেন, কাজ করার মন থাকে না জানিয়ে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমি ওবায়দুল কাদেরকে স্যার বলেছি সেটা নিয়েও সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। আমি এটা বিনয় করে বলেছি। এই বিষয়ে আমার এক কমিশনারও আমাকে জ্ঞান দান করলো।’

সংলাপে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দ্বিতীয় দিনের সংলাপে নির্বাচন কমিশনের সংলাপে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের ইসি সরকারি দলকে বেশি আপ্যায়ন করে এমন অভিযোগের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ওবায়দুল কাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তিনি দলবল নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু আমার রুমে ঢুকতে পারেননি। পাশের রুমে বসিয়ে পরে এখানে আনা হয়েছিল। আমি ভুলে আগেই ওনাকে (ওবায়দুর কাদের) স্যার সম্বোধন করেছিলাম। এটা নিয়েও সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছি। যেহেতু আগেই পরিচিত, সব সময় স্যার বলেছি। তারপর শিখলাম যে, না স্যার বলা যাবে না। উনি (কমিশনার মো. আলমগীরকে দেখিয়ে) এ বিষয়ে আমাকে জ্ঞান দান করলেন।’

নির্বাচনের মাঠে তলোয়ার-রাইফেলের প্রসঙ্গটি কৌতুক ও প্রতীকী অর্থেই মন্তব্য করেছেন জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘এনডিএম এর চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বললো কেউ অস্ত্র নিয়ে আসলে আমরা কি করব? আমি বললাম, তলোয়ার বা রাইফেল নিয়ে দাঁড়াবেন। মানে প্রতিহত করবেন। এটা কেবলই প্রতীকী। আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের চেয়ারে বসেছি এইটুকু বুঝব না?’

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এতটুকু জ্ঞান নেই? এই কথা সত্যি হলে আমি তো আর্মস অ্যাক্টে লায়াবল। পুলিশ আমাকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাবে। বুঝতে হবে, এটা অন্তর থেকে বলা হয়েছে, না কৌতুক করে বলা হয়েছে।’

সিইসি আরও বলেন, ‘ছোট বিষয়টা দেশের পত্রিকাগুলোতে এখন প্রধান খবর। একটা মানুষকে নামিয়ে দেয়া। এরপর তো আর কাজ করার মনোবলও থাকে না। ইচ্ছাও করে না। আমি ইউটিউবে নিজের ছবি দেখলে সেটা বন্ধ করে দিই ‘ইউটিউবে যখনি আমার ছবি দেখি বুঝতে পারি বাপ-দাদাসহ গালিগালাজ শুরু হবে, তখন আর কাজের মনোবল থাকে না।’

গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা সমালোচনায় হতাশ হয়ে ইউটিউব দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘গণমাধ্যমকে আমরা খুব সাপোর্ট দিই। তাদের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। আমরা চাই সবকিছু গণমাধ্যমে যাক। খুব বেশি কিছু প্রাপ্তির আশায় নির্বাচন কমিশনে আসিনি। আমরা খুবই চেষ্টা করছি। আমাদের অনেকগুলো পরিশ্রম ভণ্ডুল হয়ে যায়। আবার কিছু কাজে লাগে। কিছু লাগে না। কিন্তু পরিশ্রম করে যাচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের মানুষ পরিবর্তন চায়,দুর্নীতি ও সন্ত্রাসনির্ভর রাজনীতি আর চলবেনা: মামুনুল হক

ওবায়দুল কাদেরকে স্যার বলেছি, সেটা নিয়ে একজন জ্ঞান দিলেন: সিইসি

আপডেট সময় ১১:৫৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অযাচিত মন্তব্য দেখলে কাজের শক্তি হারিয়ে ফেলেন, কাজ করার মন থাকে না জানিয়ে সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেছেন, আমি ওবায়দুল কাদেরকে স্যার বলেছি সেটা নিয়েও সমালোচনার ঝড় শুরু হয়েছে। আমি এটা বিনয় করে বলেছি। এই বিষয়ে আমার এক কমিশনারও আমাকে জ্ঞান দান করলো।’

সংলাপে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

দ্বিতীয় দিনের সংলাপে নির্বাচন কমিশনের সংলাপে বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের ইসি সরকারি দলকে বেশি আপ্যায়ন করে এমন অভিযোগের জবাবে সিইসি বলেন, ‘আওয়ামী লীগের ওবায়দুল কাদের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি। তিনি দলবল নিয়ে এসেছিলেন। কিন্তু আমার রুমে ঢুকতে পারেননি। পাশের রুমে বসিয়ে পরে এখানে আনা হয়েছিল। আমি ভুলে আগেই ওনাকে (ওবায়দুর কাদের) স্যার সম্বোধন করেছিলাম। এটা নিয়েও সমালোচনার সম্মুখীন হয়েছি। যেহেতু আগেই পরিচিত, সব সময় স্যার বলেছি। তারপর শিখলাম যে, না স্যার বলা যাবে না। উনি (কমিশনার মো. আলমগীরকে দেখিয়ে) এ বিষয়ে আমাকে জ্ঞান দান করলেন।’

নির্বাচনের মাঠে তলোয়ার-রাইফেলের প্রসঙ্গটি কৌতুক ও প্রতীকী অর্থেই মন্তব্য করেছেন জানিয়ে সিইসি বলেন, ‘এনডিএম এর চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বললো কেউ অস্ত্র নিয়ে আসলে আমরা কি করব? আমি বললাম, তলোয়ার বা রাইফেল নিয়ে দাঁড়াবেন। মানে প্রতিহত করবেন। এটা কেবলই প্রতীকী। আমি প্রধান নির্বাচন কমিশনারের চেয়ারে বসেছি এইটুকু বুঝব না?’

হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের এতটুকু জ্ঞান নেই? এই কথা সত্যি হলে আমি তো আর্মস অ্যাক্টে লায়াবল। পুলিশ আমাকে হাতকড়া পরিয়ে নিয়ে যাবে। বুঝতে হবে, এটা অন্তর থেকে বলা হয়েছে, না কৌতুক করে বলা হয়েছে।’

সিইসি আরও বলেন, ‘ছোট বিষয়টা দেশের পত্রিকাগুলোতে এখন প্রধান খবর। একটা মানুষকে নামিয়ে দেয়া। এরপর তো আর কাজ করার মনোবলও থাকে না। ইচ্ছাও করে না। আমি ইউটিউবে নিজের ছবি দেখলে সেটা বন্ধ করে দিই ‘ইউটিউবে যখনি আমার ছবি দেখি বুঝতে পারি বাপ-দাদাসহ গালিগালাজ শুরু হবে, তখন আর কাজের মনোবল থাকে না।’

গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা সমালোচনায় হতাশ হয়ে ইউটিউব দেখা বন্ধ করে দিয়েছেন জানিয়ে কাজী হাবিবুল আউয়াল বলেন, ‘গণমাধ্যমকে আমরা খুব সাপোর্ট দিই। তাদের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করি। আমরা চাই সবকিছু গণমাধ্যমে যাক। খুব বেশি কিছু প্রাপ্তির আশায় নির্বাচন কমিশনে আসিনি। আমরা খুবই চেষ্টা করছি। আমাদের অনেকগুলো পরিশ্রম ভণ্ডুল হয়ে যায়। আবার কিছু কাজে লাগে। কিছু লাগে না। কিন্তু পরিশ্রম করে যাচ্ছি।