ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

৪ লাখ টাকায় জাবিতে চান্স, ভাইভা দিতে এসে ধরা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারুটিয়া গ্রামের মৃত শওকত মিয়ার ছেলে মোস্তফা কামাল। সে এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদে ৩০০তম মেধাস্থান নিয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

এজন্য বুধবার সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইভা দিতে আসে; কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাইভা নেওয়ার বদলে তাকে আটকে রাখে। আটকের পরই জানা গেল ৪ লাখ টাকা চুক্তিতে তার চান্স পাওয়ার গোপন রহস্য।

প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোস্তফা কামাল জালিয়াতি করে চান্স পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শুধু আমি নই; আমার আরও দুই বন্ধু আশিক ও ফরহাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছে। ‘ডি’ ইউনিটে তাদের মেধাক্রম ছিল ৭৯ ও ২৪৯। তাদের মাধ্যমে জানতে পারি- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীমের মাধ্যমে তারা ভর্তি হয়েছে।

এজন্য আশিক ও ফরহাদের মাধ্যমে আমি মেহেদী ও শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের সঙ্গে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে জাবিতে চান্স পাইয়ে দেওয়ার চুক্তি হয়। পরে আমার প্রবেশপত্র নিয়ে আমার হয়ে আরেকজন জাবির গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষায় আমার মেধাক্রম আসে ৩০০। এরপর চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা পরিশোধ করেছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া জালিয়াতি চক্রের বাকি সদস্যদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

৪ লাখ টাকায় জাবিতে চান্স, ভাইভা দিতে এসে ধরা

আপডেট সময় ০৯:৩০:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার তারুটিয়া গ্রামের মৃত শওকত মিয়ার ছেলে মোস্তফা কামাল। সে এবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদে ৩০০তম মেধাস্থান নিয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে।

এজন্য বুধবার সে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইভা দিতে আসে; কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ভাইভা নেওয়ার বদলে তাকে আটকে রাখে। আটকের পরই জানা গেল ৪ লাখ টাকা চুক্তিতে তার চান্স পাওয়ার গোপন রহস্য।

প্রক্টর অফিসে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোস্তফা কামাল জালিয়াতি করে চান্স পাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, শুধু আমি নই; আমার আরও দুই বন্ধু আশিক ও ফরহাদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ডি’ ইউনিটে জালিয়াতির মাধ্যমে ভর্তি হয়েছে। ‘ডি’ ইউনিটে তাদের মেধাক্রম ছিল ৭৯ ও ২৪৯। তাদের মাধ্যমে জানতে পারি- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২ ব্যাচের শিক্ষার্থী শামীমের মাধ্যমে তারা ভর্তি হয়েছে।

এজন্য আশিক ও ফরহাদের মাধ্যমে আমি মেহেদী ও শামীমের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তাদের সঙ্গে ৪ লাখ টাকার বিনিময়ে জাবিতে চান্স পাইয়ে দেওয়ার চুক্তি হয়। পরে আমার প্রবেশপত্র নিয়ে আমার হয়ে আরেকজন জাবির গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। পরীক্ষায় আমার মেধাক্রম আসে ৩০০। এরপর চুক্তি অনুযায়ী পুরো টাকা পরিশোধ করেছি।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ-উল-হাসান বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আশুলিয়া থানায় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এছাড়া জালিয়াতি চক্রের বাকি সদস্যদের আটক করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।