ঢাকা ০৬:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

ওমিক্রন: করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে ১৮ মন্ত্রণালয়

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন রোধে করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে বসেছে ১৮ মন্ত্রণালয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শুরু হয়।

ওমিক্রন ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ, ভিড় কমানো, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফ্লাইট বন্ধ করা, বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা, সীমান্ত এলাকাগুলোতে স্ক্রিনিং জোরদারসহ বেশ কিছু বিধি-নিষেধ জারি করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।

বৈঠকে সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হবে। বৈঠকের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এরই মধ্যে ইউরোপের অনেক দেশ আফ্রিকার সব দেশের সঙ্গেই ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশও একই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান ধরনটির বিস্তার ঠেকানোর অংশ হিসেবে সীমান্ত এলাকার বন্দরগুলোতে সতর্কতা ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে গত রোববার কোভিড-১৯-সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি বৈঠক করেছে। কমিটির সদস্যরা চারটি সুপারিশ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—যেসব দেশে ওমিক্রন সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেখান থেকে যাত্রী আসা বন্ধ করতে হবে; কোনো ব্যক্তির এসব দেশে ভ্রমণের সাম্প্রতিক (শেষ ১৪ দিন) ইতিহাস থাকলে তাকে বাংলাদেশে ১৪ দিন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে; করোনা শনাক্ত হলে আইসোলেশনে যেতে হবে।

এছাড়াও প্রতিটি বন্দর ও সীমান্তে স্ক্রিনিং পরীক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত ব্যবস্থা আরও কঠোরভাবে পালন করা (স্কুল, কলেজসহ), চিকিৎসাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বিভিন্ন (রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়) সমাবেশে জনসমাগম সীমিত করা এবং মানুষকে উৎসাহিত করতে করোনা পরীক্ষা বিনামূল্যে করার সুপারিশ করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

ওমিক্রন: করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে ১৮ মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ১২:২৯:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন রোধে করণীয় নির্ধারণে বৈঠকে বসেছে ১৮ মন্ত্রণালয়। সভা শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এ আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শুরু হয়।

ওমিক্রন ঠেকাতে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ, ভিড় কমানো, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ফ্লাইট বন্ধ করা, বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা, সীমান্ত এলাকাগুলোতে স্ক্রিনিং জোরদারসহ বেশ কিছু বিধি-নিষেধ জারি করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে।

বৈঠকে সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হবে। বৈঠকের পর স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত জানাবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এরই মধ্যে ইউরোপের অনেক দেশ আফ্রিকার সব দেশের সঙ্গেই ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশও একই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, করোনার দক্ষিণ আফ্রিকান ধরনটির বিস্তার ঠেকানোর অংশ হিসেবে সীমান্ত এলাকার বন্দরগুলোতে সতর্কতা ও নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এর আগে গত রোববার কোভিড-১৯-সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি বৈঠক করেছে। কমিটির সদস্যরা চারটি সুপারিশ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে—যেসব দেশে ওমিক্রন সংক্রমণ ছড়িয়েছে সেখান থেকে যাত্রী আসা বন্ধ করতে হবে; কোনো ব্যক্তির এসব দেশে ভ্রমণের সাম্প্রতিক (শেষ ১৪ দিন) ইতিহাস থাকলে তাকে বাংলাদেশে ১৪ দিন ইনস্টিটিউশনাল কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে; করোনা শনাক্ত হলে আইসোলেশনে যেতে হবে।

এছাড়াও প্রতিটি বন্দর ও সীমান্তে স্ক্রিনিং পরীক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা সংক্রান্ত ব্যবস্থা আরও কঠোরভাবে পালন করা (স্কুল, কলেজসহ), চিকিৎসাব্যবস্থা শক্তিশালী করা, বিভিন্ন (রাজনৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয়) সমাবেশে জনসমাগম সীমিত করা এবং মানুষকে উৎসাহিত করতে করোনা পরীক্ষা বিনামূল্যে করার সুপারিশ করা হয়।