ঢাকা ০৮:৫৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্যসেবার ৬৮ ভাগ খরচ রোগীর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের জন্য সাধারণ মানুষের পকেট থেকে পুরো খরচের ৬৮ ভাগ চলে যায় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রোববার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাকালীন আমরা হিসাব করে দেখেছি যে, একটি রোগীর পেছনে সাধারণভাবে প্রত্যেক দিন খরচ হয় প্রায় ১৫ হাজার টাকা। সরকার বিনামূল্যে এ সময় চিকিৎসা দিয়েছেন এবং মিনিমাম ৮০ থেকে ৯০ ভাগ করোনায় আক্রান্ত মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা ৯ কোটি মানুষকে টিকা দিয়েছি। ৫ কোটি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন করেছে এবং চার কোটি মানুষ প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছে। আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে করোনার টিকা দিচ্ছি এবং স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা নিতে গেলে ব্যক্তির পুরো খরচের ৬৮ ভাগ খরচ তার পকেট থেকে। এর মধ্যে ওষুধের খরচ পড়ে ৬৪ ভাগ। আমরা সরকার থেকে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করছি যেন এই খরচ আরও কমিয়ে আনা যায়। এজন্য আমাদের ডাক্তার এবং নার্সদেরকে আরও সচেতন হতে হবে এবং সাধারণ জনগণকেও সচেতন হতে হবে। যে ওষুধের দরকার নেই বা যে টেস্টের দরকার নেই, সেগুলো করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়া শুধু ফান্ডিং বাড়িয়ে এই ব্যয় কমানো সম্ভব নয়। আমাদের কোয়ালিটি বাড়াতে হবে এবং ইথিক্যাল হতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়াসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবার ৬৮ ভাগ খরচ রোগীর: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৫:২১:৪৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের জন্য সাধারণ মানুষের পকেট থেকে পুরো খরচের ৬৮ ভাগ চলে যায় বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

রোববার (২১ নভেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত কর্মশালায় তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, করোনাকালীন আমরা হিসাব করে দেখেছি যে, একটি রোগীর পেছনে সাধারণভাবে প্রত্যেক দিন খরচ হয় প্রায় ১৫ হাজার টাকা। সরকার বিনামূল্যে এ সময় চিকিৎসা দিয়েছেন এবং মিনিমাম ৮০ থেকে ৯০ ভাগ করোনায় আক্রান্ত মানুষ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ইতোমধ্যে আমরা ৯ কোটি মানুষকে টিকা দিয়েছি। ৫ কোটি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ সম্পন্ন করেছে এবং চার কোটি মানুষ প্রথম ডোজ গ্রহণ করেছে। আমরা কমিউনিটি ক্লিনিকের মাধ্যমে করোনার টিকা দিচ্ছি এবং স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছি।

মন্ত্রী বলেন, স্বাস্থ্যসেবা নিতে গেলে ব্যক্তির পুরো খরচের ৬৮ ভাগ খরচ তার পকেট থেকে। এর মধ্যে ওষুধের খরচ পড়ে ৬৪ ভাগ। আমরা সরকার থেকে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণের চেষ্টা করছি যেন এই খরচ আরও কমিয়ে আনা যায়। এজন্য আমাদের ডাক্তার এবং নার্সদেরকে আরও সচেতন হতে হবে এবং সাধারণ জনগণকেও সচেতন হতে হবে। যে ওষুধের দরকার নেই বা যে টেস্টের দরকার নেই, সেগুলো করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এছাড়া শুধু ফান্ডিং বাড়িয়ে এই ব্যয় কমানো সম্ভব নয়। আমাদের কোয়ালিটি বাড়াতে হবে এবং ইথিক্যাল হতে হবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়াসহ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা।