ঢাকা ০১:১৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

মাটির নিচ থেকে গন্ধযুক্ত ধোঁয়া বের হওয়ায় আতঙ্ক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার ধুনটে একটি গর্ত থেকে হঠাৎ করে ধোঁয়া বের হওয়ায় গ্রামবাসীদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দেয়। ধোঁয়ার সঙ্গে মিথেন গ্যাসের মত কটু গন্ধ ও গর্তে হাত দিলে তাপ অনুভূত হওয়ায় নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়।

উপজেলার শ্যামগাঁতি ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অনেকে ভয়ে মসজিদে মিলাদ-দোয়ার আয়োজন করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, এটা আতঙ্কিত হবার কিছু নয়। ওই স্থানে আগে গাছ ছিল। কেটে সেখানে স্কুল করা হয়েছে। মাটির নিচে কিছু মিথেন জাতীয় গ্যাস জমা হয়েছিল। ওটা বের হওয়ায় গ্রামবাসীরা নানা প্রচারণা চালায়। বর্তমানে আর ধোঁয়া নেই।

শ্যামগাঁতি গ্রামের আসাদুজ্জামান, মোল্লা বকশ প্রমুখ জানান, কয়েকদিন উপজেলার শ্যামগাঁতি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে রাস্তায় হাঁটার সময় স্থানীয় কয়েকজন কিশোর-তরুণ পায়ে তাপ অনুভব করে। কৌতূহল বশত: তারা ইঞ্চি চারেক মাটি খুঁড়লেই সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। মুখে মুখে খবরটি প্রচার হলে শুধু ওই গ্রামের নয়; আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ এক নজর দেখার জন্য ভিড় করেন। অনেকে ভুত-জিনের কাজ মনে করে দোয়া-দরুদ পড়তে থাকেন। কোনো ক্ষতি এড়াতে মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়।

গ্রামের কয়েকজন প্রবীণ জানান, ওই স্থানের আশপাশে পুকুরপাড় ও নিচু এলাকায় পুরাতন কয়েকটি বট-পাকুর গাছ ছিল। গত ৪-৫ বছর ধরে গ্রামবাসীরা ওই স্থানের পাশ দিয়ে সরু রাস্তায় চলাচল করেন। দিনে ধোঁয়া কম হলেও রাত বেশি হয়। গ্রামবাসীরা ওই গর্তে কোনো গ্যাস বা দাহ্য পদার্থ থাকার কথা ভেবে আতঙ্কিত হন। তবে ওই ধোঁয়ায় আগুন না জ্বালায় আস্তে আস্তে ভয় কেটে যায়।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, ভৌগোলিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, মাটির নিচে থাকা উদ্ভিদের অংশগুলো থেকে মিথেন গ্যাস তৈরি হয়। এরপর কোনো কারণে সেখান থেকে ধোঁয়া বের হয়।

সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, এখন আর ধোঁয়া নেই। গ্রামের কিছু মানুষ এ ঘটনা নিয়ে বেশি হৈ চৈ করেন। ফলে গ্রামবাসীদের অনেকের মাঝে আতঙ্ক দেখা দেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

মাটির নিচ থেকে গন্ধযুক্ত ধোঁয়া বের হওয়ায় আতঙ্ক

আপডেট সময় ০৭:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ নভেম্বর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বগুড়ার ধুনটে একটি গর্ত থেকে হঠাৎ করে ধোঁয়া বের হওয়ায় গ্রামবাসীদের মাঝে আতঙ্ক দেখা দেয়। ধোঁয়ার সঙ্গে মিথেন গ্যাসের মত কটু গন্ধ ও গর্তে হাত দিলে তাপ অনুভূত হওয়ায় নানা আলোচনার সৃষ্টি হয়।

উপজেলার শ্যামগাঁতি ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অনেকে ভয়ে মসজিদে মিলাদ-দোয়ার আয়োজন করেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, এটা আতঙ্কিত হবার কিছু নয়। ওই স্থানে আগে গাছ ছিল। কেটে সেখানে স্কুল করা হয়েছে। মাটির নিচে কিছু মিথেন জাতীয় গ্যাস জমা হয়েছিল। ওটা বের হওয়ায় গ্রামবাসীরা নানা প্রচারণা চালায়। বর্তমানে আর ধোঁয়া নেই।

শ্যামগাঁতি গ্রামের আসাদুজ্জামান, মোল্লা বকশ প্রমুখ জানান, কয়েকদিন উপজেলার শ্যামগাঁতি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশ থেকে রাস্তায় হাঁটার সময় স্থানীয় কয়েকজন কিশোর-তরুণ পায়ে তাপ অনুভব করে। কৌতূহল বশত: তারা ইঞ্চি চারেক মাটি খুঁড়লেই সেখান থেকে ধোঁয়া বের হতে থাকে। মুখে মুখে খবরটি প্রচার হলে শুধু ওই গ্রামের নয়; আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ এক নজর দেখার জন্য ভিড় করেন। অনেকে ভুত-জিনের কাজ মনে করে দোয়া-দরুদ পড়তে থাকেন। কোনো ক্ষতি এড়াতে মসজিদে দোয়ার আয়োজন করা হয়।

গ্রামের কয়েকজন প্রবীণ জানান, ওই স্থানের আশপাশে পুকুরপাড় ও নিচু এলাকায় পুরাতন কয়েকটি বট-পাকুর গাছ ছিল। গত ৪-৫ বছর ধরে গ্রামবাসীরা ওই স্থানের পাশ দিয়ে সরু রাস্তায় চলাচল করেন। দিনে ধোঁয়া কম হলেও রাত বেশি হয়। গ্রামবাসীরা ওই গর্তে কোনো গ্যাস বা দাহ্য পদার্থ থাকার কথা ভেবে আতঙ্কিত হন। তবে ওই ধোঁয়ায় আগুন না জ্বালায় আস্তে আস্তে ভয় কেটে যায়।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সঞ্জয় কুমার মহন্ত জানান, ভৌগোলিক বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন, মাটির নিচে থাকা উদ্ভিদের অংশগুলো থেকে মিথেন গ্যাস তৈরি হয়। এরপর কোনো কারণে সেখান থেকে ধোঁয়া বের হয়।

সোমবার দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরও জানান, এখন আর ধোঁয়া নেই। গ্রামের কিছু মানুষ এ ঘটনা নিয়ে বেশি হৈ চৈ করেন। ফলে গ্রামবাসীদের অনেকের মাঝে আতঙ্ক দেখা দেয়।