ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

চুরির মিথ্যা অভিযোগে শিশু শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরগুনায় চুরির মিথ্যা অভিযোগ তুলে শাওন (১১) নামে তৃতীয় শ্রেণীর এক শিশু শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাদশা নামের এক দোকানি তাকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার বিকেলে বরগুনা সদর উপজেলার কলাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশু শিক্ষার্থী শাওন বরগুনা সদর ইউনিয়নের পার্বতী গ্রামের শামীম হাওলাদারের ছেলে।

জানা যায়, রোববার বিকেলে শাওন পাশের গ্রাম কলাতলায় ঘুরতে গিয়ে বাদশা মল্লিকের মুদি দোকানের সামনে বসে। ওই সময় দোকানদার বাদশা দোকানের মধ্য ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুম থেকে জেগে শাওনকে দোকানের সামনে বসে থাকতে দেখে টাকা ও খাবার চুরির অভিযোগে তাকে বেধড়ক মারধর শুরু করে।

তখন শাওন বার বার চিৎকার করে তার কি দোষ ও তাকে কেন মারা হচ্ছে জানতে চেয়ে কান্না করলেও থামেনি সেই দোকানী। বাদশা রাগে উত্তেজিত হয়ে শাওনকে স্টীলের টর্চ লাইট দিয়ে পিটায় এবং লাথি মেরে আহত করে।

পরে আহত অবস্থায় শিশু শাওন দোকানের সামনে পরে থাকলে শিশুটির পরিবার এসে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়।

শাওনের চাচা সারোয়ার হোসেন মিন্টু জানান, বিকেল ৫টার দিকে টিভি দেখতে বসে শাওন। একটু পরে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বাইরে ঘুরতে বের হয়ে পাশের কলাতলা এলাকায় যায়। এ সময় মুদি দোকানদার বাদশা মল্লিকের দোকানে সামনে বসে শাওন। দোকানদার বাদশা ওই সময় দোকানে ঘুমে ছিল। দোকানদার বাদশা হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে শাওনকে দোকানের সামনে বসা দেখে মারার জন্য তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

এ সময় বাদশা স্টিলের লম্বা টর্চ লাইট দিয়ে শাওনকে বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায় শাওনের পেটে একাধিক লাথি মারে এবং গলায় পা দিয়ে চেপে ধরে। এতে শাওন গুরুতর আহত হয়।

একটি ১১ বছরের শিশুকে কোনো ঘটনা ছাড়াই বা কিছু না জেনেই নিষ্ঠুর ও নির্মম ভাবে মারতে পারে সে কোন মানুষ হতে পারে না বলেও জানান তিনি। নির্যাতনকারী দোকানদার বাদশার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তারা।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বাদশা মল্লিকের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম তারিকুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা অভিযোগ দিয়েছে। বাদশাকে আটক করার জন্য আপ্রান চেস্টা চালানো হচ্ছে কিন্তু বাদশা পালাতক রয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

চুরির মিথ্যা অভিযোগে শিশু শিক্ষার্থীকে বেধড়ক মারধর

আপডেট সময় ০৬:০৬:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ অক্টোবর ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বরগুনায় চুরির মিথ্যা অভিযোগ তুলে শাওন (১১) নামে তৃতীয় শ্রেণীর এক শিশু শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাদশা নামের এক দোকানি তাকে মারধর করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

রোববার বিকেলে বরগুনা সদর উপজেলার কলাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। শিশু শিক্ষার্থী শাওন বরগুনা সদর ইউনিয়নের পার্বতী গ্রামের শামীম হাওলাদারের ছেলে।

জানা যায়, রোববার বিকেলে শাওন পাশের গ্রাম কলাতলায় ঘুরতে গিয়ে বাদশা মল্লিকের মুদি দোকানের সামনে বসে। ওই সময় দোকানদার বাদশা দোকানের মধ্য ঘুমাচ্ছিলেন। ঘুম থেকে জেগে শাওনকে দোকানের সামনে বসে থাকতে দেখে টাকা ও খাবার চুরির অভিযোগে তাকে বেধড়ক মারধর শুরু করে।

তখন শাওন বার বার চিৎকার করে তার কি দোষ ও তাকে কেন মারা হচ্ছে জানতে চেয়ে কান্না করলেও থামেনি সেই দোকানী। বাদশা রাগে উত্তেজিত হয়ে শাওনকে স্টীলের টর্চ লাইট দিয়ে পিটায় এবং লাথি মেরে আহত করে।

পরে আহত অবস্থায় শিশু শাওন দোকানের সামনে পরে থাকলে শিশুটির পরিবার এসে তাকে উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দেয়।

শাওনের চাচা সারোয়ার হোসেন মিন্টু জানান, বিকেল ৫টার দিকে টিভি দেখতে বসে শাওন। একটু পরে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় বাইরে ঘুরতে বের হয়ে পাশের কলাতলা এলাকায় যায়। এ সময় মুদি দোকানদার বাদশা মল্লিকের দোকানে সামনে বসে শাওন। দোকানদার বাদশা ওই সময় দোকানে ঘুমে ছিল। দোকানদার বাদশা হঠাৎ ঘুম থেকে জেগে শাওনকে দোকানের সামনে বসা দেখে মারার জন্য তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

এ সময় বাদশা স্টিলের লম্বা টর্চ লাইট দিয়ে শাওনকে বেধড়ক মারধর করে। এক পর্যায় শাওনের পেটে একাধিক লাথি মারে এবং গলায় পা দিয়ে চেপে ধরে। এতে শাওন গুরুতর আহত হয়।

একটি ১১ বছরের শিশুকে কোনো ঘটনা ছাড়াই বা কিছু না জেনেই নিষ্ঠুর ও নির্মম ভাবে মারতে পারে সে কোন মানুষ হতে পারে না বলেও জানান তিনি। নির্যাতনকারী দোকানদার বাদশার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান তারা।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত বাদশা মল্লিকের সাথে একাধিকবার চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কে এম তারিকুল ইসলাম বলেন, মারধরের খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুটির মা অভিযোগ দিয়েছে। বাদশাকে আটক করার জন্য আপ্রান চেস্টা চালানো হচ্ছে কিন্তু বাদশা পালাতক রয়েছে।