ঢাকা ০২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজনৈতিক দলের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে : ইসি আনোয়ারুল বিসমিল্লাহ সারা জীবন থাকবে, সব সময়ই থাকবে: স্বাস্থ্য উপদেষ্টা ইসি যোগ্যতার সঙ্গেই নির্বাচন পরিচালনা করতে সক্ষম হবে: মির্জা ফখরুল বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২১ আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের

সিসি ক্যামেরার আওতায় ২৩১টি পূজামণ্ডপ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শারদীয়া দুর্গা উৎসবে রাজধানীর ২৩১টি পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, রাজধানীর ঢাকেশ্বরী, গুলশান-বনানী, রামকৃঞ্চ মিশন ও ধানমণ্ডির চার বড় মন্দিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেয়া হবে। রাজধানীর ২৩১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে পুলিশ।

তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করে আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে এবং সুনির্দিষ্ট হুমকি না থাকলেও নাশকতার বিষয়টি মাথায় রেখে পূজামণ্ডপগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জননিরাপত্তার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। নিরাপত্তার স্বার্থে কাউকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীতে এবার ৫টি বড় ও ৪টি মাঝারি পূজামণ্ডপসহ ২৩১টি মণ্ডপেই থাকবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ‘ক’ ও ‘খ’ ক্যাটাগরির ৯টি পূজামণ্ডপে দেয়া হবে বিশেষ নিরাপত্তা।

‘ক’ ক্যাটাগরিতে থাকছে ধানমণ্ডি, ঢাকেশ্বরী, রামকৃষ্ণ মিশন ও গুলশান-বনানীর ৪টি পূজামণ্ডপ এবং ‘খ’ ক্যাটাগরিতে থাকছে সিদ্ধেশ্বরী, রমনা কালি মন্দির, উত্তরা, খামারবাড়ি, বসুন্ধরার সার্বজনীন ৫টি পূজামণ্ডপ।

তিনি বলেন, উৎসব উদযাপন করবেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন। আর এতে নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। দুর্গাপূজায় আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়ার চেষ্টা করব। সার্বজনীন উৎসবকে নিরবচ্ছিন্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে পালনের জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুদৃঢ় পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সব পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের আর্চওয়ে গেট হয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতিটি গেটেই দর্শনার্থীদের তল্লাশির আওতায় আনা হবে। সবক’টি মণ্ডপেই প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য বাঁশ দিয়ে আলাদা রাস্তার ব্যবস্থা থাকবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সিসি ক্যামেরার আওতায় ২৩১টি পূজামণ্ডপ

আপডেট সময় ১১:৩৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শারদীয়া দুর্গা উৎসবে রাজধানীর ২৩১টি পূজামণ্ডপ সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ কমিশনার (ডিএমপি) মো. আছাদুজ্জামান মিয়া। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর পুরান ঢাকার ঢাকেশ্বরী মন্দিরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের একথা বলেন তিনি।

আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, রাজধানীর ঢাকেশ্বরী, গুলশান-বনানী, রামকৃঞ্চ মিশন ও ধানমণ্ডির চার বড় মন্দিরে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা দেয়া হবে। রাজধানীর ২৩১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে পুলিশ।

তিনি বলেন, বর্তমান বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ করে আমাদের গোয়েন্দারা কাজ করছে এবং সুনির্দিষ্ট হুমকি না থাকলেও নাশকতার বিষয়টি মাথায় রেখে পূজামণ্ডপগুলোতে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। জননিরাপত্তার জন্য আমরা সর্বদা প্রস্তুত। নিরাপত্তার স্বার্থে কাউকে কোনো ছাড় দেয়া হবে না।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীতে এবার ৫টি বড় ও ৪টি মাঝারি পূজামণ্ডপসহ ২৩১টি মণ্ডপেই থাকবে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা। ‘ক’ ও ‘খ’ ক্যাটাগরির ৯টি পূজামণ্ডপে দেয়া হবে বিশেষ নিরাপত্তা।

‘ক’ ক্যাটাগরিতে থাকছে ধানমণ্ডি, ঢাকেশ্বরী, রামকৃষ্ণ মিশন ও গুলশান-বনানীর ৪টি পূজামণ্ডপ এবং ‘খ’ ক্যাটাগরিতে থাকছে সিদ্ধেশ্বরী, রমনা কালি মন্দির, উত্তরা, খামারবাড়ি, বসুন্ধরার সার্বজনীন ৫টি পূজামণ্ডপ।

তিনি বলেন, উৎসব উদযাপন করবেন বিভিন্ন সম্প্রদায়ের লোকজন। আর এতে নিরাপত্তা দেয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। দুর্গাপূজায় আমরা সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেয়ার চেষ্টা করব। সার্বজনীন উৎসবকে নিরবচ্ছিন্ন ও শান্তিপূর্ণভাবে পালনের জন্য আইনশৃংখলা বাহিনীর পক্ষ থেকে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার সুদৃঢ় পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, সব পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীদের আর্চওয়ে গেট হয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতিটি গেটেই দর্শনার্থীদের তল্লাশির আওতায় আনা হবে। সবক’টি মণ্ডপেই প্রবেশ ও প্রস্থানের জন্য বাঁশ দিয়ে আলাদা রাস্তার ব্যবস্থা থাকবে।