ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

হোসনি দালানের ভেতরে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর হোসনি দালানের ভেতরে অনুষ্ঠিত হয়েছে তাজিয়া মিছিল৷

১০ মহররম পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হোসনি দালানের ভেতরেই তাজিয়া মিছিল বের করা হয়৷ যাতে কারবালার শোকাবহ ঘটনাবহুল এ দিনটি স্মরণ করা হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পবিত্র আশুরা উপলক্ষে সব ধরনের তাজিয়া মিছিল, শোভাযাত্রা, মিছিল ইত্যাদি বন্ধ থাকবে। তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণ করে আবশ্যক সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান প্রতিপালিত হবে।

সে নির্দেশনা মেনেই শুক্রবার সকাল ৮টার পর থেকে রাজধানীর হোসনি দালান ও এর আশপাশের এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন শিয়া সম্প্রদায়ের অনুসারীরা। তাদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবে সুন্নী মুসলমানদের পাশাপাশি যোগ দেন ভিন্ন ধর্মালম্বীরাও।

যারা এসেছেন তাদের বেশিরভাগেরই পরনে শোকের রঙ কালো পোশাক রয়েছে৷ পাশাপাশি তাদের হাতে আছে কালো, লাল রঙের আলাম বা নিশান। তাজিয়া মিছিলে যোগ দিয়ে শিয়া সম্প্রদায়ের অনুসারীরা বুক চাপড়িয়ে ‘হায় হোসেন’, ‘হায় হোসেন’ মাতম তুলছেন। তাদের মাতমে চারপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে৷

অনেকেই ইমাম হোসাইন (রা.)-এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। সেই সঙ্গে নিজ পরিবারের সদস্যদের কবর জিয়ারত করছেন। মহররমের ১০ তারিখে বা আশুরা দিবসে ঐতিহাসিক বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ ও স্মৃতিবহ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

ইসলামের ইতিহাসে আশুরার দিন বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে সমৃদ্ধ। তবে সর্বশেষ কারবালা প্রান্তরে সংঘটিত নবী (সা.)-এর দৌহিত্র হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাত এ দিনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

পবিত্র আশুরা সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত প্রেরণা জাগানিয়া একটি দিন। বলা বাহুল্য, পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলাম সব সময় সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

ইসলামের সুমহান আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্য তার আত্মত্যাগ ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য ত্যাগের মহিমা মুসলিম উম্মাহর এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। জুলুম-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং অসত্য ও অন্যায় প্রতিরোধে হোসাইন (রা.)-এর এ ভূমিকায় মানবজীবনের জন্য শিক্ষণীয় অনেক কিছু রয়েছে।

৬১ হিজরির আশুরা বা ১০ মহররমে (১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ) ইরাকের কারবালা প্রান্তরে শহীদ হন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দৌহিত্র হোসাইন ইবনে আলী (রা.)। সেই সঙ্গে পরিবারের সদস্যসহ কারবালা প্রান্তরে তার মোট ৭১ জন সঙ্গী শাহাদত বরণ করেছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

হোসনি দালানের ভেতরে তাজিয়া মিছিল অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ১২:৩১:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ অগাস্ট ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

রাজধানীর হোসনি দালানের ভেতরে অনুষ্ঠিত হয়েছে তাজিয়া মিছিল৷

১০ মহররম পবিত্র আশুরা উপলক্ষে শুক্রবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হোসনি দালানের ভেতরেই তাজিয়া মিছিল বের করা হয়৷ যাতে কারবালার শোকাবহ ঘটনাবহুল এ দিনটি স্মরণ করা হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, পবিত্র আশুরা উপলক্ষে সব ধরনের তাজিয়া মিছিল, শোভাযাত্রা, মিছিল ইত্যাদি বন্ধ থাকবে। তবে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও সামাজিক দূরত্ব অনুসরণ করে আবশ্যক সব ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান প্রতিপালিত হবে।

সে নির্দেশনা মেনেই শুক্রবার সকাল ৮টার পর থেকে রাজধানীর হোসনি দালান ও এর আশপাশের এলাকায় ভিড় জমাতে শুরু করেন শিয়া সম্প্রদায়ের অনুসারীরা। তাদের বৃহৎ ধর্মীয় উৎসবে সুন্নী মুসলমানদের পাশাপাশি যোগ দেন ভিন্ন ধর্মালম্বীরাও।

যারা এসেছেন তাদের বেশিরভাগেরই পরনে শোকের রঙ কালো পোশাক রয়েছে৷ পাশাপাশি তাদের হাতে আছে কালো, লাল রঙের আলাম বা নিশান। তাজিয়া মিছিলে যোগ দিয়ে শিয়া সম্প্রদায়ের অনুসারীরা বুক চাপড়িয়ে ‘হায় হোসেন’, ‘হায় হোসেন’ মাতম তুলছেন। তাদের মাতমে চারপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠেছে৷

অনেকেই ইমাম হোসাইন (রা.)-এর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করছেন। সেই সঙ্গে নিজ পরিবারের সদস্যদের কবর জিয়ারত করছেন। মহররমের ১০ তারিখে বা আশুরা দিবসে ঐতিহাসিক বহুবিধ গুরুত্বপূর্ণ ও স্মৃতিবহ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।

ইসলামের ইতিহাসে আশুরার দিন বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে সমৃদ্ধ। তবে সর্বশেষ কারবালা প্রান্তরে সংঘটিত নবী (সা.)-এর দৌহিত্র হোসাইন (রা.)-এর শাহাদাত এ দিনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ও গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

পবিত্র আশুরা সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য অত্যন্ত প্রেরণা জাগানিয়া একটি দিন। বলা বাহুল্য, পূর্ণাঙ্গ জীবনবিধান হিসেবে শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম ইসলাম সব সময় সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।

ইসলামের সুমহান আদর্শকে সমুন্নত রাখার জন্য তার আত্মত্যাগ ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার জন্য ত্যাগের মহিমা মুসলিম উম্মাহর এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। জুলুম-অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো এবং অসত্য ও অন্যায় প্রতিরোধে হোসাইন (রা.)-এর এ ভূমিকায় মানবজীবনের জন্য শিক্ষণীয় অনেক কিছু রয়েছে।

৬১ হিজরির আশুরা বা ১০ মহররমে (১০ অক্টোবর ৬৮০ খ্রিস্টাব্দ) ইরাকের কারবালা প্রান্তরে শহীদ হন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর দৌহিত্র হোসাইন ইবনে আলী (রা.)। সেই সঙ্গে পরিবারের সদস্যসহ কারবালা প্রান্তরে তার মোট ৭১ জন সঙ্গী শাহাদত বরণ করেছিলেন।