ঢাকা ০৩:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

ঋণ পরিশোধে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চায় এফবিসিসিআই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্যবসা-বাণিজ্যে মহামারি করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব পড়ায় ঋণ পরিশোধে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

সম্প্রতি এফবিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলেছেন, মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে এ সময়ে ঋণের টাকা ফেরত দিতে চান না ব্যবসায়ীরা।

ঋণের টাকা ফেরত দিতে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হোক।

করোনা ভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ঋণ শ্রেণিকরণে স্থগিতাদেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই স্থগিতাদেশ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এফবিসিসিআই এ সুবিধা এখন চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত চেয়েছে।

লিখিত আবেদনে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সময়সীমা সংক্রান্ত এখন পর্যন্ত যতগুলো পদক্ষেপ নিয়েছে তার সবগুলোই প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখার স্বার্থে শ্রমিক-কর্মচারীদের মজুরি বাবদ সরকারি তহবিল থেকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া, শিল্প ও সেবা খাতে চলতি মূলধন হিসেবে ঋণ দেওয়া, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, সিএসএমই খাতের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধাসহ কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহ, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম ইত্যাদি অত্যন্ত ভূমিকা রেখেছে।

গভর্নরের কাছে পাঠানো চিঠিতে জসিম উদ্দিন বলেন, করোনা মহামারির দ্বিতীয় টেউয়ের কারণে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে বিরূপ প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে। এমনকি অধিকাংশ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের ঋণের কিস্তি সময় মতো পরিশোধ করতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত সুবিধাসমূহের মেয়াদ বাড়ানো না হলে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনিচ্ছাকৃত খেলাপি গ্রাহকে পরিণত হবে, যা ব্যাংকিং খাতসহ পুরো অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ঋণ পরিশোধে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চায় এফবিসিসিআই

আপডেট সময় ০১:৪৮:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ জুন ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ব্যবসা-বাণিজ্যে মহামারি করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রভাব পড়ায় ঋণ পরিশোধে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় চেয়েছে দেশের ব্যবসায়ী-শিল্পপতিদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআই।

সম্প্রতি এফবিসিআই সভাপতি জসিম উদ্দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবিরের কাছে পাঠানো চিঠিতে বলেছেন, মহামারি করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের কারণে এ সময়ে ঋণের টাকা ফেরত দিতে চান না ব্যবসায়ীরা।

ঋণের টাকা ফেরত দিতে চলতি বছরের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময় দেওয়া হোক।

করোনা ভাইরাসের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে এর আগে চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত ঋণ শ্রেণিকরণে স্থগিতাদেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেই স্থগিতাদেশ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এফবিসিসিআই এ সুবিধা এখন চলতি বছরের ডিসেম্বর পর্যন্ত চেয়েছে।

লিখিত আবেদনে এফবিসিসিআই সভাপতি বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংক ঋণ পরিশোধের সময়সীমা সংক্রান্ত এখন পর্যন্ত যতগুলো পদক্ষেপ নিয়েছে তার সবগুলোই প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু দেশের রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখার স্বার্থে শ্রমিক-কর্মচারীদের মজুরি বাবদ সরকারি তহবিল থেকে বিশেষ প্রণোদনা দেওয়া, শিল্প ও সেবা খাতে চলতি মূলধন হিসেবে ঋণ দেওয়া, প্রি-শিপমেন্ট ক্রেডিট খাতে পুনঃঅর্থায়ন স্কিম, সিএসএমই খাতের জন্য বিশেষ ঋণ সুবিধাসহ কৃষি খাতে চলতি মূলধন সরবরাহ, নিম্ন আয়ের পেশাজীবী, কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্য পুনঃঅর্থায়ন স্কিম ইত্যাদি অত্যন্ত ভূমিকা রেখেছে।

গভর্নরের কাছে পাঠানো চিঠিতে জসিম উদ্দিন বলেন, করোনা মহামারির দ্বিতীয় টেউয়ের কারণে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে বিরূপ প্রভাব বিদ্যমান রয়েছে। এমনকি অধিকাংশ শিল্প ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তাদের ঋণের কিস্তি সময় মতো পরিশোধ করতে পারছে না। এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রদত্ত সুবিধাসমূহের মেয়াদ বাড়ানো না হলে অধিকাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান অনিচ্ছাকৃত খেলাপি গ্রাহকে পরিণত হবে, যা ব্যাংকিং খাতসহ পুরো অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।