ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময় আমির হামজার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ, কুশপুত্তলিকায় জুতার মালা ভারতে গিয়ে বিশ্বকাপ খেলবে না আয়ারল্যান্ডও ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু

গণধর্ষণের পর পেট কেটে হত্যা করা হয় রিমাকে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় কিশোরী রিমাকে আটকে রেখে দুই দফা গণধর্ষণের পর পেট কেটে হত্যা করা হয়। পরে লাশ পরিত্যক্ত বাগানে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৩ আসামি সোমবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা জানান।

অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মু. মুজাহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় আসামি স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল ও আল আমিন।

রিমা নাওডোবাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে জাজিরা উপজেলার কান্দি গ্রামের ইলিয়াছ চোকদারের মেয়ে।

জাজিরা থানার ওসি এনামূল হক জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে রিমা বাড়ির পাশের জব্বর আকনের বাড়িতে বিয়ে খেতে যায়। সেখান থেকে চুন্নু মোড়লের দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না বেগম কৌশলে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে একটি ঘরের ভেতর আটকে রাখা হয়। পরে রাতে স্বপ্না বেগমের সহায়তায় তার স্বামী চুন্নু মোড়ল, নুরু মোড়ল ও আল আমিন মোড়লসহ ৩-৪ জন মিলে রিমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে পাশের ফাঁকা মাঠে নিয়ে তাকে আবারও ধর্ষণ করে আসামিরা।

এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে পরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেট কেটে হত্যা করা হয়। পরে পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত বাগানে তার লাশ ফেলে রেখে যায় হত্যাকারীরা।

বুধবার রাতে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় রিমার বাবা ইলিয়াছ চোকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে জাজিরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে জাজিরা থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল ও আল আমিনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের কাছে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে সোমবার তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

ওসি এনামুল হক বলেন, এ ঘটনায় স্বপ্নার স্বামী চুন্নু মোড়ল এখনও পলাতক রয়েছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের পরিবারের সঙ্গে তারেক রহমানের মতবিনিময়

গণধর্ষণের পর পেট কেটে হত্যা করা হয় রিমাকে

আপডেট সময় ১১:০৬:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় কিশোরী রিমাকে আটকে রেখে দুই দফা গণধর্ষণের পর পেট কেটে হত্যা করা হয়। পরে লাশ পরিত্যক্ত বাগানে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ৩ আসামি সোমবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এ কথা জানান।

অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মু. মুজাহিদুল ইসলামের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেয় আসামি স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল ও আল আমিন।

রিমা নাওডোবাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। সে জাজিরা উপজেলার কান্দি গ্রামের ইলিয়াছ চোকদারের মেয়ে।

জাজিরা থানার ওসি এনামূল হক জানান, গত ১১ সেপ্টেম্বর দুপুরে রিমা বাড়ির পাশের জব্বর আকনের বাড়িতে বিয়ে খেতে যায়। সেখান থেকে চুন্নু মোড়লের দ্বিতীয় স্ত্রী স্বপ্না বেগম কৌশলে তার বাসায় ডেকে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে একটি ঘরের ভেতর আটকে রাখা হয়। পরে রাতে স্বপ্না বেগমের সহায়তায় তার স্বামী চুন্নু মোড়ল, নুরু মোড়ল ও আল আমিন মোড়লসহ ৩-৪ জন মিলে রিমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে পাশের ফাঁকা মাঠে নিয়ে তাকে আবারও ধর্ষণ করে আসামিরা।

এ ঘটনা জানাজানি হয়ে যাওয়ার ভয়ে পরে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে পেট কেটে হত্যা করা হয়। পরে পার্শ্ববর্তী পরিত্যক্ত বাগানে তার লাশ ফেলে রেখে যায় হত্যাকারীরা।

বুধবার রাতে তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার রাতে এ ঘটনায় রিমার বাবা ইলিয়াছ চোকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে জাজিরা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পরে জাজিরা থানার পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পর্যায়ক্রমে স্বপ্না বেগম, নুরু মোড়ল ও আল আমিনকে গ্রেফতার করে।

পুলিশের কাছে তারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে সোমবার তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়।

ওসি এনামুল হক বলেন, এ ঘটনায় স্বপ্নার স্বামী চুন্নু মোড়ল এখনও পলাতক রয়েছেন।