ঢাকা ০৫:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

গ্রাহকের জমার বেশি ই-মানি ইস্যু করতে পারবে না এমএফএস প্রোভাইডার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গ্রাহকের জমার চেয়ে বেশি অর্থের ই-মানি ইস্যু করতে পারবে না মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানিগুলো। কোনো কারণে জমার অতিরিক্ত পরিশোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দিয়ে সমন্বয় করতে হবে।

এ ধরনের জমার বিপরীতে ঋণও নেওয়া যাবে না।

সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ধারণ করা অর্থের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের স্বার্থ রক্ষার জন্য ‘গাইডলাইন্স ফর ট্রাস্ট ফান্ড ম্যানেজমেন্ট ইন পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সার্ভিসেস’ শীর্ষক নীতিমালা প্রণয়ন করে এমএফএস ও ই-ওয়ালেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডার, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসসি) এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটররা (পিএসও) গ্রাহকদের লেনদেনের জন্য যে ই-মানি ইস্যু করবে, তার সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংকের ট্রাস্ট কম সেটেলম্যান্ট অ্যাকাউন্ট (টিসিএসএ) থাকতে হবে। সমপরিমাণ অর্থ অ্যাকাউন্টে না থাকলে দ্রুত তা পূরণ করতে হবে। পূরণে ব্যর্থ হলে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিংবা লাইসেন্স বাতিল করতে পারবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরগুলোর পরিশোধ ও লেনদেন নিষ্পত্তি সেবা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় গ্রাহক বা মার্চেন্টের অর্থ কিছু সময়ের জন্য নিজেদের জিম্মায় থাকে।

এতে আরও বলা হয়েছে, অ্যাকাউন্ট পরিচালনার বিষয়ে ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একটি চুক্তি থাকবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের হিসাব বন্ধ করা যাবে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থা কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তহবিলের লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণসহ যে কোনো বিষয়ে তথ্য চাইতে পারবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তহবিল পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন বা পরিবর্তনের নির্দেশ দিতে পারবে। গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষার জন্য অন্য যে কোনো আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গ্রাহকের জমার বেশি ই-মানি ইস্যু করতে পারবে না এমএফএস প্রোভাইডার

আপডেট সময় ১২:২৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ মে ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গ্রাহকের জমার চেয়ে বেশি অর্থের ই-মানি ইস্যু করতে পারবে না মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পানিগুলো। কোনো কারণে জমার অতিরিক্ত পরিশোধ করলে সঙ্গে সঙ্গে সমপরিমাণ অর্থ সংশ্লিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা দিয়ে সমন্বয় করতে হবে।

এ ধরনের জমার বিপরীতে ঋণও নেওয়া যাবে না।

সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর ধারণ করা অর্থের নিরাপত্তা এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষসমূহের স্বার্থ রক্ষার জন্য ‘গাইডলাইন্স ফর ট্রাস্ট ফান্ড ম্যানেজমেন্ট ইন পেমেন্ট অ্যান্ড সেটেলমেন্ট সার্ভিসেস’ শীর্ষক নীতিমালা প্রণয়ন করে এমএফএস ও ই-ওয়ালেট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) প্রোভাইডার, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার (পিএসসি) এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটররা (পিএসও) গ্রাহকদের লেনদেনের জন্য যে ই-মানি ইস্যু করবে, তার সমপরিমাণ অর্থ ব্যাংকের ট্রাস্ট কম সেটেলম্যান্ট অ্যাকাউন্ট (টিসিএসএ) থাকতে হবে। সমপরিমাণ অর্থ অ্যাকাউন্টে না থাকলে দ্রুত তা পূরণ করতে হবে। পূরণে ব্যর্থ হলে উক্ত প্রতিষ্ঠানগুলোকে জরিমানা করতে পারবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কিংবা লাইসেন্স বাতিল করতে পারবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস, পেমেন্ট সার্ভিস প্রোভাইডার এবং পেমেন্ট সিস্টেম অপারেটরগুলোর পরিশোধ ও লেনদেন নিষ্পত্তি সেবা দেওয়ার প্রক্রিয়ায় গ্রাহক বা মার্চেন্টের অর্থ কিছু সময়ের জন্য নিজেদের জিম্মায় থাকে।

এতে আরও বলা হয়েছে, অ্যাকাউন্ট পরিচালনার বিষয়ে ব্যাংকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের একটি চুক্তি থাকবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন ছাড়া এ ধরনের হিসাব বন্ধ করা যাবে না। নিয়ন্ত্রক সংস্থা কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ তহবিলের লেনদেন, হিসাব সংরক্ষণসহ যে কোনো বিষয়ে তথ্য চাইতে পারবে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তহবিল পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা সংশোধন বা পরিবর্তনের নির্দেশ দিতে পারবে। গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষার জন্য অন্য যে কোনো আইনি ব্যবস্থাও নিতে পারবে।