ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী সকল ধর্মের মানুষকে নিয়ে দেশ গড়তে চাই রাজধানীতে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ ও আধুনিক ওসমানী উদ্যান উদ্বোধন করলেন

কাদের মির্জাকে বহিষ্কারের দাবিতে আল্টিমেটাম ভাগ্নে মঞ্জুর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জাকে বহিষ্কারের দাবি করেছেন তারই ভাগ্নে ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু। এ জন্য তিনি ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন।

অন্যথায় রাজধানী ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের হুমকিও দেন মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু।

বৃহস্পতিবার রাতে কাদের মির্জার ভাগ্নে তার ফেসবুক থেকে লাইভে এসে এই আল্টিমেটাম দেন। এর আগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ঘোষণা অনুযায়ী তিনি ফেসবুক লাইভে আসেন।

ভাগ্নে মঞ্জু বলেন, কাদের মির্জা সত্য বচনের নামে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সারাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে ধ্বংস করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের শেষ ঠিকানা। যাদের কাছে বিচার দিয়েছি তারা সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা আগামী শুক্রবার (৭ মে) পর্যন্ত সময় দিলাম। এর মধ্যে যদি কাদের মির্জাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার না করা হয় তাহলে আমরা ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করব এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।

মঞ্জু আরও বলেন, কোম্পানীগঞ্জে বর্তমানে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। আপনি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান বাড়িয়েছেন। কিন্তু এই কাদের মির্জা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর হামলা চালিয়েছেন। এভাবে যদি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান করা হয় তারপর আমাদের আর কিছুই বলার থাকে না।

কোম্পানীগঞ্জের মানুষ তার (কাদের মির্জা) তথাকথিত সত্য বচনের নামে অপরাজনীতির কাছে জিম্মি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, আমরা আর পারছি না। আমাদেরকে এই নরপিশাচের হাত থেকে রক্ষা করুন। আগামী সাতদিনের মধ্যে যদি তাকে বহিষ্কার করা না হয় তাহলে গণরোষের কারণে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগকে নিতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে টানাপোড়েন: কমেছে কর্মী গমন

কাদের মির্জাকে বহিষ্কারের দাবিতে আল্টিমেটাম ভাগ্নে মঞ্জুর

আপডেট সময় ০১:২৯:০১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ এপ্রিল ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জাকে বহিষ্কারের দাবি করেছেন তারই ভাগ্নে ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু। এ জন্য তিনি ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন।

অন্যথায় রাজধানী ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাসভবনের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালনের হুমকিও দেন মাহবুবুর রশীদ মঞ্জু।

বৃহস্পতিবার রাতে কাদের মির্জার ভাগ্নে তার ফেসবুক থেকে লাইভে এসে এই আল্টিমেটাম দেন। এর আগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের ঘোষণা অনুযায়ী তিনি ফেসবুক লাইভে আসেন।

ভাগ্নে মঞ্জু বলেন, কাদের মির্জা সত্য বচনের নামে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগসহ সারাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে ধ্বংস করছেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি আমাদের শেষ ঠিকানা। যাদের কাছে বিচার দিয়েছি তারা সবাই ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা আগামী শুক্রবার (৭ মে) পর্যন্ত সময় দিলাম। এর মধ্যে যদি কাদের মির্জাকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার না করা হয় তাহলে আমরা ঢাকায় সংবাদ সম্মেলন করব এবং প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করব।

মঞ্জু আরও বলেন, কোম্পানীগঞ্জে বর্তমানে শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থা বিরাজ করছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আপনি ভাত ও ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করেছেন। আপনি মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান বাড়িয়েছেন। কিন্তু এই কাদের মির্জা কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা খিজির হায়াত খানের ওপর হামলা চালিয়েছেন। এভাবে যদি একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান করা হয় তারপর আমাদের আর কিছুই বলার থাকে না।

কোম্পানীগঞ্জের মানুষ তার (কাদের মির্জা) তথাকথিত সত্য বচনের নামে অপরাজনীতির কাছে জিম্মি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে, আমরা আর পারছি না। আমাদেরকে এই নরপিশাচের হাত থেকে রক্ষা করুন। আগামী সাতদিনের মধ্যে যদি তাকে বহিষ্কার করা না হয় তাহলে গণরোষের কারণে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় প্রশাসন ও আওয়ামী লীগকে নিতে হবে।