ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

চা বিক্রি করে ১৮ বার মধুচন্দ্রিমায় এই দম্পতি!

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিজয়ন ও মোহনা ভারতের কোচির এক চা বিক্রেতা দম্পতি। চা বিক্রি করেই তাদের সংসার চলে। কিন্তু সাধ্য না থাকলেও তাদের সাধ কম নয়। বিশ্বের বড় বড় শহরে ঘুরে বেড়াতেই ভালবাসেন তারা। বিজয়নের বয়স ৬৫ কিন্তু স্ত্রী মোহনাকে নিয়ে এরই মধ্যে ১৮বার মধুচন্দ্রিমা সেরেছেন তিনি। আর তাও বিশ্বের নামিদামি জায়গাতেই। সুইজারল্যান্ড, মিশর, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে স্ত্রীকে নিয়ে ঘোরাটাই একমাত্র নেশা কোচির এই বৃদ্ধের।

আর তার এই অর্থের যোগান আসে চা বিক্রি থেকেই। কারণ চা বিক্রির পয়সা সঞ্চয় করেন বিজয়ন ও তাঁর স্ত্রী মোহনা। উদ্দেশ্য পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে দেখা। ইতোমধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১৮টি শহর ঘুরে ফেলেছেন তাঁরা। তবে থেমে থাকতে চান না। আরও অনেক দেশ ঘুরে দেখার ইচ্ছে রয়েছে এই তাঁদের।

ছোটবেলা থেকেই বেড়াতে ভালবাসেন বিজয়ন। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে কেরালার বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরতে যেতেন তিনি। তখন থেকেই ঘুরতে যাওয়াটা রীতিমতো নেশা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর সংসারের সব দায়িত্ব তাঁর কাঁধে চলে আসার পর সেই নেশা বন্ধ হয়ে যায় বিজয়নের। এরপর রাঁধুনির চাকরি নিয়ে এক পরিবারের সঙ্গে হিমালয়ে তীর্থযাত্রায় চলে যান তিনি। ফিরে এসে বিয়ে করেন। ঘটনাচক্রে তাঁর স্ত্রীও ঘুরতে ভালবাসেন। তখনই দুজনে মিলে বিশ্ব ভ্রমণের দেখার পরিকল্পনা করে ফেলেন।

চল্লিশ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাঁরা বিশ্বের একাধিক শহর, রাজ্য, দেশ কার্যত চষে ফেলেছেন। স্ত্রী হিসাবে শুধু নয় ঘোরাঘুরির সঙ্গী হিসাবেও বিজয়নের একমাত্র পছন্দ মোহনাকে। এমনকী স্ত্রীকে ছাড়া বাইরে যাওয়ার কথা ভাবতেও পারেন না তিনি। তবে তাঁদের একটাই সমস্যা ছিল, সেটা অর্থের। তাই লোন নিয়েই ঘুরতে যান তাঁরা। তারপর ফিরে সারাবছর ধরে সেই ধার মেটান। প্রতিদিন আয় থেকে ৩০০ টাকা সঞ্চয় করেন এই দম্পতি। তাঁরা প্রমাণ করেছেন ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। অন্তত বিজয়ন ও মোহনার পাসপোর্টে বিভিন্ন দেশের ভিসা সেই গল্পই বলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

চা বিক্রি করে ১৮ বার মধুচন্দ্রিমায় এই দম্পতি!

আপডেট সময় ০৭:১৩:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিজয়ন ও মোহনা ভারতের কোচির এক চা বিক্রেতা দম্পতি। চা বিক্রি করেই তাদের সংসার চলে। কিন্তু সাধ্য না থাকলেও তাদের সাধ কম নয়। বিশ্বের বড় বড় শহরে ঘুরে বেড়াতেই ভালবাসেন তারা। বিজয়নের বয়স ৬৫ কিন্তু স্ত্রী মোহনাকে নিয়ে এরই মধ্যে ১৮বার মধুচন্দ্রিমা সেরেছেন তিনি। আর তাও বিশ্বের নামিদামি জায়গাতেই। সুইজারল্যান্ড, মিশর, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে স্ত্রীকে নিয়ে ঘোরাটাই একমাত্র নেশা কোচির এই বৃদ্ধের।

আর তার এই অর্থের যোগান আসে চা বিক্রি থেকেই। কারণ চা বিক্রির পয়সা সঞ্চয় করেন বিজয়ন ও তাঁর স্ত্রী মোহনা। উদ্দেশ্য পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত ঘুরে দেখা। ইতোমধ্যে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের ১৮টি শহর ঘুরে ফেলেছেন তাঁরা। তবে থেমে থাকতে চান না। আরও অনেক দেশ ঘুরে দেখার ইচ্ছে রয়েছে এই তাঁদের।

ছোটবেলা থেকেই বেড়াতে ভালবাসেন বিজয়ন। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে কেরালার বিভিন্ন মন্দিরে ঘুরতে যেতেন তিনি। তখন থেকেই ঘুরতে যাওয়াটা রীতিমতো নেশা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বাবার মৃত্যুর পর সংসারের সব দায়িত্ব তাঁর কাঁধে চলে আসার পর সেই নেশা বন্ধ হয়ে যায় বিজয়নের। এরপর রাঁধুনির চাকরি নিয়ে এক পরিবারের সঙ্গে হিমালয়ে তীর্থযাত্রায় চলে যান তিনি। ফিরে এসে বিয়ে করেন। ঘটনাচক্রে তাঁর স্ত্রীও ঘুরতে ভালবাসেন। তখনই দুজনে মিলে বিশ্ব ভ্রমণের দেখার পরিকল্পনা করে ফেলেন।

চল্লিশ বছরের দাম্পত্য জীবনে তাঁরা বিশ্বের একাধিক শহর, রাজ্য, দেশ কার্যত চষে ফেলেছেন। স্ত্রী হিসাবে শুধু নয় ঘোরাঘুরির সঙ্গী হিসাবেও বিজয়নের একমাত্র পছন্দ মোহনাকে। এমনকী স্ত্রীকে ছাড়া বাইরে যাওয়ার কথা ভাবতেও পারেন না তিনি। তবে তাঁদের একটাই সমস্যা ছিল, সেটা অর্থের। তাই লোন নিয়েই ঘুরতে যান তাঁরা। তারপর ফিরে সারাবছর ধরে সেই ধার মেটান। প্রতিদিন আয় থেকে ৩০০ টাকা সঞ্চয় করেন এই দম্পতি। তাঁরা প্রমাণ করেছেন ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। অন্তত বিজয়ন ও মোহনার পাসপোর্টে বিভিন্ন দেশের ভিসা সেই গল্পই বলছে।