ঢাকা ০৬:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
এক সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজা কমলো সুচির, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের দেওয়া হলো যাবজ্জীবন কৃষিতে জ্বালানি নির্ভরতা কমবে: কৃষিমন্ত্রী হজযাত্রীদের সেবা না করতে পারলে আমাদের পদত্যাগ করা উচিত: ধর্মমন্ত্রী সাময়িক যুদ্ধবিরতি নয়, যুদ্ধের চিরস্থায়ী অবসান চায় ইরান’ রাশেদ প্রধানের বাসার সামনে বিক্ষোভ, পিএস জনি নন্দীকে সরিয়ে নিল পুলিশ অবসর নিতে চান মির্জা ফখরুল, মহাসচিব পদে ‘পরিবর্তনের’ ইঙ্গিত চাঁদার টাকা না পেয়ে ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা রাজধানীতে তিন মাসের শিশুকে হত্যার অভিযোগে সৎ বাবা গ্রেফতার কুষ্টিয়ায় ট্রাক-পিকআপ সংঘর্ষে নিহত দুই, আহত ৩

সবাইকে অচেতন করে বাড়ির সবকিছু লুট করল জামাই

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এক পরিবারের সবাইকে অচেতন করে সর্বস্ব লুট করেছে জামাই খাজা আহমেদ। বুধবার গভীর রাতে হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধব্যপুরে ফকির মোহাম্মদ বেপারির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী মো. শামীম বলেন, আমার মা, ছোট মেয়ে শামীমা আক্তার এবং বড়বোন নাজমা আক্তার ঘরে ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ সুদিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে খাজা আহমেদ (আমার সেজো বোনের জামাই) আমাদের ঘরে ঢুকে নেশাজাতীয় দ্রব্য নাকে মুখে দেয়।

পরে সবাই অচেতন হয়ে পড়লে ঘরে থাকা টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইলসহ দামি জিনিসপত্র মালামাল লুট করে। কিছুক্ষণ পর আমার মা টের পেলে সে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে নাজমা বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। নাজমা জানান,খাজা আহমেদ চুরির দায়ে কয়েকবার জেলে ছিল।

হাজীগঞ্জ থানায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত কার্যক্রম চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

এক সপ্তাহের মধ্যে হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সবাইকে অচেতন করে বাড়ির সবকিছু লুট করল জামাই

আপডেট সময় ০৭:২৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে এক পরিবারের সবাইকে অচেতন করে সর্বস্ব লুট করেছে জামাই খাজা আহমেদ। বুধবার গভীর রাতে হাজীগঞ্জ উপজেলার গন্ধব্যপুরে ফকির মোহাম্মদ বেপারির বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী মো. শামীম বলেন, আমার মা, ছোট মেয়ে শামীমা আক্তার এবং বড়বোন নাজমা আক্তার ঘরে ঘুমাচ্ছিল। হঠাৎ সুদিয়া গ্রামের আনোয়ার হোসেনের ছেলে খাজা আহমেদ (আমার সেজো বোনের জামাই) আমাদের ঘরে ঢুকে নেশাজাতীয় দ্রব্য নাকে মুখে দেয়।

পরে সবাই অচেতন হয়ে পড়লে ঘরে থাকা টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইলসহ দামি জিনিসপত্র মালামাল লুট করে। কিছুক্ষণ পর আমার মা টের পেলে সে মালামাল নিয়ে পালিয়ে যায়।

বৃহস্পতিবার এ ব্যাপারে নাজমা বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ করেছেন। নাজমা জানান,খাজা আহমেদ চুরির দায়ে কয়েকবার জেলে ছিল।

হাজীগঞ্জ থানায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা জয়নাল আবেদীন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত কার্যক্রম চলছে।