ঢাকা ০৫:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থায় এগোচ্ছে সরকার সার্ক কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেফতার রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে দেখা করলে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড:বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ৬.৫ টনের শক্তিশালী চুম্বকের সফল পরীক্ষা, বিশাল ‘সূর্য’ বানাচ্ছে চীন ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় নতুন দাবানল নিয়ে শঙ্কায় ফ্রান্স নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন ইসিকে স্বাধীনভাবে চোখ কান খুলে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি: গোলাম পরওয়ার মধ্য বাড্ডায় গৃহকর্ত্রী হত্যায় গাড়িচালকের মৃত্যুদণ্ড ‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’, তেহরান-কারাকাস ঐতিহাসিক সম্পর্কে ফাটল

গবেষণা করতে গিয়ে কানাডিয়ান নারীর ইসলাম গ্রহণ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জেনি মোলেন্ডিক ডিভলিলি, যিনি কানাডা বংশোদ্ভূত একজন ইংরেজি শিক্ষিকা। মূলত অনলাইনে শিশুদের জন্য ইসলাম শিক্ষা প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রদান করে আসছেন। খবর ডেইলি সাবাহ এর।

জানা গেছে, ভাষাতত্ত্ব ও সাংকেতিক ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজে ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে ২০০৬ সালে মোলেন্ডিক ডিভলিলি দীর্ঘ পড়াশোনা শেষে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে এক দশক ধরে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে বসবাস করছেন এবং ইংরেজি ভাষা শেখাচ্ছেন।

মোলেন্ডিক বলেন, ‘আমি মুসলিমদের সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। ইসলাম নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করি। সপ্তাহে একদিন আমাকে মসজিদে সাংকেতিক বা ইশারা ভাষা অনুবাদের কাজ করতে হত। তখন থেকে আমি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি। অবশেষে ২০০৬ সালের ১৪ মে আমি ইসলাম গ্রহণ করি। তা ছিল আমার জীবনের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত। আমার জন্য নতুন এক জগত উম্মুক্ত হয় এবং নতুন জীবন শুরু করি। আমি উপলব্ধি করি যে ইসলামই সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা।’

উল্লেখ্য, কানাডার একটি খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোলেন্ডিক। তার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার আর মা ছিলেন একজন নার্স। ভাষাতত্ত্বে স্নাতককালে ও আমেরিকার সাংকেতিক ভাষার অনুবাদের সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন। সে থেকে ইসলাম গ্রহণ করেন।

তবে প্রথম দিকে মোলেন্ডিকের বাবা তার ইসলাম গ্রহণের বিরোধিতা করেন এবং তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান জানান। কিন্তু মোলেন্ডিক নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। ২০১২ সালে তুরস্কের সামি ডিভলিলির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। এরপর তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ও সেদিন থেকেই হিজাব পরিধান শুরু করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রযুক্তিনির্ভর গণপরিবহন ব্যবস্থায় এগোচ্ছে সরকার

গবেষণা করতে গিয়ে কানাডিয়ান নারীর ইসলাম গ্রহণ

আপডেট সময় ১০:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জেনি মোলেন্ডিক ডিভলিলি, যিনি কানাডা বংশোদ্ভূত একজন ইংরেজি শিক্ষিকা। মূলত অনলাইনে শিশুদের জন্য ইসলাম শিক্ষা প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রদান করে আসছেন। খবর ডেইলি সাবাহ এর।

জানা গেছে, ভাষাতত্ত্ব ও সাংকেতিক ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজে ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে ২০০৬ সালে মোলেন্ডিক ডিভলিলি দীর্ঘ পড়াশোনা শেষে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে এক দশক ধরে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে বসবাস করছেন এবং ইংরেজি ভাষা শেখাচ্ছেন।

মোলেন্ডিক বলেন, ‘আমি মুসলিমদের সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। ইসলাম নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করি। সপ্তাহে একদিন আমাকে মসজিদে সাংকেতিক বা ইশারা ভাষা অনুবাদের কাজ করতে হত। তখন থেকে আমি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি। অবশেষে ২০০৬ সালের ১৪ মে আমি ইসলাম গ্রহণ করি। তা ছিল আমার জীবনের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত। আমার জন্য নতুন এক জগত উম্মুক্ত হয় এবং নতুন জীবন শুরু করি। আমি উপলব্ধি করি যে ইসলামই সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা।’

উল্লেখ্য, কানাডার একটি খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোলেন্ডিক। তার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার আর মা ছিলেন একজন নার্স। ভাষাতত্ত্বে স্নাতককালে ও আমেরিকার সাংকেতিক ভাষার অনুবাদের সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন। সে থেকে ইসলাম গ্রহণ করেন।

তবে প্রথম দিকে মোলেন্ডিকের বাবা তার ইসলাম গ্রহণের বিরোধিতা করেন এবং তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান জানান। কিন্তু মোলেন্ডিক নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। ২০১২ সালে তুরস্কের সামি ডিভলিলির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। এরপর তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ও সেদিন থেকেই হিজাব পরিধান শুরু করেন।