ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

গবেষণা করতে গিয়ে কানাডিয়ান নারীর ইসলাম গ্রহণ

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জেনি মোলেন্ডিক ডিভলিলি, যিনি কানাডা বংশোদ্ভূত একজন ইংরেজি শিক্ষিকা। মূলত অনলাইনে শিশুদের জন্য ইসলাম শিক্ষা প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রদান করে আসছেন। খবর ডেইলি সাবাহ এর।

জানা গেছে, ভাষাতত্ত্ব ও সাংকেতিক ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজে ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে ২০০৬ সালে মোলেন্ডিক ডিভলিলি দীর্ঘ পড়াশোনা শেষে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে এক দশক ধরে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে বসবাস করছেন এবং ইংরেজি ভাষা শেখাচ্ছেন।

মোলেন্ডিক বলেন, ‘আমি মুসলিমদের সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। ইসলাম নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করি। সপ্তাহে একদিন আমাকে মসজিদে সাংকেতিক বা ইশারা ভাষা অনুবাদের কাজ করতে হত। তখন থেকে আমি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি। অবশেষে ২০০৬ সালের ১৪ মে আমি ইসলাম গ্রহণ করি। তা ছিল আমার জীবনের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত। আমার জন্য নতুন এক জগত উম্মুক্ত হয় এবং নতুন জীবন শুরু করি। আমি উপলব্ধি করি যে ইসলামই সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা।’

উল্লেখ্য, কানাডার একটি খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোলেন্ডিক। তার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার আর মা ছিলেন একজন নার্স। ভাষাতত্ত্বে স্নাতককালে ও আমেরিকার সাংকেতিক ভাষার অনুবাদের সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন। সে থেকে ইসলাম গ্রহণ করেন।

তবে প্রথম দিকে মোলেন্ডিকের বাবা তার ইসলাম গ্রহণের বিরোধিতা করেন এবং তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান জানান। কিন্তু মোলেন্ডিক নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। ২০১২ সালে তুরস্কের সামি ডিভলিলির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। এরপর তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ও সেদিন থেকেই হিজাব পরিধান শুরু করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

গবেষণা করতে গিয়ে কানাডিয়ান নারীর ইসলাম গ্রহণ

আপডেট সময় ১০:৩৮:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

জেনি মোলেন্ডিক ডিভলিলি, যিনি কানাডা বংশোদ্ভূত একজন ইংরেজি শিক্ষিকা। মূলত অনলাইনে শিশুদের জন্য ইসলাম শিক্ষা প্রসারে ব্যাপক ভূমিকা পালন করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পাঁচ সন্তান নিয়ে তিনি শিশুদের জন্য শিক্ষা প্রদান করে আসছেন। খবর ডেইলি সাবাহ এর।

জানা গেছে, ভাষাতত্ত্ব ও সাংকেতিক ভাষা নিয়ে গবেষণার কাজে ইসলামের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে ২০০৬ সালে মোলেন্ডিক ডিভলিলি দীর্ঘ পড়াশোনা শেষে ইসলাম গ্রহণ করেন। এরপর থেকে এক দশক ধরে তিনি তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে বসবাস করছেন এবং ইংরেজি ভাষা শেখাচ্ছেন।

মোলেন্ডিক বলেন, ‘আমি মুসলিমদের সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। ইসলাম নিয়ে আমি পড়াশোনা শুরু করি। সপ্তাহে একদিন আমাকে মসজিদে সাংকেতিক বা ইশারা ভাষা অনুবাদের কাজ করতে হত। তখন থেকে আমি ইসলাম সম্পর্কে পড়াশোনা শুরু করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ অনুসন্ধানের পর আমার সব প্রশ্নের জবাব ইসলামে পেয়েছি। অবশেষে ২০০৬ সালের ১৪ মে আমি ইসলাম গ্রহণ করি। তা ছিল আমার জীবনের সর্বোত্তম সিদ্ধান্ত। আমার জন্য নতুন এক জগত উম্মুক্ত হয় এবং নতুন জীবন শুরু করি। আমি উপলব্ধি করি যে ইসলামই সর্বোত্তম জীবন ব্যবস্থা।’

উল্লেখ্য, কানাডার একটি খ্রিস্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন মোলেন্ডিক। তার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার আর মা ছিলেন একজন নার্স। ভাষাতত্ত্বে স্নাতককালে ও আমেরিকার সাংকেতিক ভাষার অনুবাদের সময় তিনি বিভিন্ন বিষয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন। সে থেকে ইসলাম গ্রহণ করেন।

তবে প্রথম দিকে মোলেন্ডিকের বাবা তার ইসলাম গ্রহণের বিরোধিতা করেন এবং তার সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের আহ্বান জানান। কিন্তু মোলেন্ডিক নিজের সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। ২০১২ সালে তুরস্কের সামি ডিভলিলির সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। এরপর তার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন ও সেদিন থেকেই হিজাব পরিধান শুরু করেন।