ঢাকা ০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নববধূ হত্যায় শ্বশুরবাড়ির ৬ জনের যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় নববধূ রুবা হত্যা মামলায় ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এসময় তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে আর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আ. রহিম সোমবার সকালে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, লুৎতু ওরফে রুকন (৩০), রুকনের চাচাতো ভাই শরীফ (২২), শরীফের বাবা সোহরাব (৪৫), সোহরাবের স্ত্রী জোৎস্না (৪০), মুসলিম (৫৫) ও মুসলিমের স্ত্রী নূর নাহার (৩৫)। এরা সবাই সম্পর্কে রুবার স্বামী শামীমের চাচা, চাচি, চাচাতো ভাই ও তার স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১১ সালে মে মাসে করিমগঞ্জ উপজেলার দেহুন্দা ইউনিয়নের ভাটিয়া মোগলপাড়া গ্রামের মৃত আ. কদ্দুসের ছেলে শামীমের সঙ্গে বিয়ে হয় একই গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের মেয়ে রুবার।

বিয়ের মাত্র ১৫ দিন পর ২০১১ সালের ৩ জুন রাতে আসামিরা শ্বাসরোধ করে রুবাকে হত্যা করে বাড়ির পেছনের ডোবায় ফেলে দেন। ওই রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে রুবার ভাই আলামিন বাদী হয়ে ৪ জুন রুবার স্বামীসহ সাতজনকে আসামি করে করিমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর শামীম ছাড়া অপর ছয়জনের নামে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নববধূ হত্যায় শ্বশুরবাড়ির ৬ জনের যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ১২:৫২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলায় নববধূ রুবা হত্যা মামলায় ছয় আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এসময় তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে আর্থদণ্ডও দেয়া হয়েছে।

কিশোরগঞ্জের প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আ. রহিম সোমবার সকালে আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, লুৎতু ওরফে রুকন (৩০), রুকনের চাচাতো ভাই শরীফ (২২), শরীফের বাবা সোহরাব (৪৫), সোহরাবের স্ত্রী জোৎস্না (৪০), মুসলিম (৫৫) ও মুসলিমের স্ত্রী নূর নাহার (৩৫)। এরা সবাই সম্পর্কে রুবার স্বামী শামীমের চাচা, চাচি, চাচাতো ভাই ও তার স্ত্রী।

মামলার বিবরণে জানা গেছে, ২০১১ সালে মে মাসে করিমগঞ্জ উপজেলার দেহুন্দা ইউনিয়নের ভাটিয়া মোগলপাড়া গ্রামের মৃত আ. কদ্দুসের ছেলে শামীমের সঙ্গে বিয়ে হয় একই গ্রামের আবু বকর সিদ্দিকের মেয়ে রুবার।

বিয়ের মাত্র ১৫ দিন পর ২০১১ সালের ৩ জুন রাতে আসামিরা শ্বাসরোধ করে রুবাকে হত্যা করে বাড়ির পেছনের ডোবায় ফেলে দেন। ওই রাতেই তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ব্যাপারে রুবার ভাই আলামিন বাদী হয়ে ৪ জুন রুবার স্বামীসহ সাতজনকে আসামি করে করিমগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর শামীম ছাড়া অপর ছয়জনের নামে আদালতে চার্জশিট দেয়া হয়।