ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারের নামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ খেলতে যাওয়া তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় তিন বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের মোট পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযুক্ত তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার হলেন মনির হোসেন, সোহাগ গাজী এবং মুক্তার আলি। টুর্নামেন্ট চলাকালেই এ বিষয়ে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

সোহাগ গাজী জানান, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন আকসু কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। আকসু কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। আকসু প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। আর মারাঠা আরাবিয়ান্সের হয়ে খেরেছেন মোসাদ্দেব হোসেন সৈকত ও মুক্তার আলি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বঙ্গোপসাগরে নজরদারিতে ৬০০ কোটির স্যাটেলাইট প্রকল্প হাতে নিচ্ছে সরকার

বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারের নামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ খেলতে যাওয়া তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় তিন বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের মোট পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযুক্ত তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার হলেন মনির হোসেন, সোহাগ গাজী এবং মুক্তার আলি। টুর্নামেন্ট চলাকালেই এ বিষয়ে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

সোহাগ গাজী জানান, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন আকসু কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। আকসু কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। আকসু প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। আর মারাঠা আরাবিয়ান্সের হয়ে খেরেছেন মোসাদ্দেব হোসেন সৈকত ও মুক্তার আলি।