ঢাকা ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারের নামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ খেলতে যাওয়া তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় তিন বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের মোট পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযুক্ত তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার হলেন মনির হোসেন, সোহাগ গাজী এবং মুক্তার আলি। টুর্নামেন্ট চলাকালেই এ বিষয়ে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

সোহাগ গাজী জানান, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন আকসু কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। আকসু কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। আকসু প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। আর মারাঠা আরাবিয়ান্সের হয়ে খেরেছেন মোসাদ্দেব হোসেন সৈকত ও মুক্তার আলি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারের নামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ খেলতে যাওয়া তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় তিন বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের মোট পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযুক্ত তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার হলেন মনির হোসেন, সোহাগ গাজী এবং মুক্তার আলি। টুর্নামেন্ট চলাকালেই এ বিষয়ে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

সোহাগ গাজী জানান, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন আকসু কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। আকসু কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। আকসু প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। আর মারাঠা আরাবিয়ান্সের হয়ে খেরেছেন মোসাদ্দেব হোসেন সৈকত ও মুক্তার আলি।