ঢাকা ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন ক্ষমতায় গেলে দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে যোগ্যদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত: তাহের চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৬ জানুয়ারি আমার পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির উপজেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে: নুর তেহরান যদি আক্রমণ করে,‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’:নেতানিয়াহু উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন ঋণের অর্থ ছাড়াই শক্তিশালী রিজার্ভের পথে বাংলাদেশ: গভর্নর

বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারের নামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ খেলতে যাওয়া তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় তিন বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের মোট পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযুক্ত তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার হলেন মনির হোসেন, সোহাগ গাজী এবং মুক্তার আলি। টুর্নামেন্ট চলাকালেই এ বিষয়ে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

সোহাগ গাজী জানান, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন আকসু কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। আকসু কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। আকসু প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। আর মারাঠা আরাবিয়ান্সের হয়ে খেরেছেন মোসাদ্দেব হোসেন সৈকত ও মুক্তার আলি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেষ বলের ছক্কায় কোয়ালিফায়ারে সিলেট, রংপুরের বিদায়

বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারের নামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ খেলতে যাওয়া তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় তিন বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের মোট পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযুক্ত তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার হলেন মনির হোসেন, সোহাগ গাজী এবং মুক্তার আলি। টুর্নামেন্ট চলাকালেই এ বিষয়ে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

সোহাগ গাজী জানান, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন আকসু কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। আকসু কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। আকসু প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। আর মারাঠা আরাবিয়ান্সের হয়ে খেরেছেন মোসাদ্দেব হোসেন সৈকত ও মুক্তার আলি।