ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারের নামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ খেলতে যাওয়া তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় তিন বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের মোট পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযুক্ত তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার হলেন মনির হোসেন, সোহাগ গাজী এবং মুক্তার আলি। টুর্নামেন্ট চলাকালেই এ বিষয়ে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

সোহাগ গাজী জানান, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন আকসু কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। আকসু কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। আকসু প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। আর মারাঠা আরাবিয়ান্সের হয়ে খেরেছেন মোসাদ্দেব হোসেন সৈকত ও মুক্তার আলি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

বাংলাদেশি তিন ক্রিকেটারের নামে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৬:৪৮:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক: 

আবুধাবিতে অনুষ্ঠিত টি-টেন লিগ খেলতে যাওয়া তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটারের নামে স্পট ফিক্সিংয়ের অভিযোগ উঠেছে। সন্দেহের তালিকায় তিন বাংলাদেশীসহ বিভিন্ন দেশের মোট পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন। ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল(আইসিসি) বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

অভিযুক্ত তিন বাংলাদেশী ক্রিকেটার হলেন মনির হোসেন, সোহাগ গাজী এবং মুক্তার আলি। টুর্নামেন্ট চলাকালেই এ বিষয়ে মনিরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে এ বিষয়ে মনির বলেন, ‘শেষ ম্যাচে ফিল্ডিং করতে গেলে হাতে ব্যথা পেয়েছিলাম। ব্যথা নিয়েই কেন বোলিং করেছি, সেটা জানতে চেয়েছিলেন আকসু কর্মকর্তারা। আমাকে জানানো হয়েছে, যোগাযোগ করা হলে যেন সহযোগিতা করি।’

সোহাগ গাজী জানান, ‘ঢাকা থেকে যাওয়ার আগেই বিসিবির অ্যান্টি করাপশন ইউনিটের কর্মকর্তারা আমাদের ব্রিফ করেছেন। ওখানে যাওয়ার পর থেকেই থাকতে হয়েছে বায়োসিকিউর বাবলে। হোটেলেই থাকতেন আকসু কর্মকর্তারা। বাইরের কারও সঙ্গে যোগাযোগের কোনো সুযোগ ছিল না। আকসু কর্মকর্তারাও কিছু জানতে চাননি। আর খেলা শেষ করে আমরা তিনজন (গাজী, মুক্তার ও মোসাদ্দেক) দুবাইয়ে চলে এসেছিলাম। আকসু প্রয়োজন মনে করলে ডাকতে পারে। কখনও ডাকলে কথা বলতে সমস্যা নেই।’

২০২১ আবুধাবি টি-টেন ক্রিকেট লিগে খেলেছেন বাংলাদেশের সাত ক্রিকেটার। প্লেয়ার্স ড্রাফট থেকে আফিফ হোসেন ও শেখ মেহেদীকে দলে নিয়েছিল বেঙ্গল টাইগার্স। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজ শেষ করেই আবুধাবি গিয়েছিলেন তারা। আফিফ পাঁচটি ম্যাচ খেললেও শেখ মেহেদী ছিলেন রিজার্ভ বেঞ্চে। নাসির হোসেন ও মনির হোসেন ছিলেন পুনে ডেভিলসে। মনিরকে প্লেয়ার্স ড্রাফটের বাইরে থেকে দলে নেয় পুনে। আর মারাঠা আরাবিয়ান্সের হয়ে খেরেছেন মোসাদ্দেব হোসেন সৈকত ও মুক্তার আলি।