ঢাকা ০৬:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান বাড়িভাড়া কত বাড়ানো যাবে, কতদিন পর–নির্ধারণ করে দিল ঢাকা উত্তর সিটি ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য জরুরি নির্দেশনা ‘ভারতের চাপে আইসিসি কোনো অযৌক্তিক শর্ত চাপিয়ে দিলে মানবো না’:আসিফ নজরুল পদ্মা সেতুর দায় পরিশোধ করতে গিয়ে চালের দাম ২০ টাকা বেড়েছে: শেখ বশির উদ্দীন ক্ষমতায় গেলে দলীয় গণ্ডি পেরিয়ে যোগ্যদের মন্ত্রী বানাবে জামায়াত: তাহের চানখারপুলে ৬ হত্যা মামলার রায় ঘোষণা পিছিয়ে ২৬ জানুয়ারি আমার পক্ষে কাজ না করায় বিএনপির উপজেলা কমিটি বাতিল করা হয়েছে: নুর তেহরান যদি আক্রমণ করে,‘এমন শক্তি দিয়ে হামলা চালাবো, যা সে কখনও চোখে দেখেনি’:নেতানিয়াহু উত্তর কোরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন কিম জং উন

শেষ বলের ছক্কায় কোয়ালিফায়ারে সিলেট, রংপুরের বিদায়

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

অল্প রানের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। টি-২০’র টানটান উত্তেজনা। যে লড়াইয়ে ইনিংসের শেষ বলে জিততে ৬ রান দরকার ছিল সিলেট টাইটান্সের। ক্রিস ওকস ওই ছক্কা মেরে সিলেটকে বিপিএলের কোয়ালিফায়ারে তুলেছেন। হেরে বিদায় নিয়েছে রংপুর রাইডার্স।

মঙ্গলবার মিরপুর স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং নিয়ে রংপুর রাইডার্সকে নাগালের মধ্যে রাখে মেহেদী মিরাজের সিলেট টাইটান্স। রংপুর ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। একে একে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান তাওহীদ হৃদয় (৪), ডেভিড মালান (৪), লিটন দাস (১) ও কাইল মায়ার্স (৮)।

সেখান থেকে ৩৪ রানের ছোট্ট একটা জুটি দেন খুশদীল শাহ ও মাহমুদউল্লাহ। পাকিস্তানের স্পিন অলরাউন্ডার খুশদীল ১৯ বলে তিন ছক্কায় ৩০ রান করেন। ১৫.৫ ওভারে দলের ৯৪ রানে সাজঘরে ফেরা মাহমুদউল্লাহ ২৬ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। নুরুল হাসান ২৪ বলে ২৯ রান যোগ করলে রংপুর ৯ উইকেটে ১১১ রানে আটকে থাকে।

জবাব দিতে নেমে সিলেট ২ রানে ওপেনার তৌফিক খানকে হারায়। তবে দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ ইমন ও আরিফুল ইসলাম ৩৬ রান যোগ করে ধাক্কা সামলে নেন। ইমন ১২ বলে তিন চারের শটে ১৮ রান করে ফিরে যান। আরিফুল ১৮ বলে ১৭ রান করেন। পরেই চারে নামা আফিফ (৩) ফিরলে ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সিলেট।

স্যাম বিলিংস ও সিলেটের অধিনায়ক মিরাজ ৫০ রানের জুটিতে ওই ধাক্কা সামলে ম্যাচ সহজ করে ফেলেন। ১৭ ওভারের শেষ বলে মিরাজ ২৩ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ৯৪ রানে ৫ উইকেট হয়ে যায় সিলেট। শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য তখন ১৮ রান দরকার। ওখান থেকে ম্যাচটা জমিয়ে তোলে রংপুর।

১৮তম ওভারে আলিস আল ইসলাম মাত্র ৩ রান দেন। ১৯তম ওভারে মুস্তাফিজ ৬ রান দিয়ে বিলিংকে তুলে নেন। তিনি ৪০ বলে ২৯ রান করেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৯ রান দরকার ছিল সিলেটের। পাকিস্তানের পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফের প্রথম ৪ বলে মাত্র ২ রান নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মঈন আলী। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ওকসকে স্ট্রাইক দেন খালেদ আহমেদ। শেষ বলে জয়ের জন্য ৬ রান দরকার ছিল সিলেটের। লং অফের ওপর দিয়ে ওকস কাঙ্খিত শটটা খেলে দলকে জয় এনে দেন।

এর আগে বল হাতে সিলেটের হয়ে দুর্দান্ত করেছেন খালেদ ও ওকস। পেসার খালেদ ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন। ওকস ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। স্পিনার নাসুম ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচায় ২ উইকেট দখল করেন। রংপুরের মুস্তাফিজ ও আলিস যথাক্রমে ২০ ও ১৮ রান দিয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।

 

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

শেষ বলের ছক্কায় কোয়ালিফায়ারে সিলেট, রংপুরের বিদায়

আপডেট সময় ০৪:৪৫:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক :

অল্প রানের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। টি-২০’র টানটান উত্তেজনা। যে লড়াইয়ে ইনিংসের শেষ বলে জিততে ৬ রান দরকার ছিল সিলেট টাইটান্সের। ক্রিস ওকস ওই ছক্কা মেরে সিলেটকে বিপিএলের কোয়ালিফায়ারে তুলেছেন। হেরে বিদায় নিয়েছে রংপুর রাইডার্স।

মঙ্গলবার মিরপুর স্টেডিয়ামে টস জিতে বোলিং নিয়ে রংপুর রাইডার্সকে নাগালের মধ্যে রাখে মেহেদী মিরাজের সিলেট টাইটান্স। রংপুর ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে পড়ে। একে একে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যান তাওহীদ হৃদয় (৪), ডেভিড মালান (৪), লিটন দাস (১) ও কাইল মায়ার্স (৮)।

সেখান থেকে ৩৪ রানের ছোট্ট একটা জুটি দেন খুশদীল শাহ ও মাহমুদউল্লাহ। পাকিস্তানের স্পিন অলরাউন্ডার খুশদীল ১৯ বলে তিন ছক্কায় ৩০ রান করেন। ১৫.৫ ওভারে দলের ৯৪ রানে সাজঘরে ফেরা মাহমুদউল্লাহ ২৬ বলে দুটি করে চার ও ছক্কায় ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। নুরুল হাসান ২৪ বলে ২৯ রান যোগ করলে রংপুর ৯ উইকেটে ১১১ রানে আটকে থাকে।

জবাব দিতে নেমে সিলেট ২ রানে ওপেনার তৌফিক খানকে হারায়। তবে দ্বিতীয় উইকেটে পারভেজ ইমন ও আরিফুল ইসলাম ৩৬ রান যোগ করে ধাক্কা সামলে নেন। ইমন ১২ বলে তিন চারের শটে ১৮ রান করে ফিরে যান। আরিফুল ১৮ বলে ১৭ রান করেন। পরেই চারে নামা আফিফ (৩) ফিরলে ৪৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে সিলেট।

স্যাম বিলিংস ও সিলেটের অধিনায়ক মিরাজ ৫০ রানের জুটিতে ওই ধাক্কা সামলে ম্যাচ সহজ করে ফেলেন। ১৭ ওভারের শেষ বলে মিরাজ ২৩ বলে ১৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন। ৯৪ রানে ৫ উইকেট হয়ে যায় সিলেট। শেষ তিন ওভারে জয়ের জন্য তখন ১৮ রান দরকার। ওখান থেকে ম্যাচটা জমিয়ে তোলে রংপুর।

১৮তম ওভারে আলিস আল ইসলাম মাত্র ৩ রান দেন। ১৯তম ওভারে মুস্তাফিজ ৬ রান দিয়ে বিলিংকে তুলে নেন। তিনি ৪০ বলে ২৯ রান করেন। শেষ ওভারে জয়ের জন্য ৯ রান দরকার ছিল সিলেটের। পাকিস্তানের পেস অলরাউন্ডার ফাহিম আশরাফের প্রথম ৪ বলে মাত্র ২ রান নিয়ে সাজঘরে ফেরেন মঈন আলী। পরের বলে সিঙ্গেল নিয়ে ওকসকে স্ট্রাইক দেন খালেদ আহমেদ। শেষ বলে জয়ের জন্য ৬ রান দরকার ছিল সিলেটের। লং অফের ওপর দিয়ে ওকস কাঙ্খিত শটটা খেলে দলকে জয় এনে দেন।

এর আগে বল হাতে সিলেটের হয়ে দুর্দান্ত করেছেন খালেদ ও ওকস। পেসার খালেদ ৪ ওভারে ১৪ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হয়েছেন। ওকস ৪ ওভারে ১৫ রান দিয়ে নেন ২ উইকেট। স্পিনার নাসুম ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান খরচায় ২ উইকেট দখল করেন। রংপুরের মুস্তাফিজ ও আলিস যথাক্রমে ২০ ও ১৮ রান দিয়ে দুটি করে উইকেট নিয়েছেন।