ঢাকা ০৮:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাদ্রাসা সুপার হত্যা: ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার দাখিল মাদ্রাসার সুপার আমিনুল হককে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় মানিক মিয়া নামে এক আসামির ফাঁসি এবং তার বাবা নূরুল করীমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে আর্ধদণ্ড ও অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের দেয়া হয়।

বুধবার সকালে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবদুর রহিম জনাকির্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় প্রদানের সময় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিক মিয়া পলাতক ছিলেন। তবে তার বাবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূরুল করীম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডিতদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের গাবুরগাঁও গ্রামে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমিনুল হকের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মহিষজোড়া গ্রামে। তিনি হোসেনপুরে জিনারী গ্রামে একটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসেবে চাকরি৷ করতেন।

২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমিনুল হকের ছেলে রক্সির সঙ্গে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধে স্থানীয় যুবক মানিক তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে বেঁধে রাখে।

খবর পেয়ে রক্সির বাবা আমিনুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির শুরু হলে মানিক ও তার বাবা নূরুল করীম তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর এক পর্যায়ে মানিক ছুরি দিয়ে আমিনুল হকের বুকে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন তিনি।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ২০০৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফজলুল হক বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে হোসেনপুর থানার এসআই মিনহাজ উদ্দিন দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১০ সালের আগস্টের ১৭ তারিখে দুজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম রায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মাদ্রাসা সুপার হত্যা: ছেলের মৃত্যুদণ্ড, বাবার যাবজ্জীবন

আপডেট সময় ০৩:৩২:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর থানার দাখিল মাদ্রাসার সুপার আমিনুল হককে হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলায় মানিক মিয়া নামে এক আসামির ফাঁসি এবং তার বাবা নূরুল করীমকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের প্রত্যেককে দুই লাখ টাকা করে আর্ধদণ্ড ও অনাদায়ে অতিরিক্ত এক বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ডের দেয়া হয়।

বুধবার সকালে প্রথম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. আবদুর রহিম জনাকির্ণ আদালতে এ রায় ঘোষণা করেন।

রায় প্রদানের সময় ফাঁসির সাজাপ্রাপ্ত আসামি মানিক মিয়া পলাতক ছিলেন। তবে তার বাবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত নূরুল করীম আদালতে উপস্থিত ছিলেন। দণ্ডিতদের বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার জিনারী ইউনিয়নের গাবুরগাঁও গ্রামে।

মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণ থেকে জানা গেছে, মাদ্রাসা সুপারিন্টেন্ডেন্ট আমিনুল হকের বাড়ি ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মহিষজোড়া গ্রামে। তিনি হোসেনপুরে জিনারী গ্রামে একটি দাখিল মাদ্রাসার সুপার হিসেবে চাকরি৷ করতেন।

২০০৯ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমিনুল হকের ছেলে রক্সির সঙ্গে ক্রিকেট খেলা নিয়ে বিরোধে স্থানীয় যুবক মানিক তাকে মারধর করে বাড়িতে নিয়ে বেঁধে রাখে।

খবর পেয়ে রক্সির বাবা আমিনুল হক ঘটনাস্থলে গিয়ে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির শুরু হলে মানিক ও তার বাবা নূরুল করীম তার ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এর এক পর্যায়ে মানিক ছুরি দিয়ে আমিনুল হকের বুকে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন তিনি।

তাকে উদ্ধার করে প্রথমে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতাল ও পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি ঘটলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর ২০০৯ সালের ১৭ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় নিহতের ভাই ফজলুল হক বাদী হয়ে চারজনকে আসামি করে হোসেনপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে হোসেনপুর থানার এসআই মিনহাজ উদ্দিন দীর্ঘ তদন্ত শেষে ২০১০ সালের আগস্টের ১৭ তারিখে দুজনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবু সাঈদ ইমাম রায়ের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।