ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

মাইক্রোবাস চালককে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যা!

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বগুড়ার নন্দীগ্রামে আনোয়ার হোসেন বুলু (৩৮) নামে এক মাইক্রোবাস চালককে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার মধ্যরাতে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে নন্দীগ্রাম উপজেলার তেঘরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে নিহতের ভাই মাজাহারুল ইসলাম রোববার নন্দীগ্রাম থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। ওসি কামরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারের স্বার্থে আসামিদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

পুলিশ, এজাহার সূত্র ও স্বজনরা জানান, মাইক্রোবাসচালক আনোয়ার হোসেন বুলু নওগাঁর আত্রাই উপজেলার জাত আমরুল গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে। বুলু ও তার সাত বন্ধু শনিবার সন্ধ্যার দিকে মাইক্রোবাসে আত্রাই থেকে বগুড়া শহরতলির সিলিমপুরে হোটেল নাজ গার্ডেনে আসেন। সেখানে সবাই মদপান করেন। এরপর মাইক্রোবাসে বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক হয়ে আত্রাইয়ের দিকে রওনা হন। পথিমধ্যে নন্দীগ্রামের তেঘরী এলাকায় মাইক্রোবাসের মধ্যে বুলু ছাড়া অন্যদের হাতাহাতি হয়। এ সময় বুলু মাইক্রোবাস থামিয়ে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বন্ধুরা তাকে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত ট্রাকের নিচে ফেলে দেন। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে তার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

এরপর তারা মরদেহ মাইক্রোবাসে তুলে আত্রাই নিয়ে যান। পাঁচজন (আসামি) নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। এর আগে তারা বুলুর লাশ বন্ধু ইসলাম ও আরিফকে দেন। বাড়িতে গিয়ে বলতে বলা হয় বুলু সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা হত্যাকারী সন্দেহে ইসলাম ও আরিফকে আটক করে রোববার নন্দীগ্রাম থানা পুলিশে দেন। জিজ্ঞাসাবাদে দু’জন বুলুকে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যার কথা স্বীকার ও হত্যাকারীদের নাম প্রকাশ করেন।

নিহতের ভাই মাজাহারুল ইসলাম জানান, ভাই বুলু নিজেদের মাইক্রোবাস চালাতেন। সে দুর্ঘটনায় মারা গেলে মাইক্রোবাস ক্ষতিগ্রস্ত হতো। তিনি দাবি করেন, বন্ধুরা তার ভাইকে গাড়ির নিচে ফেলে হত্যা করেছে।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, নিহতের ভাই মাজাহারুল ইসলাম নন্দীগ্রাম থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। হত্যাকারী সন্দেহে আটক বন্ধু ইসলাম ও আরিফকে মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

মাইক্রোবাস চালককে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যা!

আপডেট সময় ১১:১৭:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২১

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

বগুড়ার নন্দীগ্রামে আনোয়ার হোসেন বুলু (৩৮) নামে এক মাইক্রোবাস চালককে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার মধ্যরাতে বগুড়া-নাটোর মহাসড়কে নন্দীগ্রাম উপজেলার তেঘরী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে নিহতের ভাই মাজাহারুল ইসলাম রোববার নন্দীগ্রাম থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেছেন। ওসি কামরুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারের স্বার্থে আসামিদের নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

পুলিশ, এজাহার সূত্র ও স্বজনরা জানান, মাইক্রোবাসচালক আনোয়ার হোসেন বুলু নওগাঁর আত্রাই উপজেলার জাত আমরুল গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে। বুলু ও তার সাত বন্ধু শনিবার সন্ধ্যার দিকে মাইক্রোবাসে আত্রাই থেকে বগুড়া শহরতলির সিলিমপুরে হোটেল নাজ গার্ডেনে আসেন। সেখানে সবাই মদপান করেন। এরপর মাইক্রোবাসে বগুড়া-নাটোর মহাসড়ক হয়ে আত্রাইয়ের দিকে রওনা হন। পথিমধ্যে নন্দীগ্রামের তেঘরী এলাকায় মাইক্রোবাসের মধ্যে বুলু ছাড়া অন্যদের হাতাহাতি হয়। এ সময় বুলু মাইক্রোবাস থামিয়ে তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে বন্ধুরা তাকে ধাক্কা দিয়ে চলন্ত ট্রাকের নিচে ফেলে দেন। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে তার মর্মান্তিক মৃত্যু হয়।

এরপর তারা মরদেহ মাইক্রোবাসে তুলে আত্রাই নিয়ে যান। পাঁচজন (আসামি) নিজ নিজ বাড়িতে চলে যান। এর আগে তারা বুলুর লাশ বন্ধু ইসলাম ও আরিফকে দেন। বাড়িতে গিয়ে বলতে বলা হয় বুলু সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা হত্যাকারী সন্দেহে ইসলাম ও আরিফকে আটক করে রোববার নন্দীগ্রাম থানা পুলিশে দেন। জিজ্ঞাসাবাদে দু’জন বুলুকে ট্রাকের নিচে ফেলে হত্যার কথা স্বীকার ও হত্যাকারীদের নাম প্রকাশ করেন।

নিহতের ভাই মাজাহারুল ইসলাম জানান, ভাই বুলু নিজেদের মাইক্রোবাস চালাতেন। সে দুর্ঘটনায় মারা গেলে মাইক্রোবাস ক্ষতিগ্রস্ত হতো। তিনি দাবি করেন, বন্ধুরা তার ভাইকে গাড়ির নিচে ফেলে হত্যা করেছে।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি কামরুল ইসলাম জানান, নিহতের ভাই মাজাহারুল ইসলাম নন্দীগ্রাম থানায় পাঁচজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। হত্যাকারী সন্দেহে আটক বন্ধু ইসলাম ও আরিফকে মামলায় সাক্ষী করা হয়েছে।