ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মাছ রপ্তানিতে আয় ৪২৮৭ কোটি টাকা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫২ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ কম। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা মোট হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাস অর্থাৎ জুলাইতে মাছ ও মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার বা ৪৫০ কোটি টাকা।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৮০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাসে জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৯৩ শতাশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে এই সময়ে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে।

আলোচ্য সময়ে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে কাঁকড়া রপ্তানি আয় ২১ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৩৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৭১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মাছ রপ্তানিতে আয় ৪২৮৭ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০১:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫২ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ কম। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা মোট হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাস অর্থাৎ জুলাইতে মাছ ও মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার বা ৪৫০ কোটি টাকা।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৮০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাসে জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৯৩ শতাশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে এই সময়ে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে।

আলোচ্য সময়ে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে কাঁকড়া রপ্তানি আয় ২১ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৩৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৭১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার