ঢাকা ১০:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

মাছ রপ্তানিতে আয় ৪২৮৭ কোটি টাকা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫২ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ কম। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা মোট হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাস অর্থাৎ জুলাইতে মাছ ও মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার বা ৪৫০ কোটি টাকা।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৮০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাসে জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৯৩ শতাশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে এই সময়ে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে।

আলোচ্য সময়ে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে কাঁকড়া রপ্তানি আয় ২১ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৩৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৭১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মাছ রপ্তানিতে আয় ৪২৮৭ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০১:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫২ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ কম। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা মোট হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাস অর্থাৎ জুলাইতে মাছ ও মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার বা ৪৫০ কোটি টাকা।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৮০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাসে জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৯৩ শতাশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে এই সময়ে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে।

আলোচ্য সময়ে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে কাঁকড়া রপ্তানি আয় ২১ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৩৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৭১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার