ঢাকা ১০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাছ রপ্তানিতে আয় ৪২৮৭ কোটি টাকা

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫২ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ কম। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা মোট হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাস অর্থাৎ জুলাইতে মাছ ও মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার বা ৪৫০ কোটি টাকা।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৮০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাসে জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৯৩ শতাশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে এই সময়ে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে।

আলোচ্য সময়ে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে কাঁকড়া রপ্তানি আয় ২১ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৩৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৭১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

মাছ রপ্তানিতে আয় ৪২৮৭ কোটি টাকা

আপডেট সময় ০১:০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ জুলাই ২০১৭

অাকাশ নিউজ ডেস্ক:

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫২ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার বা ৪ হাজার ২৮৭ কোটি টাকা; যা এই সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২ দশমিক ৬৯ শতাংশ কম। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে শুধু চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা মোট হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয়ের ৮৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) জুলাই মাসে প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে। এতে আরও জানানো হয়েছে, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার। চলতি অর্থবছরে এই খাতের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ১০ লাখ মার্কিন ডলার। ইপিবির হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, ২০১৬-১৭ অর্থবছরের শেষ মাস অর্থাৎ জুলাইতে মাছ ও মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৫ কোটি ৩৬ লাখ মার্কিন ডলার বা ৪৫০ কোটি টাকা।

২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় ২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত ও জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১ দশমিক ৭৪ শতাংশ কমেছে। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৫৩ কোটি ৫৭ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৮০ লাখ ৫০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এই সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১১ দশমিক ৯৩ শতাংশ কম। আলোচ্য সময়ে এই খাতে বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ কোটি মার্কিন ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জীবিত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৯১ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ আগের অর্থবছরের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে মাসে জীবিত মাছ রপ্তানি আয় ১১ দশমিক ৯৩ শতাশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ৪ কোটি ৪০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ এবং আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৬ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪ কোটি ৭০ লাখ ৭০ হাজার মার্কিন ডলার।

সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৫ কোটি মার্কিন ডলার। তবে এই সময়ে আয় হয়েছে ৪৪ কোটি ৬০ লাখ ৪০ হাজার মার্কিন ডলার। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৪৪ কোটি ৮৫ লাখ ৬০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে চিংড়ি রপ্তানি আয় শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ কমেছে।

আলোচ্য সময়ে কাঁকড়া রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৮২ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ কম। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এই খাতের পণ্য রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ২ কোটি ৩১ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার। অর্থাৎ বছরের ব্যবধানে কাঁকড়া রপ্তানি আয় ২১ দশমিক ১৪ শতাংশ কমেছে।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছে ১ কোটি ৪০ হাজার মার্কিন ডলার; যা এ সময়ের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ২৫ দশমিক ৫০ শতাংশ বেশি। এর আগের ২০১৫-১৬ অর্থবছরের তুলনায় এই খাতের রপ্তানি আয় ৩৯ দশমিক ৬৪ শতাংশ বেড়েছে। গত ২০১৫-১৬ অর্থবছরে অন্যান্য হিমায়িত মাছ রপ্তানিতে আয় হয়েছিল ৭১ লাখ ৯০ হাজার মার্কিন ডলার