ঢাকা ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

‘অধিকাংশেরই বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি নিয়ে কোনও আগ্রহ নেই’

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সুধীর চক্রবর্তীর মৃত্যু বার্ধক্যজনিত কারণে। তিনি ৮৬ বছর বেঁচেছিলেন। এই বয়স অবধি বাঁচা তো চমৎকার। তাঁর মৃত্যুতে আমি হাহাকার করছি না।

সুধীর চক্রবর্তী ছিলেন লোকসংস্কৃতি গবেষক। বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে ঘুরে সংগ্রহ করেছেন বিভিন্ন লোকসম্প্রদায়ের গান। প্রচুর গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। গ্রন্থ না বলে অমূল্য সম্পদই বলা চলে। তিনি বাংলার লোকজ শিল্প খুঁড়ে খুঁড়ে এত বের করে এনেছেন যে আমাদের শুধু বিস্মিতই করেননি, সমৃদ্ধও করেছেন।

হাহাকার আমার অন্য একটি কারণে। সুধীর চক্রবর্তীর মতো লোকসংস্কৃতির গবেষক কি বাঙালির নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাওয়া যাবে? আমার আশঙ্কা, পাওয়া যাবে না। এর মূল কারণ, এখন অল্প বয়সী যারা, যারা বাংলার ভবিষ্যৎ, তাদের অধিকাংশেরই বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি নিয়ে কোনও আগ্রহ নেই। লোকসংস্কৃতি নিয়ে তো আরও নেই। ভালোবাসা না থাকলে যা হয়, ভাষা এবং সংস্কৃতি দিন দিন শুকিয়ে যেতে থাকে। শুকোতে শুকোতে এক সময় মরে যেতে থাকে।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

‘অধিকাংশেরই বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি নিয়ে কোনও আগ্রহ নেই’

আপডেট সময় ১০:০৭:১৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

সুধীর চক্রবর্তীর মৃত্যু বার্ধক্যজনিত কারণে। তিনি ৮৬ বছর বেঁচেছিলেন। এই বয়স অবধি বাঁচা তো চমৎকার। তাঁর মৃত্যুতে আমি হাহাকার করছি না।

সুধীর চক্রবর্তী ছিলেন লোকসংস্কৃতি গবেষক। বাংলার প্রত্যন্ত গ্রামে গ্রামে ঘুরে সংগ্রহ করেছেন বিভিন্ন লোকসম্প্রদায়ের গান। প্রচুর গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। গ্রন্থ না বলে অমূল্য সম্পদই বলা চলে। তিনি বাংলার লোকজ শিল্প খুঁড়ে খুঁড়ে এত বের করে এনেছেন যে আমাদের শুধু বিস্মিতই করেননি, সমৃদ্ধও করেছেন।

হাহাকার আমার অন্য একটি কারণে। সুধীর চক্রবর্তীর মতো লোকসংস্কৃতির গবেষক কি বাঙালির নতুন প্রজন্মের মধ্যে পাওয়া যাবে? আমার আশঙ্কা, পাওয়া যাবে না। এর মূল কারণ, এখন অল্প বয়সী যারা, যারা বাংলার ভবিষ্যৎ, তাদের অধিকাংশেরই বাংলা ভাষা এবং সংস্কৃতি নিয়ে কোনও আগ্রহ নেই। লোকসংস্কৃতি নিয়ে তো আরও নেই। ভালোবাসা না থাকলে যা হয়, ভাষা এবং সংস্কৃতি দিন দিন শুকিয়ে যেতে থাকে। শুকোতে শুকোতে এক সময় মরে যেতে থাকে।

(ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)