অাকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
একটি লাল কার্ড, দুই বিদেশি ফুটবলারের মৃদু হাতাহাতি, ডাগআউটে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়া। একটি উত্তেজনার ম্যাচে পরতে পরতে যা থাকতে পারে, সবই ছিল শেখ জামাল-সাইফ স্পোর্টিংয়ের ম্যাচে। হলো না শুধু একটি গোল! ম্যাচটি তাই শেষ হয়েছে গোলশূন্য ড্রতে।
যেকোনো এক দলের জয়েও নিষ্পত্তি হতে পারত ম্যাচটি, যদি না দুই দলের সামনেই বাধা হয়ে না দাঁড়াত ক্রসবার। এই ড্রয়ের ফলে আট ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে শেখ জামাল। আর ১৭ পয়েন্ট নিয়ে আবাহনী লিমিটেডের সঙ্গে যৌথভাবে তৃতীয় স্থানে সাইফ স্পোর্টিং।
আগের ম্যাচে লাল কার্ড দেখায় সেন্টার ব্যাক তপু বর্মনকে ছাড়াই মাঠে নামতে হয়েছিল সাইফ স্পোর্টিংকে। কলম্বিয়ান মিডফিল্ডার ড্যানিয়ের আনদ্রেসকে সেন্টার ব্যাকে খেলিয়ে একটি ফাটকাই খেলেছিলেন সাইফ কোচ কিম গ্রান্ট। কাজেও লেগেছে তা। জামালের গাম্বিয়ান মোমোদু বাহ ও সলোমন কিং জুটিকে বক্সের মধ্যে নড়াচড়া করারই সুযোগ দেননি ড্যানিয়ের। দুই উইং থেকে যত এরিয়াল ক্রস এসেছে, হেডে ক্লিয়ার করেছেন এই কলম্বিয়ান। কিন্তু সাইফের আরেক কলম্বিয়ান স্ট্রাইকার হ্যাম্বার ভ্যালেন্সিয়া আজ সুবিধা করতে পারেননি। প্রথমার্ধের ৩০ মিনিটে বক্সের ওপর থেকে তাঁর জোরালো প্লেসিং জামাল গোলরক্ষক মিতুলের হাতের ছোঁয়ায় ক্রসবারে লেগে কর্নার হয়েছে। চলতি লিগে একমাত্র হ্যাটট্রিকম্যান হ্যাম্বারের আজকের ঝলক বলতে এই যা। শেখ জামালের সামনেও বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ক্রসবার। ৪৯ মিনিটে জাবেদ খানের কর্নার থেকে নুরুল আবসারের হেডও ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।
দুই দলই আছে শিরোপার দৌড়ে। মাঠে লড়াইটাও হয়েছে জমাট। উভয় দলই আক্রমণ গড়েছে অনেক। তা প্রতিহত করার জন্য ফাউলও হয়েছে অসংখ্য। তিনটি হলুদ কার্ডের সঙ্গে লাল কার্ডও হয়েছে একটি। সাইফের মিডফিল্ডার হেমন্ত ভিনসেন্ট বিশ্বাস ও ডিফেন্ডার শাকিল আহমেদ দেখেছেন হলুদ কার্ড। আর খেলার শেষ মুহূর্তে বাজে ফাউল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেছেন জামালের ডিফেন্ডার খান মোহাম্মদ তারা। তার আগে একই দলের মিডফিল্ডার মোহাম্মদ আলি দেখেছেন হলুদ কার্ড। একবার তো ভ্যালেন্সিয়া ও মোমোদুহ বাহ মৃদু হাতাহাতিতেও জ
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























