ঢাকা ০৩:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার: প্রধানমন্ত্রী সারের ঘাটতি নেই, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী ছাত্রলীগের প্রতি মায়াকান্না দেখানো সাংবাদিকদের জড়ো করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ পক্ষপাতদুষ্ট নিয়োগ অবিলম্বে বাতিল করতে হবে: গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশকে ‘কম দামে’ ইউরিয়া সার দিতে চায় রাশিয়া প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে : ডিএনসিসি প্রশাসক নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে ধর্ষকদের রক্ষাকারীকে শিক্ষামন্ত্রী বানিয়েছে মোদি সরকার: রাহুল গান্ধী

৪১ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সাইকেল পেল ১৮ কিশোর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

টানা ৪১ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করায় ১৮ কিশোরকে পুরস্কৃত করেছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া বাজার জামে মসজিদ কমিটি। নিয়মিত নামাজ আদায়ের পুরস্কার হিসেবে এসব কিশোরদের প্রত্যেককে বাইসাইকেল দিয়েছেন তারা। এছাড়াও ১ জনকে শীতের পোশাক ও অন্য প্রতিযোগিদের টুপিসহ ইসলামিক বই উপহার দেয়া হয়েছে।

শিশু কিশোরদের নামাজে আগ্রহী করতেই এই সাইকেল বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার বিকালে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মো. গাজী আব্দুল বারির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সভাপতি আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মো. মজিদ। এছাড়া আলহাজ হযরত মাওলানা মো. খলিলুর রহমান, পীর সাহেব আংগারিয়া দরবার শরীফ, আলহাজ হযরত মাওলানা মো. ইউনুস, খতিব আংগারিয়া বাজার জামে মসজিদ, মো. শফিকুল ইসলাম জাহিদসহ আঙ্গারিয়ার গণ্যমান্য বাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শেষে ওই ১৮ কিশোরের হাতে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল তুলে দেন অতিথিরা।আঙ্গারিয়া বাজার জামে মসজিদ কমিটির সূত্রে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর থেকে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে ওই এলাকার ৪৯ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। টানা ৪১ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে মসজিদে এসে নামাজ আদায় করতে সক্ষম হয় ১৮ কিশোর ও একজন বয়স্ক মুসল্লি। শুক্রবার সেই ১৮ কিশোরকে অনুষ্ঠানিকভাবে বাইসাইকেল ও অপরজনকে শীতবস্ত্র এবং পাগড়ি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

তবে যারা টানা ৪০ দিন নামাজ আদায় করতে পারেনি তাদেরকেও নিরাশ করেনি আয়োজকরা। বাকিদের প্রত্যেককে ইসলামিক বইসহ টুপি উপহার দেয়া হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, মসজিদ কমিটির উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নামাজে উদ্বুদ্ধ করতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। এমন আয়োজন যেন দেশের সব মসজিদেই হয় সে আশা ব্যক্ত করেছেন তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রুমায় দুর্গম পাড়ায় হামের উপসর্গে ১৫ দিনে ৮ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৪১

৪১ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সাইকেল পেল ১৮ কিশোর

আপডেট সময় ১১:৪০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

টানা ৪১ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করায় ১৮ কিশোরকে পুরস্কৃত করেছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া বাজার জামে মসজিদ কমিটি। নিয়মিত নামাজ আদায়ের পুরস্কার হিসেবে এসব কিশোরদের প্রত্যেককে বাইসাইকেল দিয়েছেন তারা। এছাড়াও ১ জনকে শীতের পোশাক ও অন্য প্রতিযোগিদের টুপিসহ ইসলামিক বই উপহার দেয়া হয়েছে।

শিশু কিশোরদের নামাজে আগ্রহী করতেই এই সাইকেল বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার বিকালে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মো. গাজী আব্দুল বারির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সভাপতি আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মো. মজিদ। এছাড়া আলহাজ হযরত মাওলানা মো. খলিলুর রহমান, পীর সাহেব আংগারিয়া দরবার শরীফ, আলহাজ হযরত মাওলানা মো. ইউনুস, খতিব আংগারিয়া বাজার জামে মসজিদ, মো. শফিকুল ইসলাম জাহিদসহ আঙ্গারিয়ার গণ্যমান্য বাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শেষে ওই ১৮ কিশোরের হাতে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল তুলে দেন অতিথিরা।আঙ্গারিয়া বাজার জামে মসজিদ কমিটির সূত্রে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর থেকে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে ওই এলাকার ৪৯ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। টানা ৪১ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে মসজিদে এসে নামাজ আদায় করতে সক্ষম হয় ১৮ কিশোর ও একজন বয়স্ক মুসল্লি। শুক্রবার সেই ১৮ কিশোরকে অনুষ্ঠানিকভাবে বাইসাইকেল ও অপরজনকে শীতবস্ত্র এবং পাগড়ি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

তবে যারা টানা ৪০ দিন নামাজ আদায় করতে পারেনি তাদেরকেও নিরাশ করেনি আয়োজকরা। বাকিদের প্রত্যেককে ইসলামিক বইসহ টুপি উপহার দেয়া হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, মসজিদ কমিটির উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নামাজে উদ্বুদ্ধ করতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। এমন আয়োজন যেন দেশের সব মসজিদেই হয় সে আশা ব্যক্ত করেছেন তারা।