ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের নির্ভুল অগ্রগতি প্রতিবেদন তৈরির নির্দেশনা ফ্যামিলি কার্ডে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা: তথ্যমন্ত্রী আম্মারসহ শিবির নেতাদের হামলায় আহত ২ শিক্ষার্থী কারাগারে বাংলাদেশের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক যুক্ত হচ্ছে না: ডা. জাহেদ দক্ষিণ আফ্রিকায় আগুনে পুড়ে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু নির্দোষ হয়েও আমি অপরাধী: আইভী বিনিয়োগ সেবা সহজ করতে ৬৬১.৫ কোটি টাকার ‘বাংলাবিজ’ প্রকল্প সরকারের শুধু আইন করে মাদক নির্মূল সম্ভব নয়: মির্জা ফখরুল মিরসরাই শিল্পাঞ্চলে ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগে আগ্রহী তুরস্কের সানকো

৪১ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সাইকেল পেল ১৮ কিশোর

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

টানা ৪১ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করায় ১৮ কিশোরকে পুরস্কৃত করেছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া বাজার জামে মসজিদ কমিটি। নিয়মিত নামাজ আদায়ের পুরস্কার হিসেবে এসব কিশোরদের প্রত্যেককে বাইসাইকেল দিয়েছেন তারা। এছাড়াও ১ জনকে শীতের পোশাক ও অন্য প্রতিযোগিদের টুপিসহ ইসলামিক বই উপহার দেয়া হয়েছে।

শিশু কিশোরদের নামাজে আগ্রহী করতেই এই সাইকেল বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার বিকালে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মো. গাজী আব্দুল বারির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সভাপতি আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মো. মজিদ। এছাড়া আলহাজ হযরত মাওলানা মো. খলিলুর রহমান, পীর সাহেব আংগারিয়া দরবার শরীফ, আলহাজ হযরত মাওলানা মো. ইউনুস, খতিব আংগারিয়া বাজার জামে মসজিদ, মো. শফিকুল ইসলাম জাহিদসহ আঙ্গারিয়ার গণ্যমান্য বাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শেষে ওই ১৮ কিশোরের হাতে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল তুলে দেন অতিথিরা।আঙ্গারিয়া বাজার জামে মসজিদ কমিটির সূত্রে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর থেকে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে ওই এলাকার ৪৯ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। টানা ৪১ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে মসজিদে এসে নামাজ আদায় করতে সক্ষম হয় ১৮ কিশোর ও একজন বয়স্ক মুসল্লি। শুক্রবার সেই ১৮ কিশোরকে অনুষ্ঠানিকভাবে বাইসাইকেল ও অপরজনকে শীতবস্ত্র এবং পাগড়ি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

তবে যারা টানা ৪০ দিন নামাজ আদায় করতে পারেনি তাদেরকেও নিরাশ করেনি আয়োজকরা। বাকিদের প্রত্যেককে ইসলামিক বইসহ টুপি উপহার দেয়া হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, মসজিদ কমিটির উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নামাজে উদ্বুদ্ধ করতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। এমন আয়োজন যেন দেশের সব মসজিদেই হয় সে আশা ব্যক্ত করেছেন তারা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তির বিকাশে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

৪১ দিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে সাইকেল পেল ১৮ কিশোর

আপডেট সময় ১১:৪০:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:   

টানা ৪১ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ জামাতে আদায় করায় ১৮ কিশোরকে পুরস্কৃত করেছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার আঙ্গারিয়া বাজার জামে মসজিদ কমিটি। নিয়মিত নামাজ আদায়ের পুরস্কার হিসেবে এসব কিশোরদের প্রত্যেককে বাইসাইকেল দিয়েছেন তারা। এছাড়াও ১ জনকে শীতের পোশাক ও অন্য প্রতিযোগিদের টুপিসহ ইসলামিক বই উপহার দেয়া হয়েছে।

শিশু কিশোরদের নামাজে আগ্রহী করতেই এই সাইকেল বিতরণ কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে মসজিদ কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার বিকালে মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মো. গাজী আব্দুল বারির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সভাপতি আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মো. মজিদ। এছাড়া আলহাজ হযরত মাওলানা মো. খলিলুর রহমান, পীর সাহেব আংগারিয়া দরবার শরীফ, আলহাজ হযরত মাওলানা মো. ইউনুস, খতিব আংগারিয়া বাজার জামে মসজিদ, মো. শফিকুল ইসলাম জাহিদসহ আঙ্গারিয়ার গণ্যমান্য বাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে শেষে ওই ১৮ কিশোরের হাতে পুরস্কার হিসেবে বাইসাইকেল তুলে দেন অতিথিরা।আঙ্গারিয়া বাজার জামে মসজিদ কমিটির সূত্রে জানা গেছে, গত ১ অক্টোবর থেকে এই প্রতিযোগিতা শুরু হয়। এতে ওই এলাকার ৪৯ জন শিশু-কিশোর অংশ নেয়। টানা ৪১ দিন তাকবীরে উলার সঙ্গে মসজিদে এসে নামাজ আদায় করতে সক্ষম হয় ১৮ কিশোর ও একজন বয়স্ক মুসল্লি। শুক্রবার সেই ১৮ কিশোরকে অনুষ্ঠানিকভাবে বাইসাইকেল ও অপরজনকে শীতবস্ত্র এবং পাগড়ি দিয়ে পুরস্কৃত করা হয়।

তবে যারা টানা ৪০ দিন নামাজ আদায় করতে পারেনি তাদেরকেও নিরাশ করেনি আয়োজকরা। বাকিদের প্রত্যেককে ইসলামিক বইসহ টুপি উপহার দেয়া হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানান, মসজিদ কমিটির উদ্যোগে শিশু-কিশোরদের নামাজে উদ্বুদ্ধ করতে এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছেন। এমন আয়োজন যেন দেশের সব মসজিদেই হয় সে আশা ব্যক্ত করেছেন তারা।