ঢাকা ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ফেসবুকে ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে এক মাস ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গণধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে এক মাস ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই কিশোরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের পোরজনা গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ইউসুফ আলী (১৮) নামে এক ভ্যানচালককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে তাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ইউসুফ আলী (১৮) ওই গ্রামের আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কিশোর একই গ্রামের মিন্টু প্রামাণিকের ছেলে জীবন (১৭) ও মানিক হোসেনের ছেলে ফয়সালকে (১৭) পুলিশ গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, এক মাস আগে স্কুলে যাওয়ার সময় ইউসুফ, জীবন ও ফয়সাল আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে ধরে ফয়সালের নির্জন বাড়ির একটি ঘরে নিয়ে তিনজন মিলে গণধর্ষণ করে। এ সময় ইউসুফের মোবাইল ফোনে ফয়সাল এ ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করে। এরপর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত একমাস ধরে তিনজন মিলে প্রায় রাতেই মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসছিল। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) গভীর রাতে তারা ধর্ষণের জন্য টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আমার মেয়ে চিৎকার দেয়। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ইউসুফকে হাতেনাতে আটক করে। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় ফয়সাল ও জীবন।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউসুফকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় মামলা করেছেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এদিকে, এ গণধর্ষণে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় লোকজন ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ফেসবুকে ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে এক মাস ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গণধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে এক মাস ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই কিশোরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের পোরজনা গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ইউসুফ আলী (১৮) নামে এক ভ্যানচালককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে তাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ইউসুফ আলী (১৮) ওই গ্রামের আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কিশোর একই গ্রামের মিন্টু প্রামাণিকের ছেলে জীবন (১৭) ও মানিক হোসেনের ছেলে ফয়সালকে (১৭) পুলিশ গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, এক মাস আগে স্কুলে যাওয়ার সময় ইউসুফ, জীবন ও ফয়সাল আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে ধরে ফয়সালের নির্জন বাড়ির একটি ঘরে নিয়ে তিনজন মিলে গণধর্ষণ করে। এ সময় ইউসুফের মোবাইল ফোনে ফয়সাল এ ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করে। এরপর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত একমাস ধরে তিনজন মিলে প্রায় রাতেই মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসছিল। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) গভীর রাতে তারা ধর্ষণের জন্য টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আমার মেয়ে চিৎকার দেয়। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ইউসুফকে হাতেনাতে আটক করে। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় ফয়সাল ও জীবন।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউসুফকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় মামলা করেছেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এদিকে, এ গণধর্ষণে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় লোকজন ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা।