ঢাকা ০৬:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’: আব্বাস আরাঘচি চট্টগ্রামে পুলিশ সদস্য কাইয়ুম হত্যা মামলায়, ১০ জনের যাবজ্জীবন ট্রেনের ধাক্কায় দুমড়ে-মুচড়ে গেল পিকআপ, দুই ভাইসহ নিহত ৩ দেশ গড়ার ক্ষেত্রে শ্রমিকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : মঈন খান মোস্তাফিজকে বাদ দিয়ে বিশ্বকাপ দল গঠনের সুপারিশ আইসিসির আমরা মা-বোনদের নিরাপত্তার ব্যাপারে অত্যন্ত এটেন্টিভ : ডা. শফিকুর রহমান আন্তর্জাতিক আদালতে সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন তিন রোহিঙ্গা নির্বাচনে ৫ লাখ ৫৫ হাজার আনসার-ভিডিপি দায়িত্ব পালন করবে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা কুড়িগ্রামের রৌমারী সীমান্তে গুলি ছুড়ে যুবককে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ ইরানি কর্তৃপক্ষকে ‘সর্বোচ্চ সংযম’ প্রদর্শনের আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

ফেসবুকে ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে এক মাস ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গণধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে এক মাস ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই কিশোরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের পোরজনা গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ইউসুফ আলী (১৮) নামে এক ভ্যানচালককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে তাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ইউসুফ আলী (১৮) ওই গ্রামের আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কিশোর একই গ্রামের মিন্টু প্রামাণিকের ছেলে জীবন (১৭) ও মানিক হোসেনের ছেলে ফয়সালকে (১৭) পুলিশ গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, এক মাস আগে স্কুলে যাওয়ার সময় ইউসুফ, জীবন ও ফয়সাল আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে ধরে ফয়সালের নির্জন বাড়ির একটি ঘরে নিয়ে তিনজন মিলে গণধর্ষণ করে। এ সময় ইউসুফের মোবাইল ফোনে ফয়সাল এ ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করে। এরপর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত একমাস ধরে তিনজন মিলে প্রায় রাতেই মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসছিল। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) গভীর রাতে তারা ধর্ষণের জন্য টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আমার মেয়ে চিৎকার দেয়। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ইউসুফকে হাতেনাতে আটক করে। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় ফয়সাল ও জীবন।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউসুফকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় মামলা করেছেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এদিকে, এ গণধর্ষণে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় লোকজন ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত’: আব্বাস আরাঘচি

ফেসবুকে ভিডিও ছড়ানোর ভয় দেখিয়ে এক মাস ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:১০:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ ডিসেম্বর ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

গণধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে সেই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে ১৪ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রীকে এক মাস ধরে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে দুই কিশোরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে।

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার পোরজনা ইউনিয়নের পোরজনা গুচ্ছগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় ইউসুফ আলী (১৮) নামে এক ভ্যানচালককে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন স্থানীয় লোকজন।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) বিকেলে তাকে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ইউসুফ আলী (১৮) ওই গ্রামের আলীর ছেলে।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত দুই কিশোর একই গ্রামের মিন্টু প্রামাণিকের ছেলে জীবন (১৭) ও মানিক হোসেনের ছেলে ফয়সালকে (১৭) পুলিশ গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর বাবা বলেন, এক মাস আগে স্কুলে যাওয়ার সময় ইউসুফ, জীবন ও ফয়সাল আমার মেয়েকে রাস্তা থেকে ধরে ফয়সালের নির্জন বাড়ির একটি ঘরে নিয়ে তিনজন মিলে গণধর্ষণ করে। এ সময় ইউসুফের মোবাইল ফোনে ফয়সাল এ ধর্ষণের চিত্র ভিডিও ধারণ করে। এরপর ওই ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে গত একমাস ধরে তিনজন মিলে প্রায় রাতেই মেয়েটিকে ডেকে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে আসছিল। মঙ্গলবার (১ ডিসেম্বর) গভীর রাতে তারা ধর্ষণের জন্য টেনে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আমার মেয়ে চিৎকার দেয়। এতে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে ইউসুফকে হাতেনাতে আটক করে। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় ফয়সাল ও জীবন।

এ বিষয়ে শাহজাদপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আবুল হোসেন বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ইউসুফকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছি। এ ঘটনায় মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে শাহজাদপুর থানায় মামলা করেছেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

এদিকে, এ গণধর্ষণে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয় লোকজন ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা।